সোমবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১৭

ঘরে ‘মিষ্টি দই’ জমানোর সহজ রেসিপি

মিষ্টি দই খেতে কে না পছন্দ করে। তাই ,এখন মিষ্টি দই করুন বাড়িতেই।  আপনাদের জন্য দেওয়া হলো ঘরে ‘মিষ্টি দই’ জমানোর সহজ রেসিপি।

উপকরণ

✿- দুধ ১ লিটার
✿- ১ কাপ পানি
✿- চিনি ২০০ গ্রাম
✿- দইয়ের বীজ ২ টেবিল চামচ
✿- ১ টি মাটির পাত্র

দইয়ের বীজ তৈরির পদ্ধতি

দইয়ের বীজ দুভাবে নেয়া যায়
১) আগের দই থেকে ২ টেবিল চামচ সরিয়ে রাখুন।
২) ১ কাপ দুধে ১ কাপ পরিমাণে গুঁড়ো দুধ দিয়ে ভালো করে জ্বাল দিয়ে ক্ষীরসা তৈরি করে নিন। এটিই দইয়ের বীজ হিসেবে কাজ করবে।

দই জমানোর পদ্ধতি

একটি পাত্র দুধ নিয়ে এতে ১ কাপ পানি মিশিয়ে মাঝারি আঁচে জ্বাল দিতে থাকুন। দুধ জ্বাল দিয়ে অর্ধেক পরিমাণে হয়ে এলে এতে চিনি দিয়ে ভালো করে নেড়ে দিন। দুধ আরও ঘন হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে কিছুক্ষণ ঠাণ্ডা হতে দিন। আঙুল ডুবিয়ে দেখুন গরম সহ্য করা যায় কিনা। এই ধরণের গরম থাকতে দুধে দইয়ের বীজ দিয়ে ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিন। এরপর মাটির পাত্রে ঢেলে ভারী মোটা কাপড় বা চটের কিছু দিয়ে ঢেকে অন্ধকার ও ঠাণ্ডা জায়গায় রেখে দিন ৬-৭ ঘণ্টা। ৬-৭ ঘণ্টার মধ্যে দই জমে যাবে। যদি ঠাণ্ডা দই খেতে চান তবে ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করুন। এরপর ফ্রিজ থেকে বের করে পরিবেশন করুন দোকানের মতোই সুস্বাদু ঘরে জমানো পারফেক্ট ‘মিষ্টি দই’।

বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১৭

দুধে হরলিক্স নয় ফলমূল মেশান!

মল্ট (পানিতে ভিজানো যে বার্লি বা অন্য শস্যদানা অঙ্কুরোদগমের পর ব্যবহারের জন্য শুকানো হয়) বেভারেজ, বিভিন্ন ধরনের কোমল পানীয়, সম্পূরক খাবারের জনপ্রিয়তা ভীষণভাবে বাড়ছে। এই মল্ট খাবারগুলো পুষ্টিকর খাবারের স্থান দখল করে নিচ্ছে।
মল্ট দ্বারা তৈরিকৃত পানীয় এবং সম্পূরক খাবারের মধ্যে রয়েছে হরলিক্স, কমপ্লান, বুস্ট, প্রটিনেক্স, পেডিয়াসিউর, বর্নভিটা ইত্যাদি। আজকাল প্রায় প্রতিটি বাসায় এসব পাওয়া যাচ্ছে। আর এসব খেয়ে নাকি বাচ্চারা বয়স ও বুদ্ধিতে তরতর করে বেড়ে উঠছে! কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, সত্যিই কি তাই? এখন জানব সত্যতা:
মল্ট পানীয় এবং সম্পূরক খাদ্য সম্পর্কে কিছু জানা অজানা তথ্য:
  • এই সকল পানীয়তে প্রচুর পরিমাণে চিনি ব্যবহৃত হয়! এমনকি এগুলোর অধিকাংশগুলোতে চকলেটও থাকে। এ ধরনের উপাদান আমাদের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে।
  • ক্ষতির মধ্যে একটি হচ্ছে মুখস্বাস্থ্য নষ্ট হওয়া। যখন অতিরিক্ত চিনি খাওয়া হবে তখন মুখে ব্যাকটেরিয়া জন্মাবে। যেগুলো পরবর্তীতে দন্তক্ষয়, ও ক্যাভিটির সৃষ্টি করবে।
  • এতে অতিরিক্ত চিনি থাকায় তা তাৎক্ষণিকভাবে শক্তি যোগালেও পরবর্তীতে অবসাদ ও অলসতার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। আপনি ফলমূল থেকেও শক্তি পাবেন। তাই মল্ট অথবা সম্পূরক খাদ্য কেন গ্রহণ করবেন?
  • এছাড়াও মল্ট জাতীয় পানীয় এবং সম্পূরক খাবারকে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে প্রিজারভেটিভ ব্যবহৃহ হয়। সাথে ব্যবহৃত হয় কৃত্রিম রং। যেগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
  • ক্লিনিক্যালি প্রমাণিত হয় যে, এ ধরনের প্রিজারভেটিভ ও কৃত্রিম রং বাচ্চাদের আচরণের উপর খারাপ প্রভাব ফেলে। এটি স্মৃতির উপরও প্রভাব ফেলে এবং মনোযোগ ও বিচক্ষণা কমিয়ে দেয়!
  • একথায়, স্বাস্থ্যবান শিশুসহ সকলের অবশ্যই এসব এড়িয়ে চলা উচিৎ।
মল্ট ছাড়াই দুধকে মিষ্টি করার উপায়:
একথা ঠিক যে, বাচ্চারা মিষ্টি ‍দুধ বেশি পছন্দ করে।
  • দুধে ফলমূল অথবা প্রাকৃতিক ফলের পাল্প যুক্ত করুন।
  • ফলের সাথে দুধকে ব্লেন্ড করে দুধের শরবত তৈরি করুন।
  • কিছু জাফরান যুক্ত করতে পারেন।
  • এতে দারুচিনি যুক্ত করলে ঘ্রাণ অনেক ভাল আসবে।
  • এগুলো ছাড়াও আপনি চাইলে কিছু শুকনো ফল যেমন- খেজুর, কিশমিশ মেশাবেন।
পরিশেষে, আপনার বাচ্চাকে বেশি বেশি তাজা ফলমূল ও শাক-সবজি খাওয়াবেন। ব্যাগে করে হরলিক্স, কমপ্লান নিয়ে ঘোরাঘুরি করবেন না। মনে রাখবেন এতে বাচ্চারা বয়স ও বুদ্ধিতে তরতর করে বাড়বে না বরং কমবে। তাই বাচ্চাকে দুধের সাথে হরলিক্স, কমপ্লান না খাইয়ে ফলমূল খাওয়ান।


রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধের উপায়

শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার অভাব হলে রক্তস্বল্পতা বা রক্তশূন্যতা হয়। রক্তস্বল্পতা হলে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, ঝিমঝিম ভাব, অবসন্নতা, বুকে ব্যথা, মাথাব্যথা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। তবে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি রয়েছে যেগুলো মেনে চললে দূর করা যাবে রক্তস্বল্পতা। রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে প্রতিদিন ভিটামিন বি১২ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া প্রয়োজন। দই, দুধ, গরুর মাংস, গরুর লিভার ইত্যাদিতে ভিটামিন বি১২ রয়েছে।

বেশি পরিমাণ ক্যাফেইন খাওয়া আপনাকে সমস্যায় ফেলতে পারে। রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে ক্যাফেইন খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিন। এক গ্লাস লেবুর পানিতে এক টেবিল চামচ মধু ও অ্যাপল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে পান করুন। এই পানীয় রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে কাজ করবে। স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে ভিটামিন সি প্রয়োজন। প্রতিদিন অন্তত দুটি সাইট্রাস ফল খান।

এগুলো আয়রনের উৎস হিসেবেও ভালো। এ ছাড়া প্রতিদিন দুই থেকে তিন টুকরো আপেল খেতে পারেন। এটি রক্তে আয়রনের পরিমাণ বাড়াবে এবং রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সাহায্য করবে। পাশাপাশি আনারও খেতে পারেন। রক্তস্বল্পতার রোগীর ক্ষেত্রে প্রতিদিন ৫ থেকে ১০ মিনিটের গোসল খুব দরকার। দিনে দু’বার ঠাণ্ডা পানি দিয়ে গোসল রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধের ভালো উপায়। যদি গোসল করতে সমস্যা বোধ করেন, বিকল্প হিসেবে পা পানিতে ভেজান। পা, হাত ও বাহুতে ম্যাসাজ করাও খুব গুরুত্বপূর্ণ রক্তস্বল্পতার রোগীদের ক্ষেত্রে। নিয়মিত ম্যাসাজ করুন।

 রক্তস্বল্পতার রোগীদের ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাসও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। খাবারের মধ্যে ফল ও সবজি অবশ্যই রাখুন। কচু শাক, পাকা ও কাচা কলা, কলার মোচা, ডুমুর এসব খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে আয়রণ আছে বিধায় এসব প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন।

এতে রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ হবে। হেলথ ডাইজেস্ট।

মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০১৭

সুস্বাদু কোকোনাট মিল্ক পুডিং এর সহজ রেসিপি

পুডিং অনেকেরই পছন্দের একটি খাবার। আজ আমরা দেখাবো ব্যাতিক্রম সুস্বাদু কোকোনাট মিল্ক পুডিং এর সহজ রেসিপি। নারিকেলের দুধের তৈরি এই পুডিং আপনার রসনাকে তৃপ্ত করবে বলেই আমাদের বিশ্বাস।আমি এখানে দুইভাবে পুডিং তৈরি করেছি । এগলেস এবং উইথ এগ।

উপকরণ

  • দুধ – ১/২ লিটার
  • কোকোনাট মিল্ক – ১ কাপ
  • চিনি – স্বাদ অনুযায়ী
  • আগারা আগারা – ২ চা চামচ
  • ডিম – ১ টি

কোকোনাট মিল্ক যেভাবে তৈরি করতে হবে

  • গ্রেট করা কোকোনাট – ১ + ১/২ কাপ (১ টি নারিকেল মাঝারি )
  • পানি বা ১/২ কেজি দুধের থেকে ১/২ কাপ দুধ
  • দুধ ও কোকোনাট এক সাথে ব্লেন্ডারে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিন ।
  • যতটুকু সম্ভব মিহি করে নিন ।
  • পাটায় বেটেও মিহি করে নিতে পারেন ।
  • এবার পাতলা কাপড় বা ছাঁকনিতে করে চিপে তরল অংশ আলাদা করে নিন ।
  • এই তরল অংশকেই কোকোনাট মিল্ক বা নারিকেলের দুধ বলা হয় ।
  • প্রনালি

  • দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে নিন । অর্ধেক করবেন ।
  • দুধ ঘন হয়ে আসলে কোকোনাট মিল্ক দিয়ে দিন ।
  • জ্বাল দিয়ে আরো ঘন করুন ।
  • চুলা থেকে নামানোর আগে আগারা আগারা দিয়ে নেড়েচেড়ে নিন ।
  • ফুটে উঠলে নামিয়ে নিন ।
  • গরম ভাব চলে গেলে ডিম ভেঙ্গে ভাল করে মিক্স করে নিন ।
  • এবার পছন্দমত শেপের মোল্ডে বাটার ব্রাশ করে মিশ্রন ঢেলে দিন ।
  • এবার একটি হাড়িতে পা পাত্রে পানি দিয়ে তার উপরে মোল্ড বসিয়ে দিন ।
  • এমন ভাবে পানি দিবেন যাতে পানি মোল্ডের ভিতরে না ঢুকে । মোল্ডের উপরে ঢাকনা দিয়ে দিন ।
  • এবার হাড়ির উপরে ঢাকনা দিয়ে ভারি কিছু দিয়ে চাপা দিয়ে দিন ।
  • মাঝারি আঁচে ১৮-২০ মিনিট রাখুন ।
  • যখন দেখবেন পুডিং দুধের মত সাদা রং ধারন করেছে তখন চুলা থেকে নামিয়ে নিবেন ।
  • ঠাণ্ডা করে ফ্রিজে রাখুন । ঠাণ্ডা হলে পরে ছুরি দিয়ে চারদিক ছুটিয়ে নিন ।
  • সাভিং ডিশে ঢালার আগে নিচের দিকে একটু বাড়ী দিয়ে নিবেন যাতে সহজেই বের হয়ে আসে ।
  • ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন দারুন মজাদার কোকোনাট মিল্ক পুডিং ।

টিপস

  • এগ ছাড়া যদি করতে চান তাহলে আগারা আগারা মিক্স করার পরে যে কোন পছন্দ মতো মোল্ডে ঢেলে ঠাণ্ডা করে ফ্রিজে রাখুন । ৩-৪ ঘন্টা পরে জমাট বেধে গেলে পরিবেশন করুন ।
  • টাটকা নারিকেল দিয়ে দুধ তৈরি করবেন ।কয়েকদিন আগের গ্রেট করা নারিকেল দিয়ে তৈরি করলে পরে দুধের সাথে মিক্স করলে ছানা হয়ে যেতে পারে ।
  • এগলেস পুডিং বানালে আগারা আগারা ২ চা চামচের থেকে সামান্য বেশি দিবেন ।
  •  

বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৭

নারীদের বয়স ৩০ পার হলে যে কাজ গুলো অবশ্যই করণীয়!

বয়স যখন একটু একটু করে বেড়ে যেতে থাকে তখন শরীরের দরকার বিশেষ যত্ন। বিশেষ করে নারীদের এক্ষেত্রে যত্নটা একটু বেশিই দরকার। কারণ বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরে আসে নানান পরিবর্তন। নারীদের বয়স ৩০ এর কোঠায় পড়লে প্রয়োজন বিশেষ কিছু যত্ন ও সতর্কতার। আসুন জেনে নেয়া যাক ৫টি কাজ সম্পর্কে যেগুলো তিরিশ বছর বয়সের পর নারীদের অবশ্যই করা উচিত।

ক্যালসিয়াম গ্রহণ
বয়সের সাথে সাথে মানুষের শরীরের ক্ষয় হতে থাকে। বিশেষ করে নারীদের এই প্রবণতাটা অনেক বেশি। বয়স ৩০ পেরুলেই ধীরে ধীরে হাড় ক্ষয় শুরু হয়। আর তাই শরীরের এই ক্ষয় এড়াতে নিয়মিত ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত।

নিয়মিত ব্যায়াম
বয়স তিরিশ পেরোলেই নিয়মিত ব্যায়াম করার অভ্যাস করা উচিত। এ সময়ে নিয়মিত ব্যায়াম করলে মুটিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। এছাড়াও নিয়মিত ব্যায়াম করলে প্রেসার ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে বলে শরীর সুস্থ থাকে।

ত্বকের বিশেষ যত্ন
বয়সের সাথে সাথে ত্বকে বলিরেখা পড়ে যায়। সেই সঙ্গে অনেকের কালো দাগ, মেছতা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। তাই বয়স তিরিশ পেরুলে প্রতি মাসে একবার ফেসিয়াল করা উচিত। পার্লারে বা বাসায় যে কোনো যায়গাতেই করে নিতে পারেন ফেসিয়াল। এছাড়াও অ্যান্টি এজিং ক্রিম, লোশন ও আই ক্রিম ব্যবহার করা উচিত এসময়।

ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ
যাদের ধূমপান কিংবা মদ্যপানের বদভ্যাস আছে তারা তিরিশের পড়ে এগুলো ছেড়ে দিন। কারণ বয়সের সাথে সাথে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এছাড়াও শরীর নাজুক হয়ে আসে বলে এ ধরণের ক্ষতিকর অভ্যাসগুলোর বিরূপ প্রভাব পড়ে শরীরে।

গাইনি চেকআপ
নারীদের বয়স তিরিশের বেশি হয়ে গেলে শরীরের নানান রকম হরমোনের পরিবর্তন হয়। এছাড়াও স্তন ক্যান্সার, জরায়ু ক্যান্সার ইত্যাদির ঝুঁকি থাকে এসময়ে। তাই বয়স তিরিশ পেরুলে প্রতি বছর অন্তত একবার করে গাইনি চেকআপ করিয়ে নেয়া উচিত।

ভারতের গোয়ার জনপ্রিয় খাবার ‘চিকেন

যারা মাংস খেতে বেশি পছন্দ করেন তাদের কাছে মুরগীর মাংস অনেক বেশি প্রিয়। কারণ গরুর মাংস অনেক সময়েই খাওয়া সম্ভব হয় না। কিন্তু মুরগীর মাংসের একই পদ সব সময় খাওয়াও সম্ভব হয়ে উঠে না। তাই আজকে শিখে নিন মুরগীর মাংস রান্নার ভিন্ন একটি উপায়। জেনে নিন ভারতের গোয়ার জনপ্রিয় খাবার ‘চিকেন জাকুটি’ রান্নার সহজ রেসিপিটি।
– ৪ টেবিল চামচ তেল
– তেজ পাতা
– ১ টি পেঁয়াজ
– লবণ স্বাদমতো

মসলার জন্য

– ২ টেবিল চামচ তেল
– ১ ইঞ্চি দারুচিনি
– ৪ টি লবঙ্গ
– ৪ টি গোলমরিচ
– ১ চা চামচ ধনিয়া
– ২ চা চামচ জিরা
– ৫/৬ টি শুকনো মরিচ
– ১ টি পেঁয়াজ কুচি
– ৩ টি কাঁচামরিচ
– ৮ কোয়া রসুন কুচি

নারকেলের মিশ্রনের জন্য

– ২ টেবিল চামচ তেল
– ১/৪ কাপ কাজু বাদাম
– ১/২ কাপ নারকেল কোরানো
– পানি

পদ্ধতি

– মসলা তৈরির জন্য প্রথমে একটি প্যানে তেল দিয়ে এতে পেঁয়াজ, মরিচ ও রসুন বাদে বাকি সব কিছু দিয়ে নেড়ে ভেজে নিন। এরপর পেঁয়াজ দিয়ে ভালো করে নেড়ে নামিয়ে নিন চুলা থেকে। এবার ব্লেন্ডারে বা পাটায় বেটে নিন। ব্লেন্ড বা বাটার সময় একে একে রসুন ও মরিচ এবং কিছুটা পানি নিয়ে মসলা তৈরি করে ফেলুন।
– নারকেলের মিশ্রনের জন্য আবার প্যানে তেল দিয়ে এতে কাজু বাদাম ও নারকেল ঢেলে হালকা বাদামী করে ভেজে নিন। ভাজা শেষ হলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে আবার বেটে বা ব্লেন্ড করে নিন সামান্য পানি দিয়।
– এবার একটি প্যানে তেল দিয়ে গরম করে এতে তেজ পাতা দিয়ে ৩০ সেকেন্ডের মতো নেড়ে নিন। এতে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে নরম করে নিন। তারপর এতে বানিয়ে রাখা মসলা দিয়ে ভালো করে ঘন ঘন নেড়ে নিন।
– মসলা তেল ছেড়ে দিলে চুলার আঁচ বাড়িয়ে দিয়ে মুরগীর মাংস দিয়ে ভালো করে মসলার সাথে মিশিয়ে নিন। ১ কাপ পরিমাণ পানি দিয়ে নেড়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রান্না করুন ১৫ মিনিট।
– এরপর এতে নারকেলের মিশ্রন দিয়ে ১/৪- থেকে আধা কাপ পানি দিয়ে নেড়ে ঢাকনা ছাড়াই রান্না করতে থাকুন। ৫ মিনিট পর লবণ দিয়ে স্বাদ বুঝে নিন। এরপর চুলার আঁচ একেবারে কমিয়ে আরও কিছুক্ষণ রান্না করে মাখা মাখা ঝোল করে নামিয়ে ফেলুন।
– ব্যস, এবার গরম গরম মজা নিন ভাতের সাথে।



সোমবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০১৭

দারুণ সুস্বাদু কসৌরি চিকেন রান্না

উপকরণ

চিকেন (৭৫০ গ্রাম),
মাঝারি মাপের পেঁয়াজ (৪ টে),
নারকেল কোরা (১ কাপ),
ধনেপাতা,
আদা বাটা (দেড় চামচ),
রসুন বাটা (১ চামচ),
কসৌরি মেথি (১ চামচ),
নুন (স্বাদমতো),
গোলমরিচ গুঁড়ো (২ চামচ),
তেঁতুল গোলা (২ চামচ)।

প্রণালী

২ টো পেঁয়াজ ঝিরিঝিরি করে কেটে নিন আর ২ টো পেঁয়াজ বেটে রাখুন। ধনেপাতা ধুতে কুচিয়ে নিন। কড়াইতে তেল গরম করে কসৌরি মেথি দিয়ে সতেঁ করে এবার ওতে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে সোনালি রঙ হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন। পেঁয়াজ বাটা দিন এবং নেড়ে নিন। এবার ওর মধ্যে আদা বাটা, রসুন বাটা দিয়ে ভালভাবে নেড়ে নিন।
এরপর তেঁতুল গোলা, গোলমরিচ এবং নারকেল কোরা দিয়ে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না তেল ছাড়ছে। এবার ওতে চিকেন দিয়ে ঢাকনা বন্ধ করে নিভু আঁচে রান্না করুন যতক্ষণ না মাংস আধসেদ্ধ হচ্ছে। ধনেপাতা কুচি দিন। আবার ঢাকনা চাপা দিয়ে ঢিমে আঁচে রান্না করুন মাংস যতক্ষণ না সেদ্ধ হয়ে আসছে। ব্যস রেডি কসৌরি চিকেন।

যে সকল ভুলে বিবাহিতা নারীকে বেশি বয়স্ক দেখায় !

ব্যাপারটি কিন্তু শতভাগ সত্য। একটু খেয়াল করলেই দেখবেন যে অনেক বাঙালি নারীকেই বিবাহের পর তার বয়সের তুলনায় অধিক বয়স্ক দেখায়। উন্নত দেশগুলোতে যেখানে ৪০-এও একজন নারী থাকতে পারে আকর্ষণীয়া, সেখানে ৪০ মানে আমাদের দেশে মধ্যবয়স্কা। শুধু তাই নয়, অনেক কমবয়সী বিবাহিতা মেয়েদেরকেও তাঁদের বয়সের তুলনায় অনেক বেশী বয়স্ক দেখায়। কেন? কারণ লুকিয়ে আছে আমাদেরই কিছু ভুলের মাঝে। চলুন, জেনে নিই সেই ভুলগুলো।

১) অল্প বয়সে অধিক সন্তানের মা হয়ে যাওয়া

আমাদের দেশে খুব অল্প বয়সে বিয়ে এবং বিয়ের পর পড়ি একাধিক সন্তানের মা হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটি এখনো প্রচলিত। প্রথমত, খুব অল্প বয়সে বিয়েটাই নারীর জীবনে হওয়া উচিত নয়। আর বিয়ের পর দ্রুত সন্তানের মা হয়ে যাওয়া বা ঘনঘন সন্তান প্রসব নারীর স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য দুটোই নষ্ট করে ফেলে। সন্তান ধারণ অনেক ধকলের একটি কাজ। অধিক সন্তান হলে তার বিরূপ প্রভাব নারীর দেখে প্রকট হয়ে দেখা দেয়।

২) সন্তান হবার পর নিজের যত্ন না নেয়া

আমাদের দেশের মেয়েদের মাঝে এটি আরও বড় একটি সমস্যা। সন্তান হবার পর খুব সংখ্যক নারীই নিজের স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য মেইনটেইন করেন। সন্তান হবার সময় যে বাড়তি ওজন হয়, সেটা ঝরিয়ে ফেলা খুবই জরুরী।
নাহলে বাড়তে থাকে আর বাড়তেই থাকে। অন্যদিকে সন্তান হবার সময় ত্বক ও চুলের ক্ষতি হয় অনেকেরই। সন্তানের যত্ন তো করতেই হবে। কিন্তু নিজের সৌন্দর্যের জন্যও সময় বের করতে হবে বৈকি। সুষম আহার, ব্যায়াম ও নিয়মিত সৌন্দর্যচর্চাই এর সমাধান।

৩) ভুল নাকফুল নির্বাচন

বিবাহিত নারীদের একটি বড় অংশ আমাদের সমাজে নাকফুল পরিধান করে থাকেন। কিন্তু ভুল নাকফুল নির্বাচনের কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই নাকফুল বাড়িয়ে তোলে আপনার বয়স। যেমন, যাদের নাক বোঁচা বা একটু মোটা, তারা কখনোই বড় নাকফুল বা নোলক পরিধান করবেন না। নাকফুল যত ছোট হয়, ততই সুন্দর। যাদের নাক খব বেশী চিকন, তাঁরাও বড় নাকফুল পরিহার করুন। যত সিম্পল ডিজাইনের নাকফুল, বয়স দেখাবে ততই কম। যত বড় পরবেন, আপনাকে ততটাই বয়স্ক দেখাবে। নাকে একটু ফুটো আসলেই বাড়তি কয়েক বছর যোগ করে দেয় চেহারায়।

৪) ব্যায়ামের অভ্যাস না থাকা

আমাদের দেশের নারীদের মাঝে ব্যায়ামের অভ্যাস খুব কম। কিন্তু আসলে অল্প বয়স হতেই এই অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরী। ব্যায়াম কেবল দেহের ওজনই ঠিক রাখে না, পাশাপাশি ত্বককে রাখে টানটান ও যৌবনদীপ্ত। শারীরিক ক্ষমতাও রাখে উচ্ছল।

৫) অতিরিক্ত গহনা পরা

গহনা প্রীতি বাঙালি নারীর আছেই। বিয়ের পর এই প্রবণতা আরও বাড়ে। কিন্ত অতিরিক্ত গহনা পরার আগে মনে রাখবেন, যত জবড়জং গহনা পরবেন, আপনাকে ততই বয়স্ক দেখাবে।

৬) ভুল পোশাক নির্বাচন

বিয়ে এবং কয়েকটি সন্তান হয়ে যাওয়ার পর অনেক নারীই আর নিজের পোশাকের দিকে খেয়াল রাখেন না। এটি খুব বড় একটি ভুল। আপনার বয়স যতই হোক না কেন, ওজন যেমনই হোক না কেন, সুন্দরভাবে পোশাক পরলে সবই দৃষ্টিনন্দন মনে হবে। নিজের দেহের সাথে মানানসই কাট ছাঁট ও রঙের পোশাক নির্বাচন করুন। সুন্দর রঙের পোশাক পরিধান করুন। দেখেবন নিজের কাছেও নিজেকে দেখতে ভালো লাগছে।

৭) বাজে হেয়ার স্টাইল

চুলের কাট একজন মানুষের বয়সে বিরাট ভূমিকা রাখে। আপনার সন্তান হয়েছে বলেই নিজের চুলগুলো কোনরকম বেণী বা খোঁপা করে ফেলে রাখবেন, এমন ধারণা থেকে বের হয়ে আসুন। ভালো পার্লারে গিয়ে সুন্দর একটি মানানসই হেয়ারকাট মেইনটেইন করবেন। চলে খুব বেশী রঙ না করিয়ে ন্যাচারাল রঙের কাছাকাছি শেড ব্যবহার করুন। অতিরিক্ত রঙ ব্যবহারেও বয়স্ক দেখায়।

৮) প্রয়োজনীয় ও পর্যাপ্ত পুষ্টি উপাদানের অভাব

নিজের খাওয়ার দাওয়ার দিকে নজর খুব কম বাঙালি নারীই দিয়ে থাকেন। সঠিক পুষ্টির অভাবে কেবল আপনার সৌন্দর্যই হারিয়ে যায় না, প্রভাব পড়ে আপনার স্বাস্থ্যেও। তাই নিজের জন্য একটি ব্যালান্সড খাদ্য তালিকা মেইনটেইন করা সব মেয়ের জন্য দরকার।
বয়স শরীরে নয়, বয়স নিজের মনে। নিজের মনের মত করে নিজেকে সাজিয়ে তুলুন, নিজেকে যত করুন, নিজের খেয়াল রাখুন। বয়সের আগেই বয়স্ক দেখানোর সমস্যা আর থাকবে না জীবনে।

বৃহস্পতিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০১৭

জেনে নিন রান্নাঘরের যত টিপস

রান্নাঘর বেশ রহস্যময় জায়গা। প্রতিদিন এর ভেতর থেকে কত শত সুস্বাদু খাবার বের হয়। কিন্তু খেতে যতটা সহজ, রান্নাঘরে রান্না করা কিন্তু ততটা সহজ নয়! প্রতিদিনই রাঁধুনীদের এই রহস্যময় রান্নাঘরে নানা ঝামেলায় পড়তে হয়। কিন্তু সামান্য কিছু টিপস ফলো করে এই ঝামেলা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

তেমনই কিছু টিপস দেখে নেয়া যাক

  • যদি কাজুবাদামের খোসা ছাড়াতে কষ্ট হয়, তাহলে বাদামগুলোকে গরম পানিতে অন্তত ১৫-২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। খোসা নরম হয়ে সহজেই উঠে আসবে।
  • আপনার চিনির বয়ামে খুব বেশী পিঁপড়ার আক্রমণ হচ্ছে? বয়াম এর মুখ খুলে চিনির উপর ৩-৪ টি লবঙ্গ রেখে দিন। পিঁপড়ে বাপ বাপ করে পালিয়ে যাবে।
  • আপনি যদি বিস্কুটের বয়ামের নিচে এক টুকরো ব্লটিং পেপার রাখেন, তাহলে সেই বয়ামে রাখা বিস্কুট সহজে নষ্ট হবে না। বরং সেগুলো শুষ্ক ও মচমচে রাখতে পারবেন অনেক দিন ধরে।
  • বাজারের সাধারণ মাখন ব্যবহার যত কম করবেন ততই ভালো। বাজারে লো স্যাচুরেটেড ফ্যাট বহনকারী আলাদা মাখন পাওয়া যায়। সেগুলো ব্যবহারের চেষ্টা করুন। এতে শরীরে কোলেস্টেরল বাড়ার ঝুঁকি একেবারেই কম।
  • কাটা আপেলের উপর হালকা করে লেবুর রস লাগিয়ে দিন। আপেল লালচে হবে না। বরং ফ্রেশ দেখাবে অনেক দিন ধরে!
  • যদি চামড়ায় কোথাও পুড়ে যায়, ঠান্ডা পানি ঢেলে দিন। এরপর পাকা কলা চ্যাপ্টা করে নিয়ে পোড়া স্থানে লাগিয়ে দিন। জ্বলুনি একদম কমে যাবে।
  • রান্নাঘরে পোকা কামড় দিতেই পারে। যদি হুলের যন্ত্রণা বেশি হয় তাহলে চুইংগাম চিবিয়ে তার সাথে ১ ড্রপ পানি মিশিয়ে হুল ফোটা স্থানে চেপে ধরুন।কয়েক মিনিটেই ব্যথা মিলিয়ে যাবে।
  • করলা মাঝখানে কেটে নিয়ে তার ভেতরে লবণ, ময়দা এবং দই এর মিশ্রণ ঢুকিয়ে আধা ঘন্টা রেখে দিন। এরপর কেটে রান্না করুন, স্বাদ বেড়ে যাবে দ্বিগুণ!
  • জিরা ফ্রেশ রাখতে চাইলে কী করবেন? খুবই সহজ।জিরাগুলোকে এলুমিনিয়াম ফয়েল পেপারে মুড়িয়ে নিশ্চিন্তে ফ্রিজের এক কোণায় রেখে দিন। এরপর ভুলে যান।যখন প্রয়োজন হবে, ফ্রেশ ফ্রেশ জিরা পাবেন।
  • পাতিলে যদি খাবারের পোড়া দাগ লেগে যায়, অনেক সময় ঘষেও তোলা যায় না।এই ক্ষেত্রে কী করবেন? রান্নাঘরে গিয়ে অল্প কিছু পেঁয়াজ কেটে নিন।এরপর খাবার পোড়া পাতিলে গরম পানি ঢেলে তাতে পেঁয়াজ কুচি রেখে ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন।তারপর পরিষ্কার করুন। দেখবেন পোড়া দাগ উঠে গেছে।
  • সবজি কাটার জন্য কাঠের চপিং বোর্ড ব্যবহার করুন।প্লাস্টিকের গুলো ব্যবহার না করাই শ্রেয়। কারণ প্লাস্টিকের কুচি সবজির সাথে খাবারে চলে যেতে পারে।
  • যদি তাজা ধনে পাতা কিংবা পুদিনা পাতা না পাওয়া যায়, আপনি বাজারে এর রেডিমেড গুঁড়ো কিনতে পাবেন।আর এই গুঁড়োকে তাজা এবং ফ্রেশ রাখতে চাইলে মসলিন কাপড়ে মুড়িয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। অনেক দিন ফ্রেশ থাকবে।
  • রান্নাঘরে খুব তেলাপোকার উপদ্রপ? রান্না ঘরের সিংকের নিচে এবং কোণাগুলোতে বোরিক পাউডার ছড়িয়ে দিন। তেলাপোকা রান্নাঘর তো বটেই, বাড়ি ছেড়ে পালাবে।
  • যদি পাকা নারকেলের শাঁস তুলতে কষ্ট হয়, তাহলে আধ ঘন্টা পানিতে চুবিয়ে রাখুন।এরপর দেখবেন সহজেই উঠে আসছে।
আশা করি এই টিপস গুলো রান্নাঘরের মানুষদের কাজে লাগবে। সবাই ভালো থাকবেন।

রবিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০১৭

১০ টি প্রধান লক্ষণ নারীদেহে জরায়ু ক্যানসারের

স্তন ক্যানসারের মতোই জরায়ু ক্যানসারও অনেক কঠিন একটি অসুখ। পৃথিবীতে প্রচুর নারী জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন এবং এই রোগে মৃত্যুবরণ করেছেন। ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বিশেষ করে উত্তর ও পূর্ব ইউরোপে ২০১২ সালে প্রায় ৬৫,০০০ হাজার নারী জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন এবং ইউরোপের দেশগুলোতে ছয়টি ক্যানসার রোগের মধ্যে জরায়ু ক্যানসার সবচেয়ে বেশি আলোচিত কারণ প্রতি বছর পুরো পৃথিবীতে প্রায় ২,৫০,০০০ নারী জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত নারীরা এই অসুখ হওয়ার প্রথম অবস্থায় চিকিৎসা না করানোর ফলে তাদের বেঁচে থাকার হার ৫০% কমে যায়। আর যারা প্রথম থেকেই চিকিৎসা করান তাদের বেঁচে থাকার সম্ভবনা থাকে ৯৫%।

তবে অনেকেই মনে করেন যে এই অসুখটি হয়তো প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পরে হয়ে থাকে কিন্তু এটি ভুল ধারণা। যেকোন বয়সেই নারীদের জরায়ু ক্যানসার হতে পারে। তবে বিশেষ করে ৫০ বছর বয়স্ক কিংবা এর থেকেও বেশি বয়সের নারীরা জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন বেশি। তবে গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে শিল্পোন্নত দেশের নারীরা বেশি জরায়ু ক্যানসারে অধিক আক্রান্ত হয়ে থাকেন। এবং অন্য দিকে আফ্রিকান, আমারিকান ও এশিয়া প্রদেশের নারীদের এই ক্ষেত্রে জরায়ু ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি অনেক কম সাদা চামড়ার নারীদের থেকে।

জরায়ু ক্যানসারকে ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলা হয়ে থাকে কারণ এই অসুখ দেখা দিলে অনেক নারীরাই এর কিছু কিছু লক্ষণ বুঝতে পারেন না। কিংবা ভিন্ন লক্ষণ দেখা দিলেও গুরুত্ব দেন না। তাই সুস্থ থাকতে এই অসুখের পূর্ববর্তী কিছু লক্ষণ সম্পর্কে জেনে রাখুন।


১। নিন্মাঙ্গের চারপাশে চাপ লাগা কিংবা ঘন ঘন মূত্রত্যাগ করা
২। গ্যাস, বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য। হালকা খাবারের পর পেট ভর্তি লাগা, পেটে অস্বস্তি লাগা, ইত্যাদি পেটের কোন সমস্যা খুব বেশি হলে তা জরায়ু ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে।
৩। অন্য সময়ের থেকে পেটে অনেক পরিবর্তন দেখা দেওয়া।
৪। পেটে অতিরিক্ত ব্যথা কিংবা পেট ফুলে থাকা।
৫। বমি বমি ভাব কিংবা বার বার বমি হওয়া।
৬। ক্ষুধা কমে যাওয়া।
৭। অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি পাওয়া কিংবা ওজন অনেক বেশি কমে যাওয়া।
৮। যৌনমিলনের সময় ব্যথা পাওয়া।
৯। অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ করা।
১০। নারীদের মেনোপজ হওয়ার পরেও ব্লিডিং হওয়া।

চুল উঠে যাচ্ছে? টাক পড়ে যাচ্ছে? রইল কার্যকর ১০টি ঘরোয়া টিপস

বড় বড় ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়েছেন, ওষুধও খেয়েছেন কিন্তু কাজ দিচ্ছে না কিছুই। যত দিন যাচ্ছে আপনিও হয়তো আরও বেশি শঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। কিন্তু কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থ খরচ না-করে হাতের কাছেই থাকা কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করে দেখতে পারেন আপনি।

১। নারকেলের দুধ এবং নারকেল তেল মিশিয়ে ম্যাসাজ করুন।
২। চুলের প্রধান খাবার তেল। নিয়মিত ম্যাসাজ করে যান।
৩। হেনা পাতা জোগাড় করুন। সরষের তেলের সঙ্গে মিশিয়ে মাথায় লাগান সপ্তাহে অন্তত দু’বার।
৪। দই এবং বেসন মিশিয়ে লাগাতে পারেন। তবে খুব ঘনঘন নয়।
৫। পেঁয়াজ চুল গজানোর ক্ষেত্রে দারুণ ভূমিকা পালন করে। কাঁচা পেঁয়াজ মাথার ক্ষতিগ্রস্থ অংশে ঘষতে পারেন।

৬। পেঁয়াজের রস এবং মধু মিশিয়ে স্ক্যাল্পে লাগান।
৭। অলিভ অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করতে পারেন মাঝেমধ্যেই।
৮। আমলা খুবই উপকারী। আমলার তেল ও নির্যাস দিয়ে মাথার ক্ষতিগ্রস্থ অংশে প্রলেপ লাগিয়ে রাখুন।
৯। ডিমের সাদা অংশ অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করুন।
১০। স্যাফ্রন, আমলা এবং পেয়ারা পাতা বেটে সেই মিশ্রণ মাথায় লাগিয়ে রাখুন অন্তত তিরিশ মিনিট।
মাথায় রাখবেন, কোন পদ্ধতিতে সবথেকে বেশি সুফল পাচ্ছেন সেটি নিজেকেই বুঝে নিতে হবে এবং সেই মোতাবেক আপনাকে চলতে হবে।

দারুণ সুস্বাদু মালাইচপ রেসিপি


মালাইচপ এর নাম শুনেই জিভে পানি চলে আসে। সুস্বাদু এই মালাইচপের নাম শুনলেও খাওয়া হয়নি অনেকেরই। কেউ কেউ খেয়ে থাকলেও রেসিপি জানা না থাকায় খেতে পারছে না মন চাইলেও। তাই আজ  দারুণ সুস্বাদু মালাইচপ রেসিপি। এখন রেসিপি জেনে তৈরি করে খান যখন ইচ্ছা তখনই।

মিস্টি তৈরি

• ছানাঃ ১কাপের কম (১ লিটার দুধের)
• সুজিঃ ১ চা চামচ(সুজি অল্প পানিতে ভিজিয়ে ২ মিনিট রাখুন।পাতলা কাপড়ে নিয়ে হাত দিয়ে চেপে পানি একদম ছেকে ফেলুন।)
• মিহি গুড়ো চিনিঃ ১চা চামচ
• গোলাপজল ইচ্ছে অনুযায়ী
প্লেটে ছানা নিয়ে কিছুসময় হাল্কা বাতাসে মেলে রাখুন।এতে ছানার পানি থাকলে শুকিয়ে যাবে।ছানা হাতের তালু দিয়ে মথে নিন ২মিনিট। এখন সুজি ও চিনিগুড়ো মিশিয়ে আরো ১০ মিনিট এর মত মথতে হবে।ছানা ১০ ভাগ করে নিন।গোল গোল বল বানিয়ে হাত দিয়ে চাপ দিয়ে চ্যাপ্টা করে নিন।কোন ফাটা না থাকে যেন বলগুলোতে তবে সিরায় দিলে ফেটে যাবে।
হাড়িতে ১ কাপ চিনির সঙ্গে ৪ কাপ পানি দিয়ে চুলায় দিন।ঢাকনা দিবেন না।
সিরা ফুটলে সব ছানার বল একবারে সিরায় ছাড়ুন। আঁচ অনেক বাড়িয়ে ঢাকনা আটকিয়ে দিন।৫ মিনিট এভাবে রাখুন।৫ মিনিট পর আচ মাঝারি করে আরো ৫ মিনিট রাখুন।চুলা বন্ধ করে সিরাসহ মিস্টি একটি বড় বাটিতে ঢালুন ও ঠান্ডা করুন।

মালাই তৈরি

• দুধঃ ১/২ কাপ
• গুড়ো দুধঃ ১/৪কাপ
• ছানা/মাওয়াঃ ১/৪কাপ
• চিনিঃ ১/৪কাপ
• ঘিঃ ১টেবিলচামচ
উপরের সব উপকরন মিশিয়ে প্যানে করে চুলায় দিন।মাঝারি আচে ঘন হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।অনবরত নাড়ুন।
এখন মিস্টি থেকে চেপে সিরা ঝড়িয়ে নিন।মাঝখান থেকে মিস্টিগুলো কেটে ১ চা চামচ মালাই বিছিয়ে দিয়ে উপরে ঢেকে দিন।
পরিবেশন করুন দারুন মজাদার মালাইচপ।

ছানা তৈরি

• দুধঃ ১ লিটার
• লেবুর রসঃ ২ টেবিলচামচ/ ভিনেগার(লেবুর রসে মিষ্টি সফট হয়)
• সুতি /মসলিন নরম কাপড়
দুধ চুলায় দিয়ে ফুটতে শুরু করলেই চুলা বন্ধ করে দিন।লেবুর রসের সাথে ২ টেবিলচামচ পানি মিশিয়ে অল্প অল্প করে দুধে মিশাতে থাকুন।দুধ ফেটে সবুজ পানি আলাদা হয়ে গেলে সাথে সাথে ছানা কাপড়ে ছেকে ফেলুন।এখন ঠান্ডা পানিতে ছানা ৩বার ধুয়ে নিন যাতে লেবুর টক ভাব দূর হয়ে যায়।
ছানার কাপড়ের পুতলি চেপে চেপে পানি বের করে উচু জায়গাতে ঝুলিয়ে রাখুন ২ঘন্টা। (পানির কলের উপরে রাখলে ভাল হয়)
[ছানাতে কোন পানি থাকা যাবেনা তবে মিস্টি শক্ত হবে]]


শুক্রবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১৭

ডিম ছাড়াই তৈরি করুন কেক

কেক বানাতে গিয়ে দেখলেন বাসায় ডিম নেই! চিন্তার কোনও কারণ নেই। ডিম ছাড়াও তৈরি করতে পারবেন চমৎকার কেক। শিশুদের স্কুলের টিফিন যেমন দিতে পারবেন, তেমনি বিকেলের নাস্তায়ও রাখতে পারবেন সুস্বাদু কেক।
জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন-

উপকরণ:

  • ময়দা- ২ কাপ
  • চিনি- ১ কাপ (মিহি গুঁড়া)
  • ভ্যানিলা এসেন্স- ১ চা চামচ
  • মাখন- ১ কাপ (তরল)
  • সোডা- ১৫০ মিলি
  • বেকিং পাউডার- ১ চা চামচ
  • কনডেন্সড মিল্ক- আধা কনটেইনার

প্রস্তুত প্রণালি:

ময়দা ও বেকিং পাউডার একসঙ্গে মিশিয়ে চেলে নিন। আরেকটি পাত্রে চিনি ও মাখন মিশিয়ে বিট করুন।
যতক্ষণ ভালো মতো চিনি না গলে ততক্ষণ বিট করতে থাকুন। ভ্যানিলা এসেন্স ও কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে আরও কিছুক্ষণ বিট করুন।এবার ধীরে ধীরে ময়দা ও বেকিং পাউডারের মিশ্রণ মেশান। ময়দা যেন দলা না হয়ে যায় সেদিকে লক্ষ রাখবেন। সোডা মিশিয়ে নিন একটু একটু করে।
১৮০ ডিগ্রী প্রি-হিট ওভেনে মিশ্রণটি দিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন।

বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০১৭

খুবই টেস্টি ও পুষ্টি গুণে ভরপুর কোকোনাট পুডিং

সবার পছন্দের পুডিং আজ আর আগের মত নয়। সম্পূর্ণ স্বাদ, গন্ধ আর ভিন্ন আমেজে আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এলো খুবই টেস্টি ও পুষ্টি গুণে ভরপুর কোকোনাট পুডিং। তাহলে জেনে নিন রেসিপি আর তৈরি করে পরিবেশন করুন সবার সাথে।

উপকরণ

ডিম ৬টি।
কনডেন্সড মিল্ক ১ টিন।
দুধ ৩ কাপ।
কর্নস্টার্চ ২ টেবিল-চামচ।
কোরানো নারিকেল ৪ টেবিল-চামচ। চিনি আধা কাপ।

পদ্ধতি

একটি পাত্রে আধা কাপ চিনি নিয়ে মাঝারি আঁচে জ্বাল দিন। যখন গলে যেতে থাকবে নাড়তে থাকুন। বাদামি রং হলে যে পাত্রে পুডিং বানাবেন তাতে ক্যারামেল ঢেলে চারদিকে ছড়িয়ে দিয়ে ঠাণ্ডা হতে দিন। ইচ্ছা হলে কিছুক্ষণ ফ্রিজারে রাখতে পারেন।
ব্লেন্ডার বা এগ বিটার দিয়ে কনডেন্সড মিল্ক, দুধ ও ডিম দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করুন। সঙ্গে আবার কর্নস্টার্চ ও নারিকেল দিয়ে ব্লেন্ড করতে হবে।
মিশ্রণটি ক্যারামেলের পাত্রে আস্তে ঢেলে দিন।
পাত্রটি একটু উপর থেকে সমতল জায়গায় ছাড়ুন যাতে বুদবুদগুলো (এয়ার আউট) মিশে যায়।

ওভেনে তৈরির পদ্ধতি

একটি বড় ট্রেতে এমন ভাবে পানি ঢালুন যাতে পুডিংয়ের বাটি অর্ধেক ডুবে থাকে পানিতে।
ওভেনে ৩৫০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রা দিয়ে এক ঘণ্টা ঘন্টা বা ভিতরে জমে যাওয়া পর্যন্ত বেইক করতে থাকুন। খেয়াল রাখবেন যদি উপরে বেশি খয়েরি রং হয়ে যায়, ফয়েল পেপার দিয়ে ঢেকে দিতে হবে অথবা ওভেনের তাপ কিছুটা কমিয়ে দিতে হবে।

চুলায় তৈরির পদ্ধতি

পুডিং প্যানটি বসানো যায়, এমন একটি পর্যাপ্ত বড় সসপ্যান নিন এবং এতে গরম পানি নিন। সসপ্যানে ততটুকু পরিমাণ পানি নিন যতটুকু পানির মাঝে আপনার পুডিং প্যানটি বসালে প্যানটির অর্ধেক মতো পানিতে ডুবে থাকবে এবং প্যান পানিতে ভাসবে না।

প্যান পানির মাঝে সঠিকভাবে বসানোর জন্য চাইলে একটি স্ট্যান্ড ব্যবহার করতে পারেন বা পাতলা তোয়ালে বিছিয়ে তার উপর বসাতে পারেন।এতে চুলার তাপ সরাসরি পুডিংয়ে লাগে না।

এবার পুডিং প্যানটি সসপ্যানের মাঝে বসিয়ে দুটি প্যানই ঢেকে দিন এবং ৪৫ মিনিট চুলায় রাখতে হবে। মাঝে মাঝে সস প্যানের পানি দেখে নিন। প্রয়োজনে আরও পানি যোগ করুন।

একটি টুথপিক দিয়ে পুডিং হয়েছে কিনা দেখুন। টুথপিক পুডিংয়ের মাঝে হালকা করে ঢোকান। যদি টুথপিক পরিষ্কার বের হয়ে আসে, তাহলে পুডিং তৈরি হয়ে গেছে। আর যদি টুথপিকে আঠালো ডিমের মিশ্রণ লেগে থাকে তাহলে পুডিংটি আরও পাঁচ থেকে ১০ মিনিটের জন্য চুলায় রেখে দিন এবং একই ভাবে টুথপিক দিয়ে পরীক্ষা করুন।

পুডিং তৈরি হয়ে গেলে তা ঠাণ্ডা করে নিন। ফ্রিজে রাখুন। ফ্রিজ থেকে বের করে সাবধানে প্যানের প্রান্ত বরাবর পুরো পুডিংয়ের চারপাশে ছুরি দিয়ে পুডিংটি আলাদা করে নিন। তারপর প্যানের উপর একটি প্লেট বসিয়ে,প্যানটি প্লেটটির উপর উল্টিয়ে পুডিংটি প্লেটে নিয়ে নিন। পরিবেশন করুন ।

মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারি, ২০১৭

মেছতা দূর করার প্রাকৃতিক পদ্ধতি


মেছতা বা মেলাজমা চামড়াতে কালো ছোপ ছোপ দাগের মতো দেখতে। আবার ত্বকের রঙ অসমান ও মুখের অনেক জায়গায় বাদামি ছোপ পড়ে যায়। অতিরিক্ত রৌদ্রের তাপে মুখের ত্বকে মাত্রাতিরিক্ত মেলানিন উৎপাদনের কারণে মুখের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার জন্য মেছতার সৃষ্টি হয়। নারী ও পুরুষ সবাই সমানভাবেই এই সমস্যাটিতে ভুগে থাকেন। তাছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম, অতিরিক্ত চিন্তা ইত্যাদির কারণেও মেছতা হতে পারে বলে ডাক্তারি শাস্ত্রে বলা হয়েছে। আমাদের প্রতিদিনকার খাদ্যাভ্যাস থেকেও এ রোগটি হতে পারে।

যেমন, যদি চকলেট, মিষ্টি, কফি ইত্যাদি খাবার কম খাওয়া ভালো । কারণ বেশি চিনি সহজভাবে মেছতা সৃষ্টির সহায়ক হয়। আবার বেশি ঝাল খাবার মুখের ফুস্কুড়ি, ইত্যাদি ত্বরান্বিত করে । সে তুলনায় বেশি বেশি ফল খেলে শরীর যথাযথভাবে প্রয়োজনীয় ভিটামিন গ্রহণ করবে, ফলে মেছতা কম হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। বেশি চিনি জাতীয় খাবার বা ঝালের কারণেও মেছতা হতে পারে। আরো নানা কারণে মেছতা হতে পারে।

মেছতা দূর করার কিছু সহজ ও প্রাকৃতিক পদ্ধতি :

ঘৃতকুমারী পাতার রস , শসা ও মধু:
ঘৃতকুমারী পাতার রস বিষাক্ত উপাদানের প্রতি বিশেষ ভুমিকা পালন করতে পারে । এ জন্য মেছতার ওপর ঘৃতকুমারী পাতার রস রেখে দিলে আক্রান্ত ত্বক নরম হবে এবং চিহ্ন ধীরে ধীরে চলে যাবে। যদি মেছতা খুব বেশি হয় তাহলে ঘৃতকুমারী পাতার রস পানির সঙ্গে মিশিয়ে প্রত্যেকবার ১০ মিলিলিটার করে প্রতিদিন দু’বার পান করতে পারেন। এতে মেছতা তাড়াতাড়িই চলে যাবে।
এছাড়া ঘৃতকুমারীর রস, মধু এ একটি ছোট শসা একত্রে ভালো করে মিশয়ে পেস্ট বানিয়ে মাস্কের মতো ব্যবহার করতে পারেন। এতে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি চামড়ার ফুস্কুড়িও হবে। তবে যদি মেছতা থাকে, তাহলে মেক-আপ না করাই ভালো । কারণ মেক-আপ ক্রিম ত্বকের সূক্ষ্মরন্ধ্রের স্বাভাবিক রূপান্তর বাধা দেয় এবং মুখের মেছতার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

অ্যালোভেরা জেল:
একটা সজীব অ্যালোভেরার পাতা কেটে এর ভেতরের জেল সারা মুখে লাগিয়ে এক দুই মিনিট ম্যাসাজ করে ১৫ থেকে ২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে হালকা গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন দুইবার করে কয়েক সপ্তাহ করলে মেছতা চলে যাবে।

লেবুর রস:
লেবুর রস একটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধিকারী। এটি স্বাভাবিকভাবে ত্বকের মরা কোষ দূর করতে সাহায্য করে। একটি লেবু কেটে রস বের করে মুখের মেছতা আক্রান্ত স্থানে সরাসরি মেখে ২০মিনিট রেখে, হালকা গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন দুই দিন করে টানা তিন সপ্তাহ লাগিয়ে দেখুন মেছতা গায়েব হয়ে যাবে।

ওটমিল:
ওটমিল একটা দারুণ এক্সফলিয়েটিং উপাদান যা ত্বকের ব্রাউন স্পট ও মৃতকোষ সরিয়ে স্কিনকে করে উজ্জ্বল গ্লোয়িং। দুই চা চামচ ওটমিল, দুই চা চামচ দুধ এবং এক চা চামচ মধু মিশিয়ে স্কিনের মেছতা আক্রান্ত জায়গায় লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। এরপর পানি দিয়ে হালকা ঘষে ঘষে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার করে এক মাস ব্যবহার করলে মেছতা চলে যাবে।

হলুদ:
হলুদ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ধনকারী হিসেবে পরিচিত। কাঁচা হলুদের মধ্যে থাকা নানা গুণাগুণ ত্বকের মেলানিন কমিয়ে মেছতা হালকা করতে খুবই কার্যকর। এজন্য এক চা চামচ হলুদের সাথে ৫ চা চামচ তরল দুধ, দুই চামচ বেসন দিয়ে ব্লেন্ড করে ঘন ক্রিমের মত পেস্ট তৈরি করুন। এবার মেছতা আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। হালকা গরম পানিতে মুখ ধুয়ে মুছে নিন। প্রতিদিন একবার করে করুন। দুই সপ্তাহের মধ্যেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন।

অ্যাপল সিডার ভিনেগার:
এর মধ্যে থাকা এসিটিক এসিডের কারণে এটি খুব কার্যকরি একটি স্কিন ব্লিচিং এজেন্ট হিসেবে স্বীকৃত। সমপরিমাণ পানি ও ভিনেগার নিয়ে মিশিয়ে মেছতা আক্রান্তস্থানে লাগান এবং বাতাসে শুকাতে দিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরে হালকা গরম পানিতে ধুয়ে ফেলে হালকাভাবে মুখ মুছে ফেলুন। প্রতিদিন একবার করে করুন।

কাঠ বাদাম:
কাঠবাদামের মধ্যে থাকা হাই প্রোটিন ও ভিটামিন সি ত্বককে মসৃণ করার পাশাপাশি রঙ হালকা পুষ্টি যুগিয়ে সজীবতা আনে। এটি মেছতা দূর করতেও সমানভাবে কার্যকর। দুই চামচ বাদাম বাটা অথবা গুড়ার সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে মুখে মেছতার উপর লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। হালকা গরম পানিতে মুখ ধুয়ে মুছে নিন। পরিবর্তন না দেখা পর্যন্ত সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন এ কাজ করুন। অথবা ৬/৭ টি বাদাম সারাদিন কয়েক চা চামচ দুধের ভিতর ভিজিয়ে রাখুন। এরপর বেটে ক্রিমের মত বানান। এবার এই ক্রিমটি আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে রাখুন সারা রাত। প্রতিদিন একবার করে টানা দুই সপ্তাহ লাগান।

পেঁপে:
পেঁপের ভিতর থাকা পেপেইন নামক এনজাইমের কারণে এটি ন্যাচারাল এক্সফলিয়েটিং এজেন্ট হিসেবে খুব ভালো কাজ করে। এটি স্কিনের ক্ষতিগ্রস্ত কোষকে সারিয়ে তোলে ও মৃতকোষ দূর করে। আধা কাপ পাকা পেঁপে, দুই টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এবার আক্রান্ত স্থানে ২০ মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন একবার করে কয়েক মাস লাগাতে হবে।

চন্দন গুড়া:
ত্বকের রঙ বৃদ্ধিকারী উপাদানগুলো মধ্যে খুব ভালো হল চন্দন। এটি ত্বকের যে কোন দাগ সারাতে খুব ভালো কাজে দেয়। মেছতার মত জেদি দাগ সরাতেও এটি কার্যকর। সমপরিমাণ চন্দন গুড়া, দুধ, লেবুর রস আর হলুদ মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে মেছতা আক্রান্ত স্থানে মাখুন। এবার এটাকে শুকাতে দিন। শুকিয়ে গেলে পানির ঝাপটা দিয়ে মাস্কটা নরম করে বৃত্তাকার পথে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করে

ডিম দিয়ে তৈরি মজাদার বিস্কিট পিঠা


বিকেলের নাস্তায়, বাচ্চার টিফিন কিংবা মেহমান আপ্যায়নে চায়ের সাথে বেশ যায় এই বিস্কিট পিঠা। চলুন দেখে নিই, কীভাবে তৈরি করা যায় ডিম দিয়ে তৈরি মজাদার এই বিস্কিট পিঠা।

উপকরণঃ
চালের গুঁড়া ১.৫ (দের) কাপ
ময়দা ১/২ (হাফ) কাপ
ডিম ২ টা
চিনি ১ কাপ এর একটু কম
এলাচ, দারচিনি ২ টা করে
তেল ৩ চামচ
লবন সামান্য

প্রণালীঃ
– চিনি, এলাচ, দারচিনি, লবন আর পরিমানমতো পানি কিছুক্ষণ বলক দিয়ে একটু ঘন করে নিন। এলাচ দারচিনি ফেলে চালের গুঁড়া আর ময়দা দিয়ে শক্ত রুটির ডো এর মতো ডো করে নিন। নামিয়ে ডিম আর তেল দিয়ে ভালো মতো ময়ান করে নিন।
– ১/২” মোটা রুটি করে গোল মুখ এর স্টিল এর গ্লাস বা কুকি কাটার দিয়ে কেটে নিন। একইভাবে সবগুলো করে নিতে হবে।
– ডুবো তেলে বাদামি করে ভেজে নিলেই রেডি। ডিম বিস্কুট পিঠা।
সংরক্ষণঃ
পিঠাগুলো ঠান্ডা করে এয়ারটাইট বক্সে ভরে রাখতে পারবেন ১ সপ্তাহ পর্যন্ত।

সোমবার, ২ জানুয়ারি, ২০১৭

পুষ্টিকর খাবারের প্রতি শিশুর আগ্রহ বাড়াতে যা করবেন

খাওয়ার প্রতি অনীহা প্রায় সব শিশুদের মধ্যেই দেখা যায়। এমন সব খাবারের প্রতি তারা আগ্রহী যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এসব হয়তো তারা শেখে আপনার কাছ থেকেই। কারণ শিশুরা অনুকরণ প্রিয়। তাই জেনে নিন কিছু পরামর্শ যা আপনার শিশুকে স্বাভাবিক এবং পুষ্টিকর খাবারের দিকে আগ্রহী করে তুলবে।

সবজি কেনার সময় তাকে সাথে নিনঃ

আপনার শিশুকে সাথে নিয়ে বাজারে যান। তাকে জিজ্ঞেস করুন কোন সবজিটি দেখতে সুন্দর বা কোনটি তার দেখতে ভাল লেগেছে, সেটাই কিনুন। এবং রান্নার পর জানান যে এটিই সেই সবজি যা সে পছন্দ করেছিলো।

খাবার রান্নার সময় পাশে রাখুন শিশুকেঃ

শিশুকে খাওয়াতে চান এমন কোন খাবার রান্নার সময় তাকে পাশে রাখুন। হতে পারে তা সপ্তাহে একদিন। কারণ রান্নার প্রক্রিয়া তাকে তা খাওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী করে তুলবে। তার হাতে কিছুটা সবজি বা মশলা তুলে দিয়ে বলুন তা রান্নার পাত্রে রাখতে।

পরিবারের সবাই একসাথে খাবার খানঃ

শিশুরা অনুকরণ প্রিয়। সে তাই ই করে যা তার আশে পাশের সবাই করছে। পরিবারের সবাই মিলে খেতে বসুন এবং স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী খাবার খান। এতে আপনার শিশু নিজের অজান্তেই পুষ্টিকর খাবারে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে।

খাবার নিয়ে তার সাথে আলোচনা করুনঃ

খাবারের পুষ্টিগুণ নিয়ে আপনার শিশুর সাথে আলোচনা করুন। কোন খাবারটি ভাল আর কোন খাবারটি খারাপ তা বলার পরিবর্তে তাকে শেখান কোন খাবারে তার দেহ কেমন উপকার পেতে পারে। কিছু খাবার তাকে লম্বা হতে সাহায্য করবে, কিছু তাকে অন্যদের চেয়ে শক্তিশালী করে তুলবে, কিছু খাবার তাকে দ্রুত দৌড়াতে সাহায্য করবে এভাবে জানালে শিশু সেসব খাদ্যের প্রতি আকৃষ্ট হবে।

সবজিখাওয়ার জন্য শিশুকে পুরস্কৃত করবেন নাঃ

অনেকেই তার শিশুকে আশ্বাস দেয় সবজি খেলে তাকে পুরষ্কার হিসেবে চকলেট বা আইসক্রিম পুরষ্কার হিসেবে দেয়া হবে। এতে শিশুর মনে এই ধারনা গেঁথে যায়, চকলেট বা আইসক্রিম শাক সবজির চেয়ে বেশি ভালো। তাই এই ধরণের প্রবণতা এখনই ত্যাগ করুন।
শিশুকে কখনোই খাওয়ার জন্য জোর করবেন না। হতে পারে তার আর খাওয়ার ইচ্ছা নেই বা সে ক্ষুধার্ত নয়। তাকে খেলাধুলার সুযোগ দিন। এতে তার পরিশ্রম হবে এবং ক্ষুধা বৃদ্ধি পাবে।

ঝটপট বিকালের নাস্তার ৫ পদ

বিকালে অনেকেই কেনা নাস্তা খেয়ে থাকেন। বাইরের সেসব অস্বাস্থকর খাবার না খেয়ে ঘরেই ঝটপট বানিয়ে নিতে পারেন এরকম ৫ পদের রেসিপি দেয়া হলো।

১) মুগ পাকন

উপকরণ

চালের গুঁড়া ২৫০ গ্রাম, নারিকেল বাটা ১ কাপ, সিদ্ধ মুগডাল বাটা ১ কাপ, খেজুরের গুড় ২০০ গ্রাম, লবণ আধা চা চামচ, এলাচ ৪টি, দারুচিনি ৩ টুকরো, ডিম ১টি, পানি ৪ কাপ, তেল পরিমাণমতো।

যেভাবে তৈরি করবেন

১. পানি, লবণ, নারিকেল বাটা ও মুগডাল বাটা একত্রে মিশিয়ে জ্বাল দিন।
২. ফুটে উঠলে চালের গুঁড়া দিয়ে সিদ্ধ করে নিন।
৩. ঠাণ্ডা হলে ডিম দিয়ে মেখে ময়ান করে নিন।
৪. এবার ছোট ছোট ময়ান নিয়ে পিঠা বানিয়ে ওপরে নকশা এঁকে ডুবো তেলে ভেজে পরিবেশন করুন।

২) বানানা পুডিং

উপকরণ

পাকা কলা ২টি, তরল দুধ আধা লিটার, ডিম ৪টি, চিনি আধা কাপ, কাজুবাদাম কুচি ১ টেবিল চামচ, কিশমিশ ১ টেবিল চামচ, ঘি ১ টেবিল চামচ, পাউরুটি ২ টুকরা।

যেভাবে তৈরি করবেন

১. দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে নিন।
২. পাউরুটির চারপাশ বাদ দিয়ে টুকরো করে দুধে ভিজিয়ে রাখুন।
৩. ডিম ও চিনি ফেটিয়ে ওই দুধের সঙ্গে মিশিয়ে দিন।
৪. পুডিংয়ের পাত্রে ঘি গরম করে তাতে ১ টেবিল চামচ চিনি ছিটিয়ে বাদামি রং হলে নামিয়ে রাখুন।
৫. ঠাণ্ডা হলে ওই পাত্রে মেশানো ডিম, চিনি ও দুধ ঢেলে ঢাকনা দিয়ে দিন।
৬. ইলেকট্রিক ওভেনে ১৬০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় প্রিহিট ট্রেতে পানি দিয়ে তাতে ওই পাত্রটি বসিয়ে দিন।
৭. ২৫ মিনিট বেক করার পর নামিয়ে ঠাণ্ডা করে ওপরে কলা কেটে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

৩) তিলে চিকেন

উপকরণ

চিকেনের কিমা ২৫০ গ্রাম, আদা বাটা ১ চা চামচ, কর্নফ্লাওয়ার ২ চা চামচ, ফেটানো ডিম ১টি, পাউরুটি ৬ টুকরা, তিল পরিমাণমতো, লবণ পরিমাণমতো, তেল ভাজার জন্য।

যেভাবে তৈরি করবেন

১. পাউরুটির পাশ বাদ দিয়ে তিন কোনা করে কেটে নিন।
২. তিল ও তেল ছাড়া সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে নিন।
৩. পাউরুটির একপাশে কিমার মিশ্রণ মাখিয়ে ওপরে তিল ছড়িয়ে একটু চেপে দিন।
৪. এবার কড়াইয়ে তেল গরম করে কিমার দিকটি নিচের দিকে দিয়ে মাঝারি আঁচে ভাজুন।
       ৫. কিমা সিদ্ধ হয়ে গেলে অন্যদিকটাও ভেজে নামিয়ে ফেলুন।
       ৬. যেকোনো সসের সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।

   ৪) চটপটি

উপকরণ

মটর ডাল দেড় কাপ (সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন), সিদ্ধ করা চটকানো আলু ২টি, মাঝারি আকারের চিড়িং মাছ ১ কাপ, টমেটো কুচি ১টি, সিদ্ধ ডিম টুকরো করে কাটা ২টি, শসা কুচি ২টি, পেঁয়াজ কুচি ২টি, আস্ত জিরা ৩ চা চামচ, শুকনো মরিচ ২টি, গোলমরিচ ৬টি, কাঁচা মরিচ কুচি ৫টি, ধনেপাতা কুচি আধা কাপ, টেস্টিং সল্ট আধা চা চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, চিনি ১ চা চামচ, লবণ দেড় চা চামচ, তেল ২ টেবিল চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন

১. গরম কড়াইয়ে জিরা, লাল মরিচ এবং গোলমরিচ তেল ছাড়া ভাজুন। নামিয়ে ঠাণ্ডা করে গুঁড়া করে নিন।
২. চিড়িং খোসা ছাড়িয়ে লবণ ও হলুদ দিয়ে কড়াইয়ে তেল দিয়ে ভেজে নিন।
২. আবার কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে হালকা বাদামি করে ভেজে তুলে রাখুন।
৩. এক কাপ পানিতে তেঁতুল দিয়ে হালকা ফুটিয়ে নিন। এর মধ্যে চিনি এবং ১ চিমটি মসলার গুঁড়া দিয়ে আরো ৫ মিনিট ফোটান। ঠাণ্ডা হলে ভালো করে তেঁতুল গুলে ছেঁকে নিন।
৪. চটপটির ডাল, লবণ ও হলুদের গুঁড়া দিয়ে নরম হওয়া পর্যন্ত চুলায় সিদ্ধ করুন। যাতে একেবারে গলে বা শুকিয়ে না যায়।
৫. এখন ভাজা পেঁয়াজ, আলু, টমেটো, কাঁচা মরিচ, অবশিষ্ট মসলার গুঁড়া, টেস্টিং সল্ট, ২ টেবিল চামচ তেঁতুল গোলা এবং তিন ভাগের ১ ভাগ সিদ্ধ ডিম চটপটির মধ্যে দিয়ে দিন। ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে ৩ থেকে ৪ মিনিট রান্না করুন।
৬. চুলা থেকে নামিয়ে শসা কুচি, টুকরো করা ডিম, ভাজা চিড়িং এবং ধনেপাতা কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন। সঙ্গে দিন তেঁতুলের সস।

  ৫) ফ্রুটস সেমাই

উপকরণ

দুধ দেড় লিটার, চিকন সেমাই ১ প্যাকেট, চিনি ১ কাপ, পাকা আম কিউব করে কাটা ১ কাপ, লাল আঙুর ৭টি, আপেল কুচি আধা কাপ, বেদানা ২ টেবিল চামচ।
যেভাবে তৈরি করবেন
১. দুধ জ্বাল দিয়ে সামান্য ঘন করে নিন।
২. ফোটানো দুধে সেমাই দিয়ে নাড়তে থাকুন।
৩. জ্বাল কমিয়ে চিনি দিয়ে নাড়ুন।
৪. সেমাই হয়ে গেলে পরিবেশন বাটিতে ঢালুন।
৫. ঠাণ্ডা হলে ফ্রিজে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা রাখুন।
৬. পরিবেশনের আগে ফল মিশিয়ে পরিবেশন করুন।