শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

হালকা গরম কালের সাজগোজ

মুখের মেইকআপ:
আগে ত্বক মেইকআপের জন্য প্রস্তুত করে নিতে হবে। ত্বকের আর্দ্রতার মাত্রা ঠিক রাখা সব থেকে বেশি জরুরি, এতে মেইকআপ সুন্দরভাবে মিশে যায় ও আলগা হয়ে থাকে না। প্রথমে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে এরপরই বিবি ক্রিম বা ফাউন্ডেশন ব্যবহার করতে হবে। আর ক্রিম বা ফাউন্ডেশন ত্বকে যেন ভালোভাবে ব্লেন্ড হয় সেদিকেও লক্ষ রাখতে হবে।

গালের সাজে ব্লাশন:
এই গরমে ক্রিম বেইজ ব্লাশন বেছে নেওয়া উচিত, এতে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়। আর এই আবহাওয়ায় উজ্জ্বল রং এড়িয়ে হালকা ব্লাশন বেছে নিতে হবে। যেমন, অ্যাপ্রিকোট বা কোরাল, হালকা গোলাপি ইত্যাদি রংগুলো বেছে নেওয়া যেতে পারে। বাড়তি উজ্জ্বলতা যুক্ত করতে ব্লাশনের উপর হালকা করে ব্রোঞ্জার বুলিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

 
 
 
চোখের সাজ:
এই গরমে চোখে চকচকে শ্যাডো এড়িয়ে চলাই ভালো। হালকা রংয়ের শ্যাডো দিয়ে পাপড়ি ঘেষে মন মতো করে লাইনার টেনে দিতে পারেন। চাইলে রঙিন লাইনারও ব্যবহার করা যেতে পারেন। চোখের নিচে দিতে পারেন কাজল, এরপর হালকা করে স্মাজ করে নিন। উপরের ও নিচের পাপড়িতে ঘন করে মাস্কারা লাগিয়ে নিলেই সাজ পূর্ণতা পাবে। ঠোঁটের জন্য লিপগ্লস:
এই মৌসুমে লিপগ্লস বেশ ভালো মানায়। হালকা রংয়ের লিপলাইনার দিয়ে ঠোঁট এঁকে নিয়ে গোলাপি বা পিচ রংয়ের গ্লস ঠোঁটে বুলিয়ে নিতে পারেন। তবে গ্লস পছন্দ না হলে হালকা রংয়ের ম্যাট লিপস্টিকও ব্যবহার করা যায়।
আরও কিছু লক্ষণীয় বিষয়
– যাদের ত্বকে রংয়ের সামঞ্জস্যতা নেই, তাদের উচিত ফাউন্ডেশনের আগে ভালো কোনো কনসিলার ব্যবহার করে তা ঠিক করে নেওয়া।
– যাদের গায়ের রং বেশি ফর্সা, তারা ফাউন্ডেশন বা বিবি ক্রিম ব্যবহারের পর অবশ্যই হালকা করে ব্রোঞ্জার বুলিয়ে নেবেন।
– তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরা অয়েল ফ্রি ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন এবং এর উপর পাউডার বুলিয়ে সেট করে নেবেন। সঙ্গে বল্টিং পেপার বা টিস্যু পেপার রাখবেন। বল্টিং পেপার বিশেষভাবে তৈরি যা মেইকআপ নষ্ট না করে ত্বকের বাড়তি তেল শুষে নিতে সাহায্য করে।

মজাদার মেজবানি গরুর মাংস রেসিপি

উপকরণ
গরুর মাংস ২ কেজি। পেঁয়াজকুচি ১ কাপ। পেঁয়াজবাটা আধা কাপ। আদাবাটা ২ টেবিল-চামচ। রসুনবাটা ১ টেবিল-চামচ। লাল মরিচবাটা ২ টেবিল-চামচ। সাদা তিলবাটা ১ চা-চামচ। মিষ্টি জিরাবাটা আধা চা-চামচ। সরিষাবাটা আধা টেবিল-চামচ। পোস্তদানা-বাটা আধা টেবিল-চামচ। জিরাগুঁড়া ১ টেবিল-চামচ। ধনেগুঁড়া আধা টেবিল-চামচ। হলুদগুঁড়া ১ টেবিল-চামচ। তেজপাতা ৩,৪টি। এলাচ, দারুচিনি ও লবঙ্গবাটা মিলে ১ চা-চামচ। চিনিবাটা আধা টেবিল-চামচ। জায়ফল-জয়ত্রী ও গোলমরিচ-বাটা ১ চা-চামচ করে। মেথিবাটা ১/৩ চা-চামচ। পানি ৩ কাপ। সরিষার তেল ১ কাপ। লবণ স্বাদ মতো।

পদ্ধতি
গরম মসলা ছাড়া বাকি সব মসলা দিয়ে মাংস মাখিয়ে নিন আগে। কড়াইতে তেল দিয়ে, গরম হলে পেঁয়াজকুচি লাল করে ভেজে নিন। মাখানো মাংস ঢেলে ভালোভাবে কষিয়ে তিন কাপ গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিন।
মাংস সিদ্ধ হয়ে এলে গরম মসলা দিয়ে আরও কিছুক্ষণ ঢেকে রান্না করুন। এরপর নামিয়ে ফেলুন। ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল মেজবানি মাংস।

সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

মজাদার ভেজিটেবল রোল রেসিপি

রোল র‍্যাপার তৈরি

উপকরণঃ

  • ডিম – ১ টি
  • ময়দা বা সাদা আটা – ১+ ১/২ কাপ
  • বেকিং পাউডার – ১ চাচামচ
  • কর্ন ফ্লাওয়ার – ১ টেবিল চামচ
  • লবন – ১/২ চাচামচ
  • কর্ন ফ্লাওয়ার – ১ টেবিল চামচ
  • লবন – ১/২ চাচামচ
  • চিনি – ২ চাচামচ
  • নরমাল পানি – ২ কাপ বা এর সামান্য বেশি

প্রণালীঃ

  • হ্যান্ড মিক্সার দিয়ে ডিম ভাল করে ফেটে নিন ।
  • বাকি সব উপকরন এক সাথে ভাল করে মিক্স করে নিন ।
  • ননস্টিক ফ্রাই প্যানে প্রথমে গরম করে নিন ।
  • একটি কটনের বল সামান্য তেলে ভিজিয়ে রাখুন ।
  • গরম প্যানে কটনে বল আলতো করে বুলিয়ে নিন ।
  • এবার ব্যাটার ১ চামচ করে দিন । আমি ডালের গোল বড় চামচের ১ চামচ দিয়েছি । পরিমান মত দিলেই হবে ।
  • খুব দ্রুত ব্যাটার দিয়ে প্যান ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে রুটির শেপ করে নিন ।
  • অনেকটা পাটিসাপটা বা চিতই পিঠার মত ।
  • চেস্টা করবেন একটু পাতলা টাইপের রুটি করতে ।
  • কয়েক সেকেন্ডের জন্য ঢেকে দিন । ঢাকনার পানি গড়িয়ে রুটিতে পরার আগে তুলে ফেলবেন । পানি পড়ে গেলে রুটি কাচা কাচা থাকবে ।
  • ঢাকনা তুলে ওপর পিঠ ও ১-২ মিনিটের জন্য সেকে নিন ।
  • রুটি গুলো সেঁকে ছাঁকনি বা জালি ঝুড়ির উপরে রাখুন তাহলে রুটি ঘামবেনা ।
  • সব গুলো একই ভাবে বানিয়ে নিন ।
  • আমি বানানোর অর্ধেক পর্যায় আরো সামান্য পানি এড করেছি । ব্যাটার ঘন হয়ে গেলে আপনারাও সামান্য পানি এড করতে পারেন ।
  • ১২ টি রোল র‍্যাপার হবে ।

পুর তৈরি

উপকরণঃ

  • পাতা কপি – ১ টি (ছোট)
  • আলু – ২ টি (মাঝারি )
  • পেয়াজ + কাচামরিচ কুচি
  • স্বাদই ম্যাজিক মশলা – ১ প্যাকেট
  • টেস্টিং সল্ট – ১ চাচামচ (ঐচ্ছিক )
  • লবন – পরিমান মত
  • সামান্য হলুদ
  • তেল – ২-৩ টেবিল চামচ

প্রণালীঃ

  • প্যানে তেল গরম করে সব এক সাথে দিয়ে দিন ।
  • ঢাকনা দিয়ে দিন । সিদ্ধ হয়ে আসলে ঢাকনা খুলে দিন ।
  • ভাল করে ভেজে নামিয়ে নিন ।

রোল তৈরি করা

উপকরণঃ

  • আটা বা ময়দা – ১/৪ কাপ
  • পানি – পরিমান মত
  • ডিম – ২ টি
  • টোস্টের গুড়া – ১ কাপ (খুব ভাল করে গুড়া করে নিবেন )

প্রণালীঃ

  • সব এক সাথে মিক্স করে স্টিকি ডো তৈরি করুন ।
  • অনেকটা আঠার মত হবে ।
  • এবার একটা করে রুটি নিয়ে রুটির চারদিকে এই স্টিকি ডো লাগিয়ে দিন ।
  • মাজখানে পরিমান মত পুর দিয়ে দুই সাইড ভাল করে লাগিয়ে দিন ।
  • পাশাপাশি দুই সাইড রোল করে দিন । শেষের মাথা ভাল করে লাগিয়ে দিন ।
  • এবার একটি করে রোল ডিমে ডুবিয়ে বিস্কুটের গুড়ায় গড়িয়ে নিন । আবারো ডিমে ডুবিয়ে বিস্কুটের গুড়ায় ডুবিয়ে নিন ।
  • ২ বার কোটিং দিলে সবচেয়ে ভাল হয় ।
  • গরম তেলে ছেড়ে মাঝারি আচে বাদামি কালার করে ভেজে নিন ।
  • খুব সাবধানে ভাজবেন । বিস্কুটের গুড়ার কারনে তাড়াতাড়ি পুড়ে যাবে । তাই মাঝারি আচের থেকে কম আচ দিয়ে ভাজুন ।

পরিবেশনঃ

  • বিকেলের নাশাতায় সসের সাথে পরিবেশন করুন ।

শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

বয়সের ছাপ কমাতে উপকারী ফেসপ্যাক

যা যা লাগবে

চাল তিন টেবিল চামচ, দুধ এক টেবিল চামচ ও মধু এক টেবিল চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে চাল ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এবার একটি প্যানে পানির মধ্যে চাল ১০ মিনিট সেদ্ধ করুন। পুরোপুরি সেদ্ধ হওয়ার আগেই চুলা থেকে চাল নামিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার তিন টেবিল চামচ সেদ্ধ হওয়া চালের পানি একটি বাটিতে নিন। এখন এতে এক টেবিল চামচ মধু ও এক টেবিল চামচ দুধ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন।

যেভাবে ব্যবহার করবেন

এই প্যাক মুখে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর সেদ্ধ করা চালের পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।

পরামর্শ

১. চালের সেদ্ধ পানি ব্যবহারের সময় ঠান্ডা করে নিন।
২. চালের পানি দিয়ে মুধ ধোয়ার ২০ মিনিট পর সাধারণ পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
৩. টানা এক সপ্তাহ নিয়মিত এই প্যাক মুখে লাগান। দেখবেন, আপনার চেহারার জৌলুস আগের মতো ফিরে আসবে।

এই প্যাক কতটা কার্যকর?

প্রাকৃতিক এই প্যাক ত্বকের পানিশূন্যতা দূর করে এবং বলিরেখা দূর করে ত্বকের লাবণ্য ফিরিয়ে আনে। এ ছাড়া চেহারার বয়সের ছাপ কমিয়ে ত্বককে করে টানটান ও মসৃণ।

সন্তান নেওয়ার আগে পূর্বপ্রস্তুতি

১) ব্যায়াম করার অভ্যাস আমাদের দেশে খুব কম সংখ্যক নারীরই আছে। আপনার ওজন যেমনই হোক না কেন, দিনে অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করার অভ্যাস করে তুলুন। এই অভ্যাস আপনার শরীরকে ঝরঝরে ও সুস্থ সবল রাখবে, আপনি থাকবেন নীরোগ, সন্তান ধারণ ও ডেলিভারিকে অনেকটাই সহজ করে দেবে।

২) খাদ্যাভ্যাসকে একেবারে শুধরে ফেলুন। ভাজা পোড়া ও অতিরিক্ত লবণ, রঙ, ফ্লেভার যুক্ত খাবার বাদ দিয়ে প্রচুর সবজি ও ফল খাবার অভ্যাস গড়ে তুলুন।  এখন আপনার প্রচুর প্রোটিন, ক্যালসিয়াম , মিনারেল, ফলিক এসিড ইত্যাদি প্রয়োজন। সঠিক খাদ্যাভ্যাস আপনার উর্বরতা বাড়াতেও সহায়ক।

৩) ফলিক এসিড নিয়মিত গ্রহণ করুন। এই ভিটামিনটি শিশুর অনেকগুলো জন্মগত ত্রুটি প্রতিরোধ করে থাকে। সবুজ শাক পাতা, টক জাতীয় ফলে প্রচুর ফলিক এসিড পাওয়া যায়।
তবে বেশিরভাগ নারীর ক্ষেত্রেই ট্যাবলেট খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। ডাক্তারের পরামর্শে মাল্টি ভিটামিন গ্রন করতে পারেন।  গর্ভধারণ করতে চাইলে আপনার দিনে ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ফলিক এসিড গ্রহণ করা প্রয়োজন।

৪) ওজনের দিকে লক্ষ করুন। বেশী রোগা হলে বা বেশি মোটা হলে গর্ভধারণ করতে মারাত্মক সমস্যা হতে পারে। নিজেকে একটি আদর্শ ওজনে নিয়ে যাবার প্রাণপণ চেষ্টা করুন। ওজন সঠিক হলে গর্ভ ধারণের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে। সাথে বাড়বে সহজে ডেলিভারি হবার সুযোগ।

৫) খুব ভালো করে ডাক্তারি চেকাপ করান। আপনার কোন শারীরিক সমস্যা থাকলে সেটার চিকিৎসা করান, কারণ বাচ্চা পেটে আসার পর অনেক ধরণের ওষুধই আপনি আর গ্রহণ করতে পারবেন না। অন্যদিকে গর্ভধারণের পূর্বে আপনাকে কোন ভ্যাক্সিন নিতে হবে কিনা বা আরও কিছু করতে হবে কিনা সেটাও ডাক্তারের কাছ থেকে জেনে নিন।

৬) দাঁতে কোন রকম সমস্যা থাকলে কনসিভ করার আগেই চিকিৎসা করিয়ে ফেলুন। কারণ গর্ভাবস্থায় দাঁতের চিকিৎসা করানো যায় না।

৭) মাছ মাংস খাওয়ার ব্যাপারে প্রচণ্ড সতর্ক থাকুন। খেয়াল রাখুন আপনার খাওয়া মাছ বা মাংস যেন খুব ভালো করে রান্না করা হয়।
একই সাথে যেসব বড় মাছ অন্য ছোট মাছকে খায়, সেগুলো খাওয়া হতে বিরত থাকুন। কারণ এগুলোতে উচ্চ মাত্রায় মারকারি থাকতে পাড়ে, যা বাচ্চার জন্য ক্ষতিকর। তৃণভোজী ছোট মাছ খাবেন। আর ইয়া, টুনা ফিস জাতীয় মাচ খাবেন না একেবারেই!

৮) যদি সন্তান গ্রহণ করতে চান, তাহলে কনসিভ করার আগে ও পরে চা-কফি ও কোমল পানীয় পান করা ছেড়ে দিন বা একেবারেই কমিয়ে ফেলুন। গর্ভধারণের চেস্তায় রত থাকলে দিনে ২০০ মিলিগ্রামের বেশী ক্যাফেইন গ্রহন করা একেবারেই উচিত হবে না।
আপনি ১২ আউন্সের এক কাপ কফি বা ৮ আউন্সের এক কাপ চা গ্রহণ করতে পারবেন দৈনিক, এর বেশি নয়। সম্ভব ওলে ক্যাফেইন বিহীন চা কফি পান করুন বা দুধ সহযোগে পান করুন। লাল চা বা কালো কফি এই অবস্থায় ভালো নয়।

৯) ধূমপান ত্যাগ করুন অতি অবশ্যই।

১০) কোন প্রকার মাদক ও মদ্যপানের অভ্যাস থাকলে ত্যাগ করুন।
এছাড়াও নিজের মনে মনে সন্তানের জন্য প্রস্তুতি নিন। সন্তানের জন্য সঞ্চয় শুরু করুন, মনে মনে সন্তানের কল্পনা করুন। এগুলো আপনার মনকে প্রফুল্ল রাখবে।
সন্তান গ্রহনের চেষ্টার সময় একটা মিনি হানিমুনও সেরে আসতে পারেন দুজনে। এটাও আপনাদের দাম্পত্য সম্পর্ক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

ভিন্ন স্বাদের চিংড়ি পোলাও

উপকরণঃ
চালের জন্য-
-বাসমতি বা যেকোনো সুগন্ধি চাল ২ কাপ
-দারচিনি ১ টি
-লবন ১/২ চা চামচ
-লবঙ্গ ৪/৫ টি
-এলাচ ৪/৫ টি

১ লিটার পানি গরম করে তাতে আস্ত গরম মশলা আর লবন দিন। পানি ফুটে উঠলে তাতে আগে থেকে ভিজিয়ে রাখা চাল ঢেলে দিন। চাল ফুটে উঠলে পানি ঝরিয়ে আলাদা করে রাখুন। চাল ভিজিয়ে রাখার কারণে আর গরম পানির কারণে খুব তারাতারি চাল সিদ্ধ হয়ে যাবে।


চিংড়ির জন্য-
-চিংড়ি ৪০০ গ্রাম (খোসা ছাড়ানো )
-আদা-রসুন বাটা ২ চা চামচ
-লবন সামান্য
-মরিচ গুড়া ১ চা চামচ
-দারচিনি ১টি
-আস্ত জিরা ১ চা চামচ
-তেজপাতা ১ টি
-এলাচ ৫ টি
-পেয়াজ বেরেস্তা ১/২ কাপ
-টকদই ১ কাপ
-তেল ১/২ কাপ
-ধনে পাতা কুচি
-পালং শাক কুচি (optional ) ১ কাপ
-মাশরুম ১/২ কাপ কুচি করা

প্রণালীঃ
চিংড়ি ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে তাতে আদা বাটা , রসুন বাটা ,মরিচ গুড়া আর লবন দিয়ে মাখিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। প্যানে তেল গরম করে গরম মশলা গুলো দিয়ে দিন। সুগন্ধ বের হলে তাতে চিংড়ি , মাশরুম দিয়ে ৩/৪ মিনিট ভাজুন মাঝারি আচে।ভাজা চিংড়ি গুলো তুলে আলাদা করে রাখুন।
একই তেলে টকদই ,পেয়াজ বেরেস্তা ,ধনে পাতা দিন। ৫ মিনিট রান্না করে এতে আবার ভাজা চিংড়ি গুলো দিয়ে দিন। ২মিনিট রান্না করুন ,এইসময় প্যান ঢেকে রাখুন। ঢাকনা খুলে সিদ্ধ চাল দিয়ে দিন ,পালং শাক দিন। ঢেকে মাত্র ৫ মিনিট রান্না করুন।লবন চেখে দেখুন ,কম মনে হলে আরো দিন ।
গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার চিংড়ি পোলাও !!

মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

বাড়িতে তেলাপোকা দূর করতে করণীয়

কি কি লাগবেঃ

– তিন চা চামচ বেকিং সোডা
– তিন চা চামচ বোরিক এসিড
– পানি
– চিনি

যা করতে হবে
বোরিক এসিড পেস্ট- বোরিক এসিডকে অনেক আগে থেকেই কীটনাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে আসছে। কিন্তু মানুষের জন্য এটা ক্ষতিকর কোনো পদার্থ নয়। এটা তৈরি করতে হলে যা যা করতে হবে
– তিন টেবিল চামচ বোরিক এসিডের সাথে সমপরিমাণ চিনি এবং পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন।
– বাসার যেসব জায়গায় তেলাপোকার উপদ্রব বেশি (কিচেন, বাথরুম, স্টোরেজ) সেখানে এই পেস্ট প্রয়োগ করুন।
এই পেস্টে চিনি আছে ফলে তেলাপোকা আগ্রহ করে খাবে। খাবার পর এই বোরিক এসিডের প্রভাবে তেলাপোকার শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়বে এবং সে ধীরে ধীরে মারা যাবে। শুধু তাই নয়, এই পেস্ট তার শরীরে লেগে যাবে। সে এটাকে বয়ে নিয়ে যাবে নিজের বাসায়, খাওয়াবে নিজের বাচ্চাকাচ্চাকে ফলে সেগুলোও মারা যাবে। ভালো ফলাফল পেতে পর পর কিছুদিন ব্যবহার করুন। বাড়ির ত্রিসীমানায় তেলাপোকা থাকবে না।
বেকিং সোডা পেস্ট- বেকিং সোডা (বেকিং পাউডার নয় কিন্তু) ঘরোয়া অনেক কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এটা তেমনি আরেক ব্যবহার। যেভাবে বোরিক এসিডের পেস্ট তৈরি করেছিলেন ঠিক সেভাবেই সমপরিমাণ বেকিং সোডা, চিনি এবং পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন এবং বাড়ির আনাচে কানাচে প্রয়োগ করুন। বোরিক এসিড পেস্টের মতই একই উপকার পাবেন। তবে সাধারণ রাসায়নিক স্প্রে এর মত দ্রুত কাজ করবে না। একটু ধীরেসুস্থে কাজ করলেও অনেক লাভ হবে।
বেকিং সোডা ও বেকিং পাউডারের মূল উপাদান একই, সোডিয়াম বাই কার্বনেট। তবে বেকিং পাউডারে আরও কিছু পদার্থ মেশানো হয়ে থাকে। খুব সহজ ভাবে বললে বেকিং পাউডারের চাইতে বেকিং সোডা বেশি সক্রিয় বা কার্যকরী। বেকিং পাউডার দিয়েও এই বিষ তৈরি করা যাবে। তবে প্রয়োগ করতে হবে বারবার, আর একটু দীর্ঘ সময় লাগবে কাজ হতে
এছাড়াও আরও কিছু কাজ করলে তেলাপোকার উপদ্রব মোটামুটি দূর করা যাবেঃ

তেজপাতা

তেজপাতার গন্ধ তেলাপোকা সহ্য করতে পারে না। ফলে যেখানে তেজপাতা থাকে সেখানে তেলাপোকা থাকে না। তাই তেলাপোকার আনাগোনা যেখানে বেশি সেখানে তেজপাতা ছিঁড়ে ফেলে রাখুন। বাড়ি থেকে তেলাপোকা এক শ’ শতাংশ বিদায় হবে।

অ্যামোনিয়া মিশ্রণ

পানি আর অ্যামোনিয়ার মিশ্রণ তেলাপোকা তাড়ানোয় অত্যন্ত উপযোগী। এক বালতি পানিতে ২ কাপ অ্যামোনিয়া গুলে নিন। এই পানি দিয়ে রান্নাঘর ধুইয়ে নিন। অ্যামোনিয়ার গন্ধে তেলাপোকা পালাবে।

সাবান পানি

গায়ে মাখার সাবান ও পানি মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। ঘরের কোনায় কোনায় এই পানি স্প্রে করে দিন। ব্যস তেলাপোকা বধ।

বোরিক অ্যাসিড ও ময়দা

ময়দা ও বোরিক অ্যাসিড মেখে একটা ডো তৈরি করে নিন। এর ছোট ছোট লেচি কেটে ঘরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে রাখুন। এই লেচিতে মুখ দিলেই অক্কা পাবে তেলাপোকা।

গোলমরিচ, পেঁয়াজ, রসুন

উপকরণ গুলি শুনে ভাববেন না কিছু রান্না করতে বলব। তবে অরাসায়নিক পদ্ধতিতে তেলাপোকা মারার এটি সেরা উপায়। এই তিন উপকরণ একসঙ্গে পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার এক লিটার পানিতে এই বাটাটা দিয়ে ভাল করে গুলে নিন। ঘরের আনাচে কানাচেতে এই পানি স্প্রে করলেও নিশ্চিহ্ন হবে আরশোলার বংশ।

শশা

একটি টিনের কৌটয় কাটা শশা ভরে মুখ খুলে রেখে দিন। তেলাপোকা চলে যাবে। তবে দিনের পর দিন রাখবেন না। তাতে মাছির উপদ্রব শুরু হবে।
লিস্টারিন, পানি ও প্লেট ধোয়ার তরল সাবান
এই তিনটি উপকরণ পানেত মিশিয়ে ঘরের চারিদিকে স্প্রে করে দিন। কাজ দেবে।

গুঁড়ো সাবান

ওয়াশিং মেশিনের জন্য গুঁড়ো সাবানে ব্লিচ থাকে যা আরশোলা তাড়াতে সাহায্য করে।
অর্ধেক পানি ভর্তি কাঁচের শিশি
ঘরের কোন দেখে কাঁচের জারে অর্ধেক পানি ভরে রেখে দিন। তেলাপোকা খালি ভেবে এর ভিতরে ঢুকলেই পানিতে আটকা পড়বে। আর উড়তে পারবে না।

শাহি মোরগ পোলাও রেসিপি

উপকরণ :

চাল, একটি মুরগি (চার ভাগ করা), পেস্তাবাদাম গুঁড়া, আলুবোখারা, তেল, ঘি, পিয়াজ, আদা, রসুন, ছোট এলাচ, দারুচিনি, জয়ত্রি, জয়ফল, লবঙ্গ, শাহি জিরা, টকদই, দুধ, কাঁচামরিচ, সাদা গোলমরিচ, লবণ পরিমাণ মতো, শুকনা মরিচ, ভাজা পিয়াজ।

প্রণালী :

মুরগি চার টুকরা করে নিতে হবে। মুরগি ৩০ মিনিট লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর মুরগির টুকরা লবণ পানি থেকে তুলে ফেলতে হবে। পিয়াজ, আদা, রসুন বাটা, গরম মসলা গুঁড়া, দুধ দিয়ে মুরগির মাংস মেখে কিছু সময় রাখতে হবে। মাখানো মাংস পাত্রে মালাই, জয়ফলসহ বিভিন্ন মসলা দিয়ে আগুনের ওপর কিছু সময় রাখতে হবে। চাল আলাদাভাবে আধা সেদ্ধ করে দিতে হবে।
মুরগি সেদ্ধ হয়ে গেলে সেটা রেখে দিতে হবে। আধা সেদ্ধ চাল মুরগির তেলেই রান্না করতে হবে। এভাবেই তৈরি করা যায় মজাদার শাহি মোরগ পোলাও।

বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

স্যানিটারি ন্যাপকিনের সঠিক ব্যবহার

স্যানিটারি ন্যাপকিন:

প্রথমত যেকোন স্যানিটারি ন্যাপকিন বা প্যাড কোনভাবেই তিন বা চার ঘণ্টার বেশি পরা উচিৎ নয়। ঋতুস্রাবের শুরুর দুই ও তিন দিন অতিরিক্ত রক্তস্রাব নিঃসরণ হয়। এসময় অনেকে ছয় বা সাত ঘণ্টা পর পর প্যাড পরিবর্তন করে। কিন্তু চতুর্থ বা পঞ্চম দিন থেকে স্রাব কমে আসায় একই ন্যাপকিন ২৪ ঘণ্টা বা আরও বেশি সময় ধরে অনেকে পরে থাকে। এইকারনে তাদের যে সমস্যা হতে পারে তা হলঃ যোনিপথে চুলকানি, প্রদাহ, অ্যালার্জি।
তাই, ঋতুস্রাবের প্রথম তিন দিন দুই ঘন্টা পরপর প্যাড পরীক্ষা করে দেখা উচিৎ। যদি প্যাড শুকনো না থাকে অর্থাৎ উপরের অংশে রক্ত ভেসে আসতে দেখা যায় তবে সাথে সাথে প্যাড পরিবর্তন করা উচিৎ এবং কোনভাবেই চার ঘণ্টার বেশি একটি প্যাড পরা উচিৎ নয়। ঋতুস্রাবের তৃতীয় দিন হতে যেসব ন্যাপকিনে দ্রুত রক্ত টেনে নেয় এবং উপরের অংশ শুকনো রাখে অর্থাৎ “ড্রাই উইভ” ন্যাপকিন সেগুলো পরা একদম বাদ দিতে হবে।

ঋতুস্রাবের শেষের দিকে অল্প রক্তপাত হয় এবং একারনে সেই রক্ত দ্রুত শুকিয়ে সেখানে জীবানুর আক্রমণ হয় যা যোনিপথের সংস্পর্শে এসে চুলকানি, ফোঁড়া, ইনফেকশন ইত্যাদি সৃষ্টি করে।
আপনারা হয়ত জানেন না ড্রাই উইভ প্যাড বা ন্যপাকিনে প্যাড শুকনো রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়”সেলুলোজ জেল” নামের একটি উপাদান যা জরায়ুমুখের ক্যান্সারের জন্য দায়ী। এবং এর প্রকোপ গত কয়েক বছরে বিকট আকার ধারন করার পিছনে অন্যতম একটি কারন হচ্ছে স্যানিটারি প্যাডের দীর্ঘ সময় ধরে ব্যাবহার। এমনকি আপনারা খেয়াল করলেই দেখবেন এটি কী উপাদান দ্বারা তৈরি তা কিন্তু এর প্যাকেটের কোথাও উল্লেখ করা থাকেনা।
এ ব্যাপারে কোন সঠিক দিক নির্দেশনা বা নীতিমালাও এই উপমহাদেশে নেই বলে খুব সহজেই মানুষ এদের বিজ্ঞাপন দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে এবং নিজের ক্ষতি করছে। কাজেই নিজ দায়িত্বে সতর্ক হোন।

কাপড়ের ন্যাপকিন:

অনেকে একই কাপড় বারবার ধুয়ে ব্যাবহার করে। সেক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। কাপড়ের ন্যাপকিন অবশ্যই একবার ব্যাবহারের পর গরম জলে সিদ্ধ করে ধুয়ে সরাসরি সূর্যের আলোতে শুকাতে হবে। সূর্যের আলো এখানে বেশ ভাল জীবানুনাশক হিসাবে কাজ করে। ঘরের কোনায় শুকাতে দিলে কোন লাভ নেই।
অবশ্যই নির্দিষ্ট সময় পরপর প্যাড পরিবর্তন করতে হবে।

পাঁচমিশালি সবজি রান্নার রেসিপি

উপকরনঃ

ফুলকপি – ১/২ কাপ
গাজর – ১/২ কাপ
পেঁপে – ১/২ কাপ
বাধা কপি (বড় কিউব করে কাটা) – ১ কাপ
বরবটি ১/২ কাপ
আলু ১/২ কাপ
পেঁয়াজ মোটা করে কাটা – ১ কাপ
কাঁচামরিচ ফালি – ৫ টি
লেবুর রস ১ টেবিল চামচ
লবন পারিমান মত

ফোঁড়নঃ

রসুন কুঁচি ১ চা চামচ
পেঁয়াজ কুঁচি ১ টেবিল চামচ
তেল ১ টেবিল চামচ
মাখন _ ১ টেবিল চামচ
তেজপাতা ১ টি
পাঁচফোড়ন ১/২ চা চামচ

প্রনালীঃ

সবজি কেটে ধুয়ে লবন দিয়ে হালকা সিদ্ধ করে নিন। ফ্রাইপ্যানে তেল তেল ও মাখন দিয়ে ফোঁড়ন এর উপকর গুলো দিয়ে একটু বাদামী করে সিদ্ধ সবজি দিয়ে নাড়তে থাকুন। নামানোর আগে লেবুর রস দিয়ে দিন। রুটি বা পরোটার সাথে পরিবেশন করুন।

রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

ত্বকের কালো দাগ দূর করতে করণীয়

যা যা লাগবে

  • দুটি গ্রিন টি ব্যাগ
  • দুই টেবিল চামচ চিনি
  • এক টেবিল চামচ ময়দা

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে গরম পানির মধ্যে গ্রিন টি ব্যাগ দুটি ১০ থেকে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এবার পানি থেকে তুলে টি ব্যাগ দুটি কেটে এর পাতা বের করে নিন। কিছুক্ষণ ঠান্ডা করুন। ঠান্ডা হয়ে গেলে এর সঙ্গে চিনি ও ময়দা ভালো করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন।

যেভাবে ব্যবহার করবেন

প্যাকটি পুরো মুখে লাগিয়ে হালকাভাবে ৫ থেকে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এবার ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এর পর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

পরামর্শ

১. প্যাক দিয়ে স্ক্রাবিং করার সময় বেশি জোরে ঘষবেন না।
২. সপ্তাহে অন্তত দুদিন এই প্যাক দিয়ে স্ক্রাবিং করুন।
৩. স্ক্রাবিং করার পর অবশ্যই মুখে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন।

শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

সন্তানের মেধা বিকাশে পিতা-মাতার প্রয়োজনীয় ভূমিকা

সন্তানের মেধা বিকাশে পিতা-মাতার প্রয়োজনীয় ভূমিকা নিম্নে দেওয়া হলোঃ

শিশুকে বিভিন্ন বিষয়ে আগ্রহী করতে পিতা-মাতার করণীয় কাজসমূহ:
# স্কুলে সন্তানকে পাঠিয়ে বাবা-মা’র দায়িত্ব শেষ নয় বরং শুরু। স্কুলের ক্লাস টিচারের সাথে আপনার সু-সম্পর্ক রাখতে হবে। সন্তানদের পড়া-শোনার প্রতি আগ্রহ, বিভিন্ন সমস্যা এবং এর সমাধান নিতে ক্লাস টিচারের সাথে আলোচনা আপনাকে সাহায্য করবে।
# আপনার সন্তানকে অন্য স্কুলের শিক্ষার্থীকে এবং স্কুলের বিভিন্ন কর্মচারির সাথে পরিচিত হতে সাহায্য করুন এবং আপনিও কিছুটা সময় তাদের সাথে কাটান।
# সন্তানকে তার নিজের কাজ নিজে করতে অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে আপনার সন্তান স্বনির্ভর হতে শিখবে।

সন্তানের হোম ওয়ার্ক সংক্রান্ত:

১. আপনি আপনার সন্তানকে হোম ওয়ার্ক করতে সাহায্য করুন। প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে সন্তানকে নিয়ে পড়তে বসান।
২. আপনি আপনার সন্তানকে পড়ানোর সময় টিভি দেখা, ফোনে কথা বলা, ইন্টারনেট ব্যবহার করা প্রভৃতি থেকে দূরে রাখুন। এগুলো আপনার সন্তানের পড়া-শুনার সময় বাঁধা সৃষ্টি করতে পারে যা সন্তানকে অমনোযাগী করে তোলে।
৩. সন্তানের হোম ওয়ার্ক বা প্রজেক্ট ওয়ার্ক নিজে করতে সমস্যা হলে আপনি এই বিষয়ে যে ভালো জানেন তার সাহায্য নিতে দ্বিধা করবেন না।
# পড়া-শুনার পাশাপাশি সন্তানকে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কাজ-কর্মে আগ্রহী করে তুলুন। সন্তান ও বিষয়ে বেশি আগ্রহী বা শিখতে পছন্দ করে তা শিখতে সাহায্য করুন।
# সন্তানকে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করুন। স্কুলে বিভিন্ন ধরনের ভলেনটারি কর্ম-কাণ্ড থাকে তাতে অংশগ্রহণে সন্তানকে আগ্রহী করে তুলুন। এতে সন্তানের মধ্যে দায়িত্ববোধ সৃষ্টি হবে।
# সন্তানকে পাঠ্যবই ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ের বই পড়তে আগ্রহী করে তুলুন এতে সন্তানের জ্ঞান বৃদ্ধি পাবে এবং বিভিন্ন বিষয়ে জানার ইচ্ছা তৈরি হবে।
# অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে সন্তান কি বই পড়ছে। টিভিতে কি দেখছে এবং ইন্টারনেটে কি কাজ করতে। সন্তানকে এইগুলো ব্যবহারে নিষেধ না করে একটি নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিন।
# আজকাল সন্তানের টিভি দেখা এবং গেম খেলা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সমস্যা কমাতে ঘরে-বাইরের বিভিন্ন কাজকর্মে আপনার সাথে আপনার সন্তানকে সঙ্গী হিসেবে নিতে পারেন।
# সন্তানের সাথে বন্ধুত্বসূলভ আচরণ করুন। কিছুটা সময় তার সাথে গল্প করে সময় কাটান। আপনার সুযোগ-সুবিধা ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করুন। আপনার সন্তানও তার সমস্যা এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে।
# পরিবারের কোন সিদ্ধান্তে সন্তানের মতামত জানতে চান, সন্তানের মতামত সবসময় গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। কেনো গ্রহণযোগ্য নয় সে বিষয় নিয়ে সন্তানের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন। এতে সন্তানের আপনার প্রতি শ্রদ্ধা বৃদ্ধি পাবে।
# সন্তানের পছন্দ অপছন্দ ও মতামতের গুরুত্ব দিলে সন্তানের মেধা বিকাশ ত্বরান্বিত হয়। সে পরিবারের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে নিজেকে ভাবতে শিখে। সে ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠে। যার প্রতিফলন হিসেবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন কাজকর্মে প্রকাশও পায়।
এভাবেই সন্তানের সব বিষয়গুলো বিবেচনায় এনে চলতে হবে। তাহলে আপনার সন্তান একজন সুশিক্ষিত ও জ্ঞানি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।