মঙ্গলবার, ২৯ মে, ২০১৮

রাতের রূপচর্চায় ৩টি অত্যাবশ্যকীয় কাজ


বিরূপ আবহাওয়া, অযত্ন-অবহেলার কারণে অনেকের নিখুঁত স্নিগ্ধ ত্বক হারিয়ে যায়। নিখুঁত সুন্দর ত্বক একধরণের স্বপ্নের মতোই মনে হয়। এ সমস্যাগুলো থেকে সহজেই ত্বকের যেকোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
স্কিন এক্সপার্ট হুমায়রা জানান, ‘প্রতিরাতে যদি সামান্য একটু যত্ন নেয়া হয় তাহলে খুব সহজেই ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখা সম্ভব। একটু সচেতনতাই ব্রণ, ত্বকের রুক্ষতা এবং অন্যান্য নানা সমস্যা দূরে রাখতে পারে।

তিনটি কাজের মাধ্যমে সম্ভব এই সমস্যাগুলি কিছুটা কমিয়ে নেয়া –

প্রথমত, রাতে বাসায় ফিরে অবশ্যই ত্বক পরিষ্কার করে নেবেন। কেননা ত্বকের নানা সমস্যার মূল কারণ হচ্ছে অপরিষ্কার ত্বক, তাই যত জলদি সম্ভব বাসায় ফিরেই ত্বক ভালমত পরিষ্কার করে নেয়া উচিৎ। ত্বক যত অপরিষ্কার থাকবে ততোই সমস্যা বাড়তে থাকবে। তাই প্রতি রাতে বাসায় ফিরে অবশ্যই ভালো করে ত্বক পরিষ্কার করে নেবেন।


ভাল ও আপনার ত্বকের সাথে মানানসই কোন ফেসওয়াস দিয়ে ত্বক ধুয়ে নিয়ে ত্বক স্ক্রাব করে উপরের ময়লা দূর করে নিন। এরপর একটি সাধারণ বা প্রাকৃতিক কোনো টোনার দিয়ে ত্বক আরও ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। কাঁচা দুধ খুব ভালো টোনার হিসেবে কাজ করে। দুধ লাগিয়ে ৫ মিনিট রেখে ত্বক ধুয়ে ফেলুন।
দ্বিতীয়ত, ফেস প্যাক মানে ভারী কোনো ফেস প্যাক নয়। প্রতিদিন রাতে ব্যবহারের জন্য দুধ মধুর হালকা ফেস প্যাকই যথেষ্ট। এতে ত্বকের কোমলতা ফিরে আসে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতাও বজায় থাকে। যাদের ত্বক রুক্ষ তারা দুধ ও মধু মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
আবার যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা লেবুর রস ও মধু ব্যবহার করতে পারেন আর যারা একটু উজ্জ্বলতা চান তারা হলুদ গুঁড়ো ও দুধ ব্যবহার করে প্যাক তৈরি করতে পারেন। মাত্র ২০ মিনিট ব্যবহার করেই ধুয়ে ফেললে ত্বকের যত্ন নেয়া শেষ।

তৃতীয়ত, সঠিক খাবার রাতের খাবারের কারণে অনেক সময় ত্বকের সমস্যা দেখা যায় বলে জানান হুমায়রা। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘রাতের ভারী খাবার হজম না হওয়ার কারণে অনেকেরই ব্রণ সমস্যা দেখা দেয়’। তাই রাতে হালকা খাবার খাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। সেই সাথে পান করা উচিত অন্তত ২ গ্লাস পানি।

সোমবার, ২৮ মে, ২০১৮

ইফতারি রেসিপি : ঘরে বসেই তৈরি করুন ফালুদা


রমজান এসে গেছে, এখন ইফতারে থাকা চাই ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার। এ সময় রাখতে পারেন বিভিন্ন ফলের তৈরি ফালুদা। এটি স্বাস্থ্যকর একটি ঠাণ্ডা জাতীয় সুস্বাদু খাবার। ফালুদা সাধারণত রেস্টুরেন্টে বেশিরভাগ খাওয়া হয়। কিন্তু আপনি চাইলে ঘরে বসেই নিজের হাতে বানিয়ে ইফতারের আয়োজনে রাখতে পারেন মজাদার ফালুদা। দেখে নিন রেসিপি-

উপকরণঃ
 ১) দুধ এক লিটার।
২) স্ট্রবেরি জেলি এক কাপ।
৩) ফালুদা বীজ এক চামচ।
৪) সাবুদানা দুই কাপ।
৫) নুডুলস (এটা ফালুদার জন্য তৈরি, বাজারে পাওয়া যায়)।
৬) পেস্তা কুচি, আমন্ড কুচি, কাজুবাদাম কুচি এক চামচ।
৭) ভ্যানিলা আইসক্রিম দুই চামচ।
৮) বিভিন্ন পদের ফল (কলা, আপেল, আঙ্গুর, বেদনা ইত্যাদি)
৯) চিনি ও লবণ স্বাদ মতো।
১০) কয়েক টুকরা দারুচিনি, কয়েকটা এলাচি।
১১) পানি পরিমাণ মতো।

প্রণালিঃ

প্রথমে একটি পাত্রে দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে নিন। ফালুদা বীজ আলাদাভাবে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর অন্য একটি পাত্রে নুডুলস ও সাবুদানা সিদ্ধ করে নিন। সিদ্ধ হয়ে গেলে এতে ঘন দুধ, এলাচ, দারুচিনি, চিনি, লবণ দিয়ে নাড়তে থাকুন। এদিকে আলাদাভাবে বিভিন্ন ফল কেটে রাখুন।
এবার একটি পাত্রে ফালুদা বীজ নিয়ে সিদ্ধ করা উপকরণগুলো দিয়ে নিন। এর উপরে কাটা ফলগুলো সহ পেস্তাকুচি, আমন্ডকুচি ও কাজুবাদাম ছিটিয়ে দিয়ে স্ট্রবেরি জেলি দিয়ে দিন। সবার উপরে ভ্যানিলা আইসক্রিম দিয়ে গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন।
ফ্রিজে কিছুক্ষণ রেখে পরিবেশন করতে পারেন।

মুখের উজ্জ্বলতা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করুন সহজ ৪ টি প্রাকৃতিক উপায়ে


প্রতিটা মানুষ জন্মগ্রহণের সময় সুন্দর ত্বক নিয়েই পৃথিবীতে আসে। ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখার দায়িত্ব শিশুর অভিভাবকের এবং ব্যক্তির নিজের। বিভিন্নভাবে আপনি আপনার ত্বকের ক্ষতি করছেন। কিন্তু ভয় পাবেন না, কারণ ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করেই উজ্জ্বল ও দীপ্তিময় ত্বক পাওয়া সম্ভব।। চলুন তাহলে সেই প্রাকৃতিক উপাদানগুলো সম্পর্কে জেনে নিই।

১। কলার খোসা –
কলা খাওয়ার পরে খোসাটা ফেলে দেয়াই আমাদের সবার অভ্যাস কারণ ত্বকের উপর কলার খোসার জাদুকরি প্রভাবের কথা অনেকেই জানেন না। এখন থেকে কলার খোসা ফেলে না দিয়ে এর ভেতরের সাদা অংশটুকু মুখে ও ঘাড়ে ভালো করে ঘসে ঘসে লাগান। ২০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ব্যবহারের ফলে আপনার ত্বক উজ্জ্বল হবে। ভালো ফল পাওয়ার জন্য সপ্তাহে কয়েকবার এটি ব্যবহার করুন।

২। মধু ও লেবু –
মধু ও লেবুর সমন্বয়ে তৈরি ফেস প্যাক ত্বক ফর্সা করতে পারে। সমপরিমাণ মধু ও লেবুর রস নিয়ে ভালোভাবে মেশান। এই মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। যদি আপনার ত্বক শুষ্ক হয়ে থাকে তাহলে মধু ও শশার রস ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও মধুর সাথে সমপরিমাণ দুধ মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারে। যদি আপনার ত্বক তৈলাক্ত হয় তাহলে লো ফ্যাট দুধ ব্যবহার করুন। এই মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পরে বৃত্তাকারে ম্যাসাজ করুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৩। টমেটো –
প্রতিমাসে একবার স্পেনের লা টোমাটিনা ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণ করতে পারলে ফর্সা ও উজ্জ্বল ত্বক পাওয়া সহজ হত। টমেটোতে ত্বকের বর্ণ হালকা করার উপাদান আছে। এটি ত্বকের তেল শোষণ করে এবং ত্বকের উন্মুক্ত ছিদ্রের নিরাময় করে। আপনার ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ টমেটো থেঁতলে নিয়ে মুখে ও শরীরের অন্যান্য স্থানে লাগান। শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৪। চন্দন –
প্রাচীন কাল থেকেই ত্বক ফর্সা করতে ব্যবহার হয়ে আসছে চন্দনের গুঁড়া যাকে কেউ হারাতে পারেনি। চন্দন ও হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এর সাথে কাঠ বাদামের তেল মিশাতে পারেন। তারপর মিশ্রণটি আপনার মুখে লাগান। কিছুক্ষণ পরে বৃত্তাকারে ম্যাসাজ করুন। কিছুক্ষণ পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটির ব্যবহারে আপনার ত্বকের বর্ণ হালকা হবে এবং আপনার মুখের দ্যুতি ছড়াবে।
সব কিছুর শেষ কথা হচ্ছে ক্লিঞ্জিং, টোনিং ও ময়শ্চারাইজিং এই ৩ টির সমন্বয় ছাড়া ত্বক ভালো রাখা সম্ভব নয়। CTM রুটিন ঠিকভাবে অনুসরণ করলেই আপনি আপনার ত্বককে খুব বেশি তামাটে হয়ে যাওয়া রোধ করতে পারবেন। ত্বকের উজ্জ্বলতা অটুট রাখার জন্য ঘরের বাহিরে যাওয়ার পূর্বে ভালমানের সানস্ক্রিন লাগাতে ভুলবেন না যেনো।
আপনার ত্বকে গোলাপি আভা এনে দেবে।

মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৭

রাইস কুকারে কেক বানানোর সহজ রেসিপি

উপকরণ :

ময়দা ৩ কাপ
ডিম ৪ টা
কোকো পাউডার ৩ টেবিল চা
বেকিং পাউডার ২ চা
বেকিং সোডা ১ চা এর একটু বেশি
লবন অল্প (ইচ্ছা না হলে বাদ দিতে পারেন )
চিনি ২ কাপ
তেল ১ কাপ
গুড়াদুধ ৩ টেবিল চা
ভেনিলা এসেন্স ১ চা
লেবুর রস ২ টেবিল চা ( ঐচ্ছিক )

প্রণালী :

প্রথমে ডিমের সাদা অংশ আলাদা করে নিন কুসুম থেকে ,এবার সাদা অংশটি ভালো করে বিট করতে হবে। বিট মানে চামুচ দিয়ে ভালো ভাবে নাড়ান/ফেটে নেয়া অথবা বিটার মেশিন দিয়ে ফেটে নেয়া। ভালো মত বিট হবার পরে তাতে আলাদা করে রাখা কুসুম দিয়ে আবার ভালো ভাবে বিট করতে হবে। মিশ্রনেএবার চিনি মিশাতে হবে।
ময়দা,কোকো পাউডার,বেকিং পাউডার,বেকিং সোডা,গুড়া দুধ একসাথে মিশিয়ে মিক্সড ডিমের সাথে অল্প অল্প করে মিশাতে হবে, তার সাথে বিট করাটা যেন ভালো মত হয় খেয়াল রাখতে হবে ,কোনো পাউডার যেন জমে না থাকে। যদি এটা বেশি ঘন হয় তাহলে অল্প হালকা গরম পানি দিবেন অথবা গরম দুধ দিবেন, সব শেষে লেবুর রস আর ভেনিলা এসেন্স দিতে দিয়ে দিবেন।
এখন রাইস কুকারের পাত্রটি কে ভালো করে ধুয়ে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিন,এর মধ্যে পুরো মিশ্রণটি ঢেলে দিন ,ঢাকনা লাগান ,প্লাগ লাগান এবং সুইচ জালান।১ ঘন্টার মত লাগবে কেকটি হতে। তবে সুবিধার কথা হলো কেক টি হয়ে গেলে কুকার এমনি বন্ধ (অফ ) হয়ে যাবে।
এভাবেই বানানো হয়ে গেল ঝামেলা ছাড়া সহজ উপায়ে কেক। এবার নিজেরা চেষ্টা করে দেখুন আর সবাইকে খাইয়ে তাক লাগিয়ে দিন।

বুধবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৭

চুল পড়া বন্ধ করতে ৫টি কার্যকরী প্যাক

১। ডিমের প্যাক
১টি ডিম, ১ কাপ দুধ, ২ টেবিল চামচ লেবুর রস এবং অলিভ অয়েল ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার এটি মাথায় লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। ডিম চুল পড়া রোধ করে, চুলের গোঁড়া মজবুত করে থাকে।
 
২। তেল এবং ভিটামিন ই ক্যাপসুল
নারকেল তেল অথবা বাদাম তেল অথবা জোজবা অথবা অলিভ অয়েলে ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে নিন। এটি চুলে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন। সারা রাত মাথায় তেল লাগিয়ে রাখুন। এই প্যাকটি চুল কন্ডিশন, নারেশিং করে থাকে। এর সাথে চুল পড়া রোধ করে থাকে। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে ২-৩ বার এটি ব্যবহার করুন।
 
৩। জবা ফুলের প্যাক
জবা ফুলের পেস্ট, কাঁচা দুধ, এবং অলিভ অয়েল একটি পাত্রে মিশিয়ে নিন। এই প্যাকটি মাথায় দিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এটি চুল পড়া রোধ করে চুল সিল্কি করে থাকে।
 
৪। টক দইয়ের প্যাক
১/২ কাপ টকদই
১টি ডিম
১/৪ কাপ মেয়োনিজ
ডিম ভাল করে ফেটে ফেনা তুলে ফেলুন। এরপর এতে টক দই, মেয়োনিজ মিশিয়ে নিন। এবার এটি মাথায় ভাল করে লাগান। ১ ঘণ্টার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। হার্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না।
 
৫। মধু, অ্যালোভেরা, আদার রসের প্যাক
১ চা চামচ আদার রস, মধু, ডিমের কসুম এবং ২ চা চামচ অ্যালেভেরা জেল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। মাথার তালুতে ভাল করে লাগান। ১ ঘন্টার পর শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে ফেলুন। অ্যালোভেরা চুল পড়া রোধ করে চুলের গোড়া মজবুত করে থাকে। মধু চুলকে নরম কোমল করে তোলে।
চুলের যত্নে নিয়মিত প্যাক ব্যবহার করা উচিত। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করা উচিত।

মঙ্গলবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৭

পায়ের যত্নে ঘরোয়া ফুট স্ক্রাব ও মাস্ক

পা নরম কোমল করতে স্ক্রাবঃ
যা যা লাগবে-
-ব্রাউন সুগার ২ টেবিল চামচ
-লেবুর রস ১ টেবিল চামচ
-মধু ১ টেবিল চামচ
-অলিভ অয়েল ১ টেবিল চামচ
রেসিপি-
একটি বাটিতে সব উপাদান একসাথে নিয়ে ভালোভাবে মেশাতে থাকুন যতক্ষণ না এটি নরম পেস্ট আকার ধারণ করে। এবার আপনার পা দুটি একটি বড় গামলায় গরম পানি নিয়ে সেই পানিতে ১০ থেকে ২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। এতে করে আপনার পায়ের আলগা ময়লা স্তর নরম হয়ে যাবে, বাটি থেকে পেস্ট নিয়ে আপনার পায়ে লাগান এবং আলতো হাতে ঘষতে থাকুন। একই উপায়ে অপর পায়েও এই স্ক্রাব লাগান। কিছু সময় এভাবে পায়ে এই স্ক্রাব ম্যাসাজ করে পা ধুয়ে ফেলুন।
এটি আপনার পায়ের ডেডসেল ও শক্ত ভাব দূর করে পা নারিশ আর সফট করে।
কলা ফুট মাস্কঃ
যা যা লাগবে-
-পাকা কলা
-হালকা গরম পানি(প্রয়োজন মতো)
রেসিপি-
পাকা কলা চটকে আপনার পায়ের গোড়ালিতে লাগান। এটি লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন এবং এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে আপনার পা ধুয়ে ফেলুন।
এই মাস্কের বিশেষত্ব হচ্ছে যাদের পায়ের গোড়ালি ফাটা বা খসখসে তারা এই ফুট মাস্ক ব্যবহার করার ফলে পা ফাটা থেকে মুক্তি পাবেন ও পায়ের গোড়ালি নরম কোমল আর সুন্দর হয়ে উঠবে। কারণ কলা আপনার পায়ের জন্য ভালো ফুট ময়েশ্চারাইজারের কাজ করে।
ফুট ময়েশ্চারাইজার-
যা যা লাগবে-
-পেট্রোলিয়াম জেলি ১ টেবিল চামচ
-লেবুর রস ২ থেকে ৩ ফোঁটা
-গরম পানি
-পায়ের কটন মোজা
রেসিপি-
পেট্রোলিয়াম জেলি ও লেবুস রস দিয়েই আপনি ঘরে বসে আপনার ফুট ময়েশ্চারাইজার বানিয়ে ফেলতে পারেন। এই দুই উপাদান একসাথে নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। তবে পায়ে এটি লাগানোর আগে আপনার পা হালকা গরম পানিতে ১০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আপনার পায়ে এই ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে আলতো ম্যাসাজ করে পায়ে মোজা দিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে উঠেই পাবেন সুন্দর কোমল এক জোড়া নজরকাড়া আকর্ষণীয় পা।
ফুট মশ্চারাইজার ক্রিম-
-অলিভ অয়েল ১ টেবিল চামচ
-ল্যাভেন্ডার অয়েল ২ থেকে ৩ ফোঁটা
রেসিপি-
অলিভ অয়েল ও ল্যাভেন্ডার অয়েল একসাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণ যখন আপনার প্রয়োজন বা ইচ্ছে হয় ব্যবহার করতে পারেন।
শুধু মনে রাখবেন যখনই এই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন ক্রিমটা ভালো ভাবে ঝাঁকিয়ে নেবেন। এটি ব্যবহারে আপনার পায়ের সৌন্দর্য কয়েক গুণ বেড়ে যাবে।
পায়ের যত্নে কিছু হ্যান্ডি টিপসঃ
-পর্যাপ্ত পানি পান করুন সাথে তাজা সবজি ও ফলমূল খান।
-পায়ের নিয়মিত যত্ন করুন, পায়ের নখ বেশি বড় না করাই ভালো।
-শুধু মুখের ত্বকে নয় পায়েও ময়েশ্চারাইজার লাগান।
-পায়ে সব সময় হিলজুতো পড়া থেকে বিরত থাকুন। আবার একেবারে খুব পাতলা সোলের জুতাও পরবেন না।
-গরমকালে বেশি পায়ে ঘাম হয় তাই বাইরে থেকে এসে অবশ্যই পা ধুয়ে ফেলবেন।

সোমবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৭

রেড ভেলভেট চিজকেক রেসিপি

উপকরণ

কেক বেইস তৈরি করতে লাগবে
• ময়দা ১ কাপ
• কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ
• চিনি ৩/৪ কাপ
• কোকো পাউডার ১টেবিল চামচ
• বেকিং পাউডার ১ চা চামচ
• লবণ ১/২ চা চামচ
• ডিম বড় ১ টি
• বাটারমিল্ক ১/২ কাপ(১/২ কাপ হাল্কা গরম দুধের সাথে ১টেবিল চামচ ভিনেগার মিশিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিলেই বাটারমিল্ক হবে।)
• লাল লিকুইড ফুড কালার ১টেবিল চামচ
• তেল বা বাটার ১/৪ কাপ
• ভ্যানিলা ১ চা চামচ
• বেকিং সোডা ১/২ চা চামচ
• ভিনেগার ১/২ চা চামচ
ক্রিম চিজ ফ্রস্টিং তৈরি করতে লাগবেঃ
• হুইপড ক্রিম পাউডারঃ ২ প্যাকেট বা হেভী ক্রীমঃ ২কাপ
• ভ্যানিলা এসেন্সঃ ১ চাচামচ
• ক্রিমচিজঃ ১কাপ
• আইসিং সুগারঃ ১/২কাপ
• ১টেবিল চামচ জিলাটিন ১টেবিল চামচ গরম পানির সাথে ভাল করে মিশিয়ে নিতে হবে।

প্রণালী

কেক বেইস তৈরি
ওভেন ১৮০ ডিগ্রীতে প্রিহিট করে নিতে হবে।কেক প্যান বাটার মাখিয়ে,ময়দা ছিটিয়ে গ্রিজ করে নিতে হবে।একটি পাত্রে চিনি,ডিম, তেল নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে।এতে বাটারমিল্ক ও লাল লিকুইড ফুড কালার মিশিয়ে নিতে হবে।
আলাদা বাটিতে ময়দার সাথে , কর্নফ্লাওয়া্র, কোকো পাউডার,বেকিং পাউডার, লবণ ভালো মত মিশিয়ে নিতে হবে।
এখন ময়দা ও লিকুইড মিশ্রন মিশিয়ে নিতে হবে।আলাদা বাটিতে বেকিং সোডা ও ভিনেগার মিশিয়ে সাথে সাথে কেক মিশ্রনে ঢেলে দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে।সাথে সাথে কেক ওভেন এ দিতে হবে।২৫ মিনিট অথবা কেক এ টুথপিক দিয়ে চেক করে হয়ে আসলে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিতে হবে।

ক্রিম চিজ ফ্রস্টিং তৈরি

হুইপড ক্রিম তৈরি
হেভী ক্রিমের সাথে চিনি মিশিয়ে ভালো মত বিট করতে হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত “স্টিফ পিক” হয় (৫ মিনিট). চুড়ার মত হয়ে আসলে কম স্পিডে বিট করে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে।(অথবা ক্রিম এর প্যাকেটের নির্দেশ মত বানাতে হবে)
অথবা
১ কাপ থেকে একটু কম খুব ঠান্ডা দুধ নিয়ে হুইপড ক্রিম পাউডার এর সাথে মিশিয়ে ভালো মত বিট করতে হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত “স্টিফ পিক” হয় (৫ মিনিট). চুড়ার মত হয়ে আসলে কম স্পিডে বিট করে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে।(অথবা ক্রিম এর প্যাকেটের নির্দেশ মত বানাতে হবে)

ক্রিম চিজ তৈরি

একটি পাত্রে ক্রিম চিজ , আইসিং সুগার ও ভ্যানিলা এসেন্স মিশিয়ে ১ মিনিট বিট করতে হবে।
এর সাথে ১+১/২ কাপ হুইপড ক্রিম মিশিয়ে নিন।তারপর জিলাটিন মিশানো পানি মিশিয়ে ক্রিম চিজ ফ্রস্টিং বানিয়ে নিন।
বাকি হুইপড ক্রিম ফ্রস্টিং এর জন্য রাখুন।

কেক বানানো

কেক সাবধানে ২ টি লেয়ারে কেটে নিতে হবে।একটি পলিব্যাগ অথবা প্লাস্টিকব্যাগ কেটে কেক বানানোর প্যানটি তে বসাতে হবে।প্যানটির মাঝের প্লাস্টিকব্যাগের উপর একটি কেক লেয়ার দিয়ে অর্ধেক ক্রিম চিজ ফ্রস্টিং দিতে হবে।
ক্রিমের উপর আর একটি লেয়ার দিয়ে বাকি ড্রাই ফ্রুটস মিশানো ক্রিম চিজ ফ্রস্টিং দিতে হবে।
ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে ৪ ঘন্টা।১ ঘন্টা পরে বাটিটি বের করে প্যান থেকে বের করে প্লাস্টিকব্যাগ খুলে নিতে হবে।বাকি হুইপডক্রিম দিয়ে চারিদিকে ঢেকে ডেকোরেশন করে নিতে হবে।ফ্রিজে রেখে দিতে হবে ৫ ঘন্টা। পরিবেশনের আগে ফ্রিজ থেকে নামিয়ে কেটে পরিবেশন করতে হবে।