মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৭

রাইস কুকারে কেক বানানোর সহজ রেসিপি

উপকরণ :

ময়দা ৩ কাপ
ডিম ৪ টা
কোকো পাউডার ৩ টেবিল চা
বেকিং পাউডার ২ চা
বেকিং সোডা ১ চা এর একটু বেশি
লবন অল্প (ইচ্ছা না হলে বাদ দিতে পারেন )
চিনি ২ কাপ
তেল ১ কাপ
গুড়াদুধ ৩ টেবিল চা
ভেনিলা এসেন্স ১ চা
লেবুর রস ২ টেবিল চা ( ঐচ্ছিক )

প্রণালী :

প্রথমে ডিমের সাদা অংশ আলাদা করে নিন কুসুম থেকে ,এবার সাদা অংশটি ভালো করে বিট করতে হবে। বিট মানে চামুচ দিয়ে ভালো ভাবে নাড়ান/ফেটে নেয়া অথবা বিটার মেশিন দিয়ে ফেটে নেয়া। ভালো মত বিট হবার পরে তাতে আলাদা করে রাখা কুসুম দিয়ে আবার ভালো ভাবে বিট করতে হবে। মিশ্রনেএবার চিনি মিশাতে হবে।
ময়দা,কোকো পাউডার,বেকিং পাউডার,বেকিং সোডা,গুড়া দুধ একসাথে মিশিয়ে মিক্সড ডিমের সাথে অল্প অল্প করে মিশাতে হবে, তার সাথে বিট করাটা যেন ভালো মত হয় খেয়াল রাখতে হবে ,কোনো পাউডার যেন জমে না থাকে। যদি এটা বেশি ঘন হয় তাহলে অল্প হালকা গরম পানি দিবেন অথবা গরম দুধ দিবেন, সব শেষে লেবুর রস আর ভেনিলা এসেন্স দিতে দিয়ে দিবেন।
এখন রাইস কুকারের পাত্রটি কে ভালো করে ধুয়ে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিন,এর মধ্যে পুরো মিশ্রণটি ঢেলে দিন ,ঢাকনা লাগান ,প্লাগ লাগান এবং সুইচ জালান।১ ঘন্টার মত লাগবে কেকটি হতে। তবে সুবিধার কথা হলো কেক টি হয়ে গেলে কুকার এমনি বন্ধ (অফ ) হয়ে যাবে।
এভাবেই বানানো হয়ে গেল ঝামেলা ছাড়া সহজ উপায়ে কেক। এবার নিজেরা চেষ্টা করে দেখুন আর সবাইকে খাইয়ে তাক লাগিয়ে দিন।

বুধবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৭

চুল পড়া বন্ধ করতে ৫টি কার্যকরী প্যাক

১। ডিমের প্যাক
১টি ডিম, ১ কাপ দুধ, ২ টেবিল চামচ লেবুর রস এবং অলিভ অয়েল ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার এটি মাথায় লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। ডিম চুল পড়া রোধ করে, চুলের গোঁড়া মজবুত করে থাকে।
 
২। তেল এবং ভিটামিন ই ক্যাপসুল
নারকেল তেল অথবা বাদাম তেল অথবা জোজবা অথবা অলিভ অয়েলে ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে নিন। এটি চুলে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন। সারা রাত মাথায় তেল লাগিয়ে রাখুন। এই প্যাকটি চুল কন্ডিশন, নারেশিং করে থাকে। এর সাথে চুল পড়া রোধ করে থাকে। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে ২-৩ বার এটি ব্যবহার করুন।
 
৩। জবা ফুলের প্যাক
জবা ফুলের পেস্ট, কাঁচা দুধ, এবং অলিভ অয়েল একটি পাত্রে মিশিয়ে নিন। এই প্যাকটি মাথায় দিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এটি চুল পড়া রোধ করে চুল সিল্কি করে থাকে।
 
৪। টক দইয়ের প্যাক
১/২ কাপ টকদই
১টি ডিম
১/৪ কাপ মেয়োনিজ
ডিম ভাল করে ফেটে ফেনা তুলে ফেলুন। এরপর এতে টক দই, মেয়োনিজ মিশিয়ে নিন। এবার এটি মাথায় ভাল করে লাগান। ১ ঘণ্টার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। হার্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না।
 
৫। মধু, অ্যালোভেরা, আদার রসের প্যাক
১ চা চামচ আদার রস, মধু, ডিমের কসুম এবং ২ চা চামচ অ্যালেভেরা জেল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। মাথার তালুতে ভাল করে লাগান। ১ ঘন্টার পর শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে ফেলুন। অ্যালোভেরা চুল পড়া রোধ করে চুলের গোড়া মজবুত করে থাকে। মধু চুলকে নরম কোমল করে তোলে।
চুলের যত্নে নিয়মিত প্যাক ব্যবহার করা উচিত। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করা উচিত।

মঙ্গলবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৭

পায়ের যত্নে ঘরোয়া ফুট স্ক্রাব ও মাস্ক

পা নরম কোমল করতে স্ক্রাবঃ
যা যা লাগবে-
-ব্রাউন সুগার ২ টেবিল চামচ
-লেবুর রস ১ টেবিল চামচ
-মধু ১ টেবিল চামচ
-অলিভ অয়েল ১ টেবিল চামচ
রেসিপি-
একটি বাটিতে সব উপাদান একসাথে নিয়ে ভালোভাবে মেশাতে থাকুন যতক্ষণ না এটি নরম পেস্ট আকার ধারণ করে। এবার আপনার পা দুটি একটি বড় গামলায় গরম পানি নিয়ে সেই পানিতে ১০ থেকে ২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। এতে করে আপনার পায়ের আলগা ময়লা স্তর নরম হয়ে যাবে, বাটি থেকে পেস্ট নিয়ে আপনার পায়ে লাগান এবং আলতো হাতে ঘষতে থাকুন। একই উপায়ে অপর পায়েও এই স্ক্রাব লাগান। কিছু সময় এভাবে পায়ে এই স্ক্রাব ম্যাসাজ করে পা ধুয়ে ফেলুন।
এটি আপনার পায়ের ডেডসেল ও শক্ত ভাব দূর করে পা নারিশ আর সফট করে।
কলা ফুট মাস্কঃ
যা যা লাগবে-
-পাকা কলা
-হালকা গরম পানি(প্রয়োজন মতো)
রেসিপি-
পাকা কলা চটকে আপনার পায়ের গোড়ালিতে লাগান। এটি লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন এবং এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে আপনার পা ধুয়ে ফেলুন।
এই মাস্কের বিশেষত্ব হচ্ছে যাদের পায়ের গোড়ালি ফাটা বা খসখসে তারা এই ফুট মাস্ক ব্যবহার করার ফলে পা ফাটা থেকে মুক্তি পাবেন ও পায়ের গোড়ালি নরম কোমল আর সুন্দর হয়ে উঠবে। কারণ কলা আপনার পায়ের জন্য ভালো ফুট ময়েশ্চারাইজারের কাজ করে।
ফুট ময়েশ্চারাইজার-
যা যা লাগবে-
-পেট্রোলিয়াম জেলি ১ টেবিল চামচ
-লেবুর রস ২ থেকে ৩ ফোঁটা
-গরম পানি
-পায়ের কটন মোজা
রেসিপি-
পেট্রোলিয়াম জেলি ও লেবুস রস দিয়েই আপনি ঘরে বসে আপনার ফুট ময়েশ্চারাইজার বানিয়ে ফেলতে পারেন। এই দুই উপাদান একসাথে নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। তবে পায়ে এটি লাগানোর আগে আপনার পা হালকা গরম পানিতে ১০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আপনার পায়ে এই ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে আলতো ম্যাসাজ করে পায়ে মোজা দিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে উঠেই পাবেন সুন্দর কোমল এক জোড়া নজরকাড়া আকর্ষণীয় পা।
ফুট মশ্চারাইজার ক্রিম-
-অলিভ অয়েল ১ টেবিল চামচ
-ল্যাভেন্ডার অয়েল ২ থেকে ৩ ফোঁটা
রেসিপি-
অলিভ অয়েল ও ল্যাভেন্ডার অয়েল একসাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণ যখন আপনার প্রয়োজন বা ইচ্ছে হয় ব্যবহার করতে পারেন।
শুধু মনে রাখবেন যখনই এই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন ক্রিমটা ভালো ভাবে ঝাঁকিয়ে নেবেন। এটি ব্যবহারে আপনার পায়ের সৌন্দর্য কয়েক গুণ বেড়ে যাবে।
পায়ের যত্নে কিছু হ্যান্ডি টিপসঃ
-পর্যাপ্ত পানি পান করুন সাথে তাজা সবজি ও ফলমূল খান।
-পায়ের নিয়মিত যত্ন করুন, পায়ের নখ বেশি বড় না করাই ভালো।
-শুধু মুখের ত্বকে নয় পায়েও ময়েশ্চারাইজার লাগান।
-পায়ে সব সময় হিলজুতো পড়া থেকে বিরত থাকুন। আবার একেবারে খুব পাতলা সোলের জুতাও পরবেন না।
-গরমকালে বেশি পায়ে ঘাম হয় তাই বাইরে থেকে এসে অবশ্যই পা ধুয়ে ফেলবেন।

সোমবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৭

রেড ভেলভেট চিজকেক রেসিপি

উপকরণ

কেক বেইস তৈরি করতে লাগবে
• ময়দা ১ কাপ
• কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ
• চিনি ৩/৪ কাপ
• কোকো পাউডার ১টেবিল চামচ
• বেকিং পাউডার ১ চা চামচ
• লবণ ১/২ চা চামচ
• ডিম বড় ১ টি
• বাটারমিল্ক ১/২ কাপ(১/২ কাপ হাল্কা গরম দুধের সাথে ১টেবিল চামচ ভিনেগার মিশিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিলেই বাটারমিল্ক হবে।)
• লাল লিকুইড ফুড কালার ১টেবিল চামচ
• তেল বা বাটার ১/৪ কাপ
• ভ্যানিলা ১ চা চামচ
• বেকিং সোডা ১/২ চা চামচ
• ভিনেগার ১/২ চা চামচ
ক্রিম চিজ ফ্রস্টিং তৈরি করতে লাগবেঃ
• হুইপড ক্রিম পাউডারঃ ২ প্যাকেট বা হেভী ক্রীমঃ ২কাপ
• ভ্যানিলা এসেন্সঃ ১ চাচামচ
• ক্রিমচিজঃ ১কাপ
• আইসিং সুগারঃ ১/২কাপ
• ১টেবিল চামচ জিলাটিন ১টেবিল চামচ গরম পানির সাথে ভাল করে মিশিয়ে নিতে হবে।

প্রণালী

কেক বেইস তৈরি
ওভেন ১৮০ ডিগ্রীতে প্রিহিট করে নিতে হবে।কেক প্যান বাটার মাখিয়ে,ময়দা ছিটিয়ে গ্রিজ করে নিতে হবে।একটি পাত্রে চিনি,ডিম, তেল নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে।এতে বাটারমিল্ক ও লাল লিকুইড ফুড কালার মিশিয়ে নিতে হবে।
আলাদা বাটিতে ময়দার সাথে , কর্নফ্লাওয়া্র, কোকো পাউডার,বেকিং পাউডার, লবণ ভালো মত মিশিয়ে নিতে হবে।
এখন ময়দা ও লিকুইড মিশ্রন মিশিয়ে নিতে হবে।আলাদা বাটিতে বেকিং সোডা ও ভিনেগার মিশিয়ে সাথে সাথে কেক মিশ্রনে ঢেলে দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে।সাথে সাথে কেক ওভেন এ দিতে হবে।২৫ মিনিট অথবা কেক এ টুথপিক দিয়ে চেক করে হয়ে আসলে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিতে হবে।

ক্রিম চিজ ফ্রস্টিং তৈরি

হুইপড ক্রিম তৈরি
হেভী ক্রিমের সাথে চিনি মিশিয়ে ভালো মত বিট করতে হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত “স্টিফ পিক” হয় (৫ মিনিট). চুড়ার মত হয়ে আসলে কম স্পিডে বিট করে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে।(অথবা ক্রিম এর প্যাকেটের নির্দেশ মত বানাতে হবে)
অথবা
১ কাপ থেকে একটু কম খুব ঠান্ডা দুধ নিয়ে হুইপড ক্রিম পাউডার এর সাথে মিশিয়ে ভালো মত বিট করতে হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত “স্টিফ পিক” হয় (৫ মিনিট). চুড়ার মত হয়ে আসলে কম স্পিডে বিট করে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে।(অথবা ক্রিম এর প্যাকেটের নির্দেশ মত বানাতে হবে)

ক্রিম চিজ তৈরি

একটি পাত্রে ক্রিম চিজ , আইসিং সুগার ও ভ্যানিলা এসেন্স মিশিয়ে ১ মিনিট বিট করতে হবে।
এর সাথে ১+১/২ কাপ হুইপড ক্রিম মিশিয়ে নিন।তারপর জিলাটিন মিশানো পানি মিশিয়ে ক্রিম চিজ ফ্রস্টিং বানিয়ে নিন।
বাকি হুইপড ক্রিম ফ্রস্টিং এর জন্য রাখুন।

কেক বানানো

কেক সাবধানে ২ টি লেয়ারে কেটে নিতে হবে।একটি পলিব্যাগ অথবা প্লাস্টিকব্যাগ কেটে কেক বানানোর প্যানটি তে বসাতে হবে।প্যানটির মাঝের প্লাস্টিকব্যাগের উপর একটি কেক লেয়ার দিয়ে অর্ধেক ক্রিম চিজ ফ্রস্টিং দিতে হবে।
ক্রিমের উপর আর একটি লেয়ার দিয়ে বাকি ড্রাই ফ্রুটস মিশানো ক্রিম চিজ ফ্রস্টিং দিতে হবে।
ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে ৪ ঘন্টা।১ ঘন্টা পরে বাটিটি বের করে প্যান থেকে বের করে প্লাস্টিকব্যাগ খুলে নিতে হবে।বাকি হুইপডক্রিম দিয়ে চারিদিকে ঢেকে ডেকোরেশন করে নিতে হবে।ফ্রিজে রেখে দিতে হবে ৫ ঘন্টা। পরিবেশনের আগে ফ্রিজ থেকে নামিয়ে কেটে পরিবেশন করতে হবে।

রবিবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৭

মুচমুচে চিকেন কাটলেট রেসিপি

উপকরণ

# মুরগীর বুক- ৪ টি (বোন লেস হলে ভালো। তাতে সময় বাঁচবে। বোনলেস না পেলে পাখার ১ ইঞ্চি করে হাড় মাংসের সঙ্গে লাগানো রেখে বাকি হাড় মাংস থেকে তুলে ফেলুন। ১ ইঞ্চি হাড় কাটলেটে বোঁটার মতো থাকবে। বোনলেস হলে এই হাড়টা থাকবে না। তবে সব ক্ষেত্রেই মাংস হালকা হাতে ছুরি দিয়ে কেঁচে নিন ভালো করে। তবে মাংস যেন বেশি ভর্তা না হয়ে যায়।)
# টমেটো সস-২ টেবিল চামচ,
# কাঁচামারিচ বাটা-১ চা চামচ,
# সরষের গুঁড়ো-১ চা চামচ,
# গোলমরিচ গুঁড়ো- আধা চা চামচ,
# আদা বাটা সিকি চা চামচ,
# রসুন বাটা-সিকি চা চামচ,
# লবণ-আন্দাজমতো
# ওয়েসটার সস-২ চা চামচ,
# ময়দা-২ টেবিল চামচ,
# ডিম-ফেটান-১টি,
# টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়ো-পরিমাণ মত
# তেল ভাজার জন্য-পরিমাণ মতো।

প্রস্তুত প্রনালী

– টোস্টের গুঁড়ো বাদে সব মশলা একসাথে মেশান।
– মেশানো মশলায় মুরগী ভালোভাবে মাখিয়ে এক ঘণ্টা রাখুন।
– প্রত্যেক টুকরো মাংস টোস্টের গুঁড়োয় গড়িয়ে কাটলেটের আকার নিন। টোস্টের গুঁড়োর সাথে খানিকটা কর্ণ ফ্লেক্স গুঁড়ো মিশিয়ে নিলে কাটলেট হবে আরও মুচমুচে।
– গরম তেলে কাটলেট বাদামি করে ভেজে তুলুন।
সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন। আর সাথে একটু সালাদ হলে তো কথাই নেই!

শনিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৭

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দেবে যে খাবারগুলো

গাজর

গাজরে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন-সি ও ক্যারোটিন এবং গাজর হল সবজির মধ্যে সেরা সবজি যার স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক বেশি ও এটি আমাদের ত্বক ও চুলের জন্য খুবই ভালো। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে গাজর কিংবা গাজরের জুস খাদ্য তালিকায় রাখুন।

পেঁপে

দারুন মজার সুস্বাদু ফল পেঁপে খেতে কে না ভালবাসে। পেঁপেতে আছে ভিটামিন-সি, এ, ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে ও ত্বককে ব্রন ও ব্লেমিসেস থেকে রক্ষা করে। পেঁপে আপনি খেতেও পারেন অথবা পেস্ট করে ত্বকে লাগাতে পারেন।

টম্যাটো

লাল রঙের তাজা এই জুসি সবজিটিতে আছে লাইকোফেন। ত্বকের জন্য টম্যাটো খুবই ভালো, তাছাড়া টম্যাটো দেহের ওজন কমায় এবং ক্যানসার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

সবুজ পাতার শাকসবজি

সবুজ শাকসবজিতে আছে প্রচুর ভিটামিন যা শুধু ত্বকের জন্যই নয় পুরো দেহের জন্য অনেক ভালো। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন সবজি।

স্ট্রবেরি

স্ট্রবেরিতে আছে ভিটামিন সি যা ত্বককে সুরক্ষা দান করে ও উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।

গ্রিন টি

গ্রিন টি হল একটি হারবাল পানীয় যা ত্বকের জন্য অনেক ভালো। এটি ত্বকের পোড়া দাগ দূর করে, ত্বক নরম রাখে, ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে, ত্বকের গভীর কাল দাগ দূর করে ও ব্লেমিসেস দূর করে।

ব্রকলি

ব্রকলির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন এ ও সি প্রাকৃতিক ভাবেই ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে থাকে।

মাছ

মাছের গুরুত্বপূর্ণ উপদান ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ও বিভিন্ন ভিটামিন ত্বকের জন্য খুবই ভালো। তাই উজ্জ্বল ত্বক পেতে বেশি করে মাছ খাওয়া উচিত।

শুক্রবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৭

খুশকি তাড়াতে কিছু ঘরোয়া সমাধান

খুশকি তাড়াতে ভিনেগার

যা যা লাগবে-
১ কাপ গরম পানি
-১ কাপ হোয়াইট
ভিনেগার -১ টি কাপ
১ টি কাপে গরম পানি আর ভিনেগার নিয়ে ভালোভাবে মিশান। এবার এই মিশ্রণ নিয়ে আপনার চুলের গোঁড়ায় সুন্দর করে লাগিয়ে নিন। এটা লাগিয়ে রাখার ১০ থেকে ২০ মিনিট পর স্বাভাবিক পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। এভাবে আপনি সপ্তাহে এক থেকে দুই বার এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে খুশকি কমে আসবে আশা করি তবে আপনি আপনার চুলে খুশকির উপস্থিতি বুঝে এটি ব্যবহার করুন। আর একটা ব্যাপার মনে রাখবেন আপনার চুলের পরিমাণ বুঝে এই দুই উপাদানের মিশ্রণ কম বেশি ইচ্ছে মতো বানাতে পারেন।

খুশকি তাড়াতে বেকিং সোডা

যা যা লাগবে-
১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা
-১ কাপ গরম পানি
-কয়েক ফোটা রোজমেরি অয়েল(বাধ্যতামূলক নয়)
প্রতি ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডার সাথে ১ কাপ গরম পানি মিশিয়ে তা একটি বোতলে পুরে ভালোভাবে ঝাকিয়ে নিন। রেগুলার শ্যাম্পু করার আগে এই মিশ্রণ দিয়ে আপনার চুল ধুয়ে নিন আবার আপনি চাইলে শ্যাম্পুর সাথে এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিয়ে শ্যাম্পু করতে পারেন। প্রথমে হয়তো এতে আপনার চুল কিছুটা ড্রাই লাগতে পারে কিন্তু আস্তে আস্তে সেটা স্বাভাবিক হয়ে যাবে। আর রোজমেরি তেলটা এখানে অপশনাল। আপনি চাইলে ব্যবহার করতে পারেন আবার না চাইলে করবেন না। তবে রোজমেরি তেল খুশকি তাড়াতে সহায়তা করে তাই আপনি এই মিশ্রণ রেডি করার সময় কয়েক ফোটা তেল নিতেই পারেন।

খুশকি তাড়াতে নিমপাতা

যা যা লাগবে
কমপক্ষে দুই মুষ্টি নিমপাতা
-৪ থেকে ৫ কাপ গরম পানি
দুই মুষ্টি নিমপাতা নিয়ে ৪ থেকে ৫ কাপ গরম পানির মধ্যে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে এই পানি দিয়ে আপনার মাথা ধুয়ে ফেলুন। এভাবে কিছুদিন এটি ব্যবহার করে দেখুন খুশকি চলে যাবে। আপনি চাইলে শুধু নিমপাতা বেটে তা চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টা মতো রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন দেখবেন খুশকি কমে যাবে।

খুশকি তাড়াতে লেবু

যা যা লাগবে-
২ টেবিল চামচ ও ১ চা চামচ ফ্রেশ লেবুর রস -১ কাপ পানি
প্রথমে ২ টেবিল চামচ লেবুর রস আপনার মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন ও ২ থেকে ৫ মিনিট রাখুন। এবার ১ চা চামচ লেবুর রস ও ১ কাপ পানি মিশিয়ে সেটা দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। যতদিন খুশকি পুরোপুরি না যায় ততদিন এভাবে ব্যবহার করুন।

খুশকি তাড়াতে অ্যালোভেরা জেল

শুধু মাত্র অ্যালোভেরা জেল নিয়ে আপনার মাথার ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর চুল ধুয়ে ফেলুন এবং তারও ১৫ মিনিট পর চুল শ্যাম্পু করে ফেলুন। এতেই আপনার মাথায় খুশকির যন্ত্রণা কমে আসবে। এটি আপনার মাথায় খুশকি বুঝে যতদিন ইচ্ছে ফলো করে যান।
চুল খুশকি মুক্ত রাখতে আপনার চুল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন। আর একটা ব্যাপার মনে রাখুন, মাথায় অ্যান্টিডান্ড্রাফ শ্যাম্পু দিয়েই মাথার চুল ধুয়ে ফেলবেন না, মিনিমাম ৫ মিনিট অপেক্ষা করে তারপর চুল ধুয়ে নিন এতে শ্যাম্পু সত্যিকার অর্থে কাজ করবে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭

হায়দ্রাবাদী চিকেন বিরিয়ানি রেসিপি

উপকরণ

বাসমতী চাল ২৫০ গ্রাম,
মুরগি বড় ১টি (পিস করা),
কাঁচামরিচ ১০ টি,
পুদিনা পাতা কুচি আধা কাপ,
ধনেপাতা কুচি আধা কাপ;
ছোট এলাচ ৪টি,
শাহি জিরা আধা চা চামচ,
লবণ আন্দাজমতো,
আদা বাটা ১ চা চামচ,
রসুন বাটা ১ চা চামচ,
লেবুর রস ১ টেবিল চামচ,
জিরা ভাজা গুঁড়া ১ চা চামচ,
কেওড়া জল ১ চা চামচ;
গোলাপ জল ১ চা চামচ;
দুধ ১ লিটার;
জয়ফল-জয়ত্রী ভেজে গুড়া;
তেল/ঘি আধা কাপ,
বাগার পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ,
লেবুর রস ১ টেবিল চামচ,


প্রণালী 

মুরগী পছন্দমত টুকরো করে আধা কাপ টকদই ও ১ চা চামচ লবণ দিয়ে ১ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। তার পর মাংসের সব মশলা দিয়ে ভালো করে কষানো হলে দুধ দিয়ে দমে বসান। একটি হাঁড়ি জ্বারৈ বসিয়ে ওতে অর্ধেকটা ঘি গরম করে বিরিয়ানির জন্য পেঁয়াজ কুচি বাদামি করে ভেজে তুলে নিন।চাল ১ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে পানি ঝরিয়ে নিন।
১ লিটার পানিতে চাল দিয়ে আধাসেদ্ধ করে নিতে হবে।জাফরান আধা কাপ দুধে গুলে নিতে হবে।হাঁড়িতে অর্ধেকাঁ ঘি গরম করে সেদ্ধ ভাত দিয়ে তার ওপর বাগার দিয়ে মুরগির রান দেব। এভাবে দুবার দিয়ে একদম শেষে জাফরান, বাকি ঘি,দুধ,কেওড়া জল,গোলাপ জল, ধনেপাতা কুচি,পুদিনা পাতা কুচি,লেবুর রস,কাঁচামরিচ ও একমুঠো বেরেস্তা ওপরে ছিটিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে সালাদ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন ।

শুক্রবার, ৪ আগস্ট, ২০১৭

চুলের সমস্যা দূর করতে টক দইয়ের হেয়ার প্যাক

১। চুল নরম কোমল করতে
টক দই, নারকেল তেল এবং অ্যালোভেরা জেল ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি চুলে ব্যবহার করুন। ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন।  প্রাণহীন, নির্জীব, রুক্ষ চুলকে নরম, কোমল, এবং ময়োশ্চারাইজ করে তুলবে এই প্যাকটি। নিয়মিত ব্যবহারে এই প্যাকটি চুলের রুক্ষতা দ্রুত দূর করে দেবে।

২। চুল পড়া রোধ
১/৪ কাপ মেথি গুঁড়োর তার সাথে ১ কাপ টক দই মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মাথার তালুসহ সম্পূর্ণ চুলে এই প্যাকটি ব্যবহার করুন। ২ ঘন্টা রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি সপ্তাহে এক বার ব্যবহার করুন।  এই প্যাকটি চুল পড়া রোধ করতে সাহায্য করে।

৩। রুক্ষতা দূর করতে
টকদই, বাদাম তেল এবং একটি ডিম ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি চুলের গোড়া থেকে সম্পূর্ণ চুলে ভাল করে লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর চুল শ্যাম্পু করে ফেলুন। ডিমের পুষ্টি এবং তেলে চুলের রুক্ষতা দূর করে দিয়ে চুল স্লিকি করে তোলে।

৪। খুশকি দূর করতে
মাথার তালুর রুক্ষতা, খুশকি দূর করতে এই প্যাকটি বেশ কার্যকর। তিন টেবিল চামচ অলিভ অয়েল টক দইয়ের সাথে ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এটি মাথার তালুতে ১০ মিনিট চক্রাকারে ম্যাসাজ করে লাগান। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে দুই বার ব্যবহার করুন।

বৃহস্পতিবার, ৩ আগস্ট, ২০১৭

টমেটো সস তৈরীর রেসিপি

উপকরণ:
৩ কাপ ফ্রেশ টমেটো পিউরি
২-৩ টেবিল চামচ চিনি
১ চিমটি আদা গুঁড়ো
১ চিমটি লাল মরিচ গুঁড়ো
১ চিমটি গোল মরিচ
১ চা চামচ ভিনেগার

প্রণালী:
১। একটি নন স্টিক প্যানে টমেটো পিউরি দিয়ে দিন। এটি ১০ থেকে ১৫ মিনিট রান্না করুন। রান্নার সময় ভাল করে নাড়তে থাকুন।
২। ঘন হয়ে আসলে টমেটো পিউরি নামিয়ে ফেলুন
৩। এরপর আরকেটি প্যানে পিউরি, চিনি দিয়ে ভাল করে নাড়তে থাকুন।
৪। চিনি গলে সস ঘন হয়ে আসলে চুলার আঁচ কমিয়ে দিন।
৫। সস ঘন হয়ে আসলে এতে আদা গুঁড়ো, লাল মরিচ গুঁড়ো, গোলমরিচ দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন।
৬। এটি ২ থেকে ৩ মিনিট রান্না করুন।
৭। ঘন হয়ে আসলে চুলা নিভিয়ে দিন।
৮। শেষে ভিনেগার দিয়ে দিন। এটি প্রিজারভেটিভ হিসেবে কাজ করে থাকবে।
৯। ব্যস তৈরি হয়ে গেল বাজারের মত টমেটো কেচাপ।

বুধবার, ২ আগস্ট, ২০১৭

মধু-পানি পানের স্বাস্থ্য উপকারিতা

১। ওজন হ্রাস করতে
ওজন কমাতে মধু পানি জাদুর মত কাজ করে।  প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস কসুম গরম পানিতে এক চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এবার এটি পান করুন। এর সাথে আপনি চাইলে লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি আপনার পেটের চর্বি কমাতে সাহায্য করবে।

২। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
প্রতিদিন এক গ্লাস মধু পানি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান শরীরকে সবল রাখে এবং যেকোন ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে।

৩। অ্যালার্জি দূর করে
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মধু পানি পানে দেহের পোলেন অংশগুলো যেখানে অ্যালার্জি রয়েছে সেসকল স্থানে এক ধরণের প্রতিরক্ষা পর্দা সৃষ্টি করে যা অ্যালার্জির যন্ত্রণা দূর করে দেয়।

৪। হজমশক্তি বৃদ্ধি করে
মধুতে এনজাইম আছে যা খাবার হজম করতে সাহায্য করে। যদি আপনার হজমে সমস্যা থাকে তবে খাওয়ার পর এক গ্লাস কুসুম গরম মধু পানি পান করুন, দেখবেন হজমের সমস্যা দূর হয়ে গেছে।

৫। হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
দারুচিনি এবং মধুর মিশ্রণ হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। এটি রক্তে কোলেস্টে্রলের মাত্রা ১০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক টেবিল চামচ মধু এবং এক চামচ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে প্রতিদিন পান করুন।

৬। কোষ্টকাঠিন্য প্রতিরোধে
শরীরে পানির অভাব দেখা দিলে কোষ্টকাঠিন্য দেখা দেয়। এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে মধু মিশিয়ে পান করুন। এটি সকালে খালি পেটে একবার এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে একবার পান করুন। এটি আপনার কোষ্টকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে সাহায্য করবে।

৭। এনার্জি বৃদ্ধিতে
দুর্বলতা অনুভব করছেন? তাহলে তাৎক্ষনিক এক গ্লাস মধু পানি পান করুন। শরীরে চিনির মাত্রা কমে গেলে দুর্বলতা অনুভব হয়। মধু পানি শরীরে পানির পরিমাণ বজায় রেখে শরীরের এনার্জি বৃদ্ধি করে।

মঙ্গলবার, ১ আগস্ট, ২০১৭

অল্প খরচে নিজেকে ফ্যাশনেবল রাখার টিপস

১। দীর্ঘদিন মাশকারা ব্যবহার করা

অনেক দিন মাশকারা ব্যবহার করা না হলে মাশকারা শুকিয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে অলিভ অয়েল এবং লবণ মিশ্রত পানি মাশকারার বোতলে ঢালুন। তারপর এক কাপ গরম পানির ভিতরে মাশকারার বোতলটি কয়েক মিনিট ডুবিয়ে রাখুন।

২। মেকআপ রিমুভার

মেকআপ রিমুভারের পরিবর্তে ঘরোয়া উপায়ে মেকআপ তুলতে পারেন। মেকআপ তোলার জন্য বেবি অয়েল, বেবি শ্যাম্পু, অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। এই উপাদান গুলো আপনার ঘরেই থাকে আর এইগুলো মেকআপ তুলতে বেশ কার্যকরী।

৩। হোম স্প্রা ট্রিটমেন্ট

পার্লারে স্প্রা ট্রিটমেন্ট করার জন্য কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করছেন? ঘরে সবচেয়ে সস্তা স্প্রা ট্রিটমেন্ট করার উপায়টি কি জানেন? দিনের শুরুতে কসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করুন। গোসলের শেষে ঠান্ডা পানিতে ১৫ সেকেন্ড দাঁড়িয়ে থাকুন। এইকাজটি দুইবার করুন। এই পদ্ধতিতে গোসল করাতে শরীর সম্পূর্ণভাবে হাইড্রেট হয়ে থাকে। এর সাথে এটি আপনার ত্বক পুনরুজ্জীবিত করে আপনাকে ভিতর থেকে গ্লো করে থাকে। বাইরের দেশে এই স্পা ট্রিটমেন্টের দাম ৯৫ ডলার!

৪। ব্রণ দূর করুন ঘরোয়া প্যাকে

পার্লারের ব্রণের ট্রিটমেন্ট না করে ঘরোয়া প্যাক ব্যবহার করে দূর করতে পারেন ব্রণ। Janice Cox, Author of Natural Beauty at Home (Henry Holt & Company) এমন একটি ব্রণ রোধের প্যাকের কথা জানিয়েছেন। ১/৪ কাপ স্ট্ররবেরী, ১/৪ কাপ টক দই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। তারপর পানি দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। স্ট্ররবেরীতে স্যালিক এসিড আছে যা ব্রণ দূর করে থাকে ত্বক থেকে।

৫। পুরাতন লিপস্টিক ব্যবহার

আপনার যদি অনেকগুলো লিপিস্টিক থাকে, তবে আপনি নতুন লিপিস্টিক না কিনে পুরাতন লিপস্টিক দিয়ে নতুন রং-এর লিপস্টিক তৈরি করে নিতে পারেন। পুরাতন লিপস্টিক মাইক্রো ওয়েভে গলিয়ে নিন, তারপর এতে লিপবাম মিশিয়ে নিন। আর দেখুন সম্পূর্ণ নতুন একটি লিপস্টিক তৈরি হয়ে গেছে।

৬। মুখের দাগ ঢেকে ফেলুন খুব সহজে

প্রথমে এক থেকে দুই শেডে হালকা কনসিলার মুখের কালো দাগের ওপর ঘষুন। তারপর ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন। Jessica LiebeskindNew York City-based makeup artist বলেন কনসিলার ত্বকের দাগ হালকা করে আর ফাউন্ডেশন সেটা ত্বকের সাথে ভাল করে মিশিয়ে দেয়। কনসিলার ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ব্রাশের পরিবর্তে আঙুল ব্যবহার করলে কিছুটা কম কনসিলার ব্যবহার করা হয়।

৭। মৌসুমবিহীন কেনাকাটা বাঁচিয়ে দেবে টাকা

গরম কালে শীতকালের কাপড় কিনে রাখুন। কিংবা শীতের শেষের দিকে কিনে রাখতে সামনের শীতের জন্য শীতের কাপড় এতে টাকা অনেক কম পাবেন। আবার অনেক সময় অনেক দোকানে ছাড় থাকে এই সময়ে।

৮। ত্বকের রুক্ষতা দূর করবে কলা

১/২ টা পাকা কলা অথবা অ্যাডোকোডা ম্যাশ করুন। তারপর এটি মুখে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

সোমবার, ৩১ জুলাই, ২০১৭

গোলমরিচের নানা উপকারিতা

১/শীতের সময় সর্দি-কাশির সমস্যা খুবই সাধারন। শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে গোলমরিচ।

২/এছাড়াও জ্বরের সময় ঘাম ঝরিয়ে জ্বর কমাতে সাহায্য করে গোলমরিচ। গলা ব্যাথা কমাতেও গোলমরিচ বেশ কার্যকর। তাই ঠাণ্ডা লাগলে এক বাটি গরম সুপে ছিটিয়ে দিন টাটকা গোলমরিচের গুঁড়ো।

৩/গোলমরিচে উপস্থিত পিপেরিন নামক উপাদান স্কিন ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

৪/গোলমরিচের পিপেরিন শরীরের নিউট্রিশন অ্যাবজর্ব করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৫/গোলমরিচ ফ্যাট সেল ভেঙে ওজন কমাতে সাহায্য করে। এর সাথে সাথে গোলমরিচ অতিরিক্ত ক্যালরি বার্ন করার জন্য এনার্জিও সরবরাহ করে।

৬/মুখের অরুচি দূর করতে আয়ুর্বেদে গোলমরিচ খেতে বলা হয়। এজন্য আধা চাচামচ গোলমরিচ গুঁড়োর সাথে এক টেবিল চামচ গুড় মিশিয়ে খেতে হবে।

৭/খাবার হজমেও সাহায্য করে গোলমরিচ। গোলমরিচ জিভের টেস্টবাডসগুলোকে সক্রিয় করে বলে পাকস্থলি থকে হাইড্রোক্লরিক এসিড নিঃসৃত হয়ে খাবার হজমে সাহায্য করে।

৮/গ্যাস্ট্রিক বা পেট ফাঁপার সমস্যা থাকলে খাবারে শুকনো মরিচের ব্যবহার কমিয়ে গোলমরিচ ব্যবহার করুন। এছাড়াও একচিমটি জিরে গুঁড়ো, গোলমরিচ গুঁড়ো ও বিটলবন মিশিয়ে খেতে পারেন। তারপরে অবশ্যই এক গ্লাস পানি খেতে হবে।

৯/গোলমরিচে রয়েছে ডায়রিয়া, কলেরা ও আথ্রাইটিস প্রতিরোধের ক্ষমতা। এটি সারকুলেশন বৃদ্ধি করে জয়েন্ট পেইন কমাতে সাহায্য করে।

১০/গোলমরিচের পিপেরিন সেরেটোনিন বৃদ্ধি করে বলে এটি ডিপ্রেশন কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। পিপেরিন ব্রেনের বেটা-এন্ডরফিন্স বৃদ্ধি করারসাথেসাথে মেনটাল ক্ল্যারিটি বৃদ্ধি করে। তাছাড়াও এন্ডরফিন প্রাকৃতিক পেইন কিলার ও মুড এলিভেটর হিসেবেও কাজ করে। এতে করে স্ট্রেস ও টেনশন দূর হয়।

১১/দাঁতে ব্যাথা, মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া, মুখের দুর্গন্ধ এসবের প্রাকৃতিক চিকিৎসা হিসেবে খেতে পারেন গোলমরিচ। পানির মধ্যে গোলমরিচ ভালো করে ফুটিয়ে নিয়ে, পানিটা ঠাণ্ডা করে নিন। এরপরে এই পানি দিয়ে কুলকুচি করুন।

১২/গোলমরিচে থাকা প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেনট প্রি-ম্যাচিউর স্কিন এজিং যেমন- ফাইন লাইন, রিঙ্কল, ডার্ক স্পট প্রতিরোধ করে। তাই দামি ব্র্যান্ডের কসমেটিক্স এর পেছনে গাদা গাদা টাকা খরচ না করে আপনার প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় রাখুন গোলমরিচ।

১৩/শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন বের করতে সাহায্য করে গোলমরিচ।
রান্নায় গোলমরিচ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে জেনে নিন কয়েকটি ঝটপট উপায়।

১৪/স্টেক জাতীয় খাবার কোটিং এর সময় একটু গোলমরিচ ছিটিয়ে দিন এক্সট্রা ক্রাঞ্চের জন্য।

১৫/অলিভ অয়েল, গোলমরিচ, লেবু আর এক চিমটি লবন মিশিয়ে বানাতে পারেন দারুন স্বাদের সালাদ ড্রেসিং।

১৬/খাবার টেবিলেই রাখুন একটি মিনি গ্রিনডার আর খাবারে ছিটিয়ে দিন টাটকা গোলমরিচ গুঁড়ো।
তাহলে জানলেন তো গোলমরিচের নানা গুনের কথা। এবার আর দেরি না করে আজ থেকেই খাবারের মেনুতে যোগ করুন গোলমরিচ। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

রবিবার, ৩০ জুলাই, ২০১৭

আমড়ার চাটনি রেসিপি

যা যা লাগবে
আমড়ার ২ কাপ,
-সরিষার তেল আধা কাপ,
-মরিচ গুঁড়া আধা চামচ,
-চিনি স্বাদমতো,
-হলুদ গুঁড়া সামান্য,
-আস্ত পাঁচফোড়ন ১ চা চামচ,
-শুকনামরিচ স্বাদমতো,
-তেজপাতা ১টি,
-ভিনেগার ৩ টেবিল চামচ,
-লবণ স্বাদমতো।

যেভাবে করবেন
-আমড়া টুকরো করে প্রেশার কুকারে নিয়ে হলুদ ও লবণ দিয়ে সেদ্ধ করে নিন।
-সেদ্ধ হলে পানি ছেঁকে নিতে হবে।
-চালনি দিয়ে চেলে আমড়ার আঁশ বাদ দিয়ে ক্বাথ আলাদা করতে হবে।
-প্যানে তেল গরম করে আস্ত পাঁচফোড়ন, শুকনামরিচ, তেজপাতা ভাঁজতে থাকুন।
-পাঁচফোড়ন ফুটতে শুরু করলে আমড়ার ক্বাথ দিয়ে একে একে মরিচ গুঁড়া, চিনি, স্বাদমতো লবণ ও ভিনেগার দিয়ে নাড়তে থাকুন।
-তেল ছেড়ে আসলে নামিয়ে আনলেই হল সুস্বাদু আমড়ার চাটনি।
-ঠাণ্ডা করে বয়ামে ভরে রাখুন, আবার ফ্রিজেও রাখতে পারেন।

শনিবার, ২৯ জুলাই, ২০১৭

ত্বকের যত্নে কমলার তৈরী কার্যকরী ফেসপ্যাক

কমলা, মধু ও হলুদ

ত্বকের ক্লান্তি দূর করতে পারে এই ফেসপ্যাক। ১ টেবিল চামচ কমলার রসের সঙ্গে ১ চা চামচ মধু ও ১ চিমটি হলুদ মেশান। ভালো করে পেস্ট তৈরি করে ত্বকে লাগান। আধা ঘণ্টা পর ধুয়ে মুছে নিন ত্বক।

কমলার খোসা গুঁড়া ও দই

এই ফেসপ্যাক ত্বকের রুক্ষতা দূর করে নরম ও কোমল করে ত্বক। প্রথমেই কমলার খোসা রোদে শুকিয়ে গুঁড়া করে নিন। ১ চা চামচ কমলার খোসা গুঁড়ার সঙ্গে ১ টেবিল চামচ ঠাণ্ডা দই মেশান। ভালো করে নেড়ে পেস্ট তৈরি করুন। পাতলা করে ত্বকে লাগান ফেসপ্যাকটি। আধা ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন।

কমলার খোসা গুঁড়া ও দুধ

ত্বকের ভেতর থেকে ময়লা দূর করার পাশাপাশি ব্রণ দূর করতেও সাহায্য করবে এই ফেসপ্যাক। ১ টেবিল চামচ কমলার খোসা গুঁড়ার সঙ্গে দুধ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মিশ্রণটি পরিষ্কার ত্বকে লাগিয়ে রাখুন না শুকানো পর্যন্ত। শুকিয়ে গেলে সামান্য পানি ছিটিয়ে স্ক্রাব করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ত্বক।

কমলার খোসা গুঁড়া, গোলাপজল ও চন্দন

রোদে পোড়া দাগ দূর করতে খুবই কার্যকর এই ফেসপ্যাক। ১ চা চামচ কমলার খোসা গুঁড়ার সঙ্গে সমপরিমাণ চন্দন গুঁড়া মেশান। গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। নরম ব্রাশের সাহায্যে পাতলা করে মুখ ও গলার ত্বকে লাগান মিশ্রণটি। ২০ মিনিট পর ত্বক ধুয়ে মুছে নিন।

কমলার রস, আখরোট ও ওট

মরা চামড়া দূর করে ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর করতে ব্যবহার করতে পারেন এই ফেসপ্যাক। ১ চা চামচ আধা-ভাঙা আখরোট ও ১ চা চামচ ওট গুঁড়ার সঙ্গে পরিমাণ মতো কমলার রস মিশিয়ে তৈরি করুন পেস্ট। ত্বকে ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন মিশ্রণটি। ২ মিনিট স্ক্রাব করে ত্বক ধুয়ে মুছে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।

শুক্রবার, ২৮ জুলাই, ২০১৭

মোরগ পোলাও রেসিপি

উপকরন

পোলাওচাল ৩ কাপ
পানি ৬ কাপ
গুড়া দুধ ১/২ কাপ ( গুঁড়া দুধ না দিলে ৫ কাপ পানি র ১ কাপ তরল দুধ দিবেন )
কাঁচামরিচ ১০-১২ টি
তেজপাতা ১ টি
দারচিনি ছোট ২ টুকরা
এলাচ ২ টি টি
আস্ত জিরা ১/৪ চামচ
চিনি ১ টে চামচ
লেবুর রস ১ চা চামচ
পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ মুঠো
লবন স্বাদমত
কেওড়া জল সামান্য- ঐচ্ছিক

মাংসের জন্য লাগবে

মুরগীর মাংস ৮-১০ পিস (আমি ৩টা থাইসহ চিকেন লেগ নিয়েছি)
মিষ্টি দই ১ কাপ
পেঁয়াজ কুচি মাঝারি ১ টি
আদাবাটা ৩ টে চামচ
পেয়াজ বাটা ৫ টে চামচ
রসুন বাটা ২ টে চামচ
কাঁচামরিচ বাটা ২ চা চামচ
গরম মশলা গুড়া ১/২ চা চামচ (গরম মশলার রেসিপি )
ঘি ১/৩ কাপ
তেল ১/৩ কাপ
( আমি সাথে ২ টা সেদ্ধ ডিম দিয়েছিলাম। আপনারা চাইলে দিতে পারেন )

প্রনালি

১। আপনি আপনার পছন্দ মতো মাংস কেটে নিতে পারেন। চাইলে ছোট করে কেটে বা বড় বড় পিস্ ও রাখতে পারেন। প্রথমে মাংস টাকে ১ চামচ করে আদা, রসুন, পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ বাটা এবং দই,পরিমান মত লবন দিয়ে কমপক্ষে ১০-১৫ মিনিত মেখে রাখুন। বাকিটা আমরা পরে দিবো। সাথে একটা বাটিতে চাল ও ৪ কাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন মোটামুটি ২৫ থেকে ৩০ মিনিটের জন্য। পরে পানি ঝরিয়ে রাখবেন। চাল যদি ভিজিয়ে রাখেন তাতে সুবিধা হলো রান্নার পর ভাত গুলা লম্বা ও ঝরঝরা হয়। ঘি ও তেল একসাথে গুলিয়ে রাখুন।

২। কড়াইতে তেল ও ঘিয়ের মিশ্রণ অর্ধেকটা গরম করে তাতে পেঁয়াজকুচি দিয়ে সোনালী করে ভেজে নিন তারপর এতে বাকি যে বাটা ও গুড়া মশলা ছিল তা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। মশলা থেকে তেল বের হয়ে গেলে এতে মাংস দিয়ে আবার কষান ৪-৫ মিনিট । এই সময়েই মাংস থেকে বের হওয়া পানিতেই মাংস অর্ধেক সেদ্ধ হয়ে যাবে। তারপর এক কাপ পানি দিয়ে আঁচ মাঝারি করে ঢেকে দিন। পানি শুকিয়ে ঝোল গাঢ় ও তেল উপরে উঠলে নামিয়ে নিতে হবে। যদি ডিম দিতে চান তো মাংস নামানোর মিনিট দুয়েক আগে দিলেই চলবে।

৩। মাংস হতে থাক এই ফাঁকে চাল টা ভুনে নিন। হাড়িতে ঘি+তেলের বাকি মিশ্রন দিয়ে তাতে জিরা, তেজপাতা ও বাকি গোটা গরম মশলা ফোঁড়ন দিয়ে চাল যোগ করুন। তারপর মিনিট ২-৩ ধরে ভুনে পানি, গুড়া দুধ ও লবন দিন। পানিটা আগে থেকে গরম করা থাকলে ভালো হয়। বলোক আসার আগে পর্যন্ত চাল চামচ দিয়ে ধীরে ধীরে নাড়তে থাকুন তাহলে তেল ও ঘি চালের সাথে মিশে যাবে। চাল আধফোটা হলে লবন চেক করে নিন। যদি এই পর্যায়ে লবন ঠিক থাকে তাহলে রান্নার পর আলুনি লাগবে। তাই এই পর্যায়ে লবণতা চড়া হলে রান্নার পর দেখবেন পারফেক্ট লবন হয়েছে।

৪। চাল যখন ৮০ % সেদ্ধ হয়ে যাবে ও পানি টেনে আসবে তখন এর উপর দিয়ে কাঁচামরিচ, বেরেস্তা, ও ঝোলসহ মাংস ঢেলে সমান করে বিছিয়ে দিন। চাইলে কয়েকটা কাজু বাদাম ও কেওড়া জল দিতে পারেন। তারপর আঁচ একদম ঢিমে করে দিয়ে ভালকরে ঢেকে দমে দিয়ে দিন দিন। ২০ মিনিট পর ঢাকনা খুলে লেবুর রস ছড়িয়ে সবকিছু হাল্কা করে মিশিয়ে নামিয়ে নিন। সালাদ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন। আমি সাথে ঘরে পাতা দই ও রুই মাছের কাবাব দিয়ে পরিবেশন করেছিলাম।

বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই, ২০১৭

ঘরেই করে নিন হারবাল ফেসিয়াল

১ম ধাপ- ত্বক পরিস্কার করুন-

প্রথমেই ত্বক পরিষ্কার করে নিন ভালো করে। কোনো সাবান বা ফেস ওয়াস দিয়ে নয়। পানির ঝাপটা দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এরপর এক টুকরো টমেটো ত্বকে ঘষে নিয়ে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের উপরভাগের ময়লা দূর হবে।

২য় ধাপ- ত্বক স্ক্রাব করুন-

প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের স্ক্রাবার তৈরি করে স্ক্রাব করে নিন। একটি বাটিতে আধ কাপ নারিকেল তেল নিয়ে এতে ২ টেবিল চামচ চিনি ও ১ টেবিল চামচ লেবুর রস দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে আঙ্গুলে ডগা দিয়ে হালকা করে ম্যাসাজ করে নিন ১০ মিনিট। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ভালো করে।

৩য় ধাপ- ত্বকে লাগান ফেইস প্যাক-

ত্বকে ঘরে তৈরি একটি ফেইস প্যাক লাগিয়ে ফেলুন। একটি বাটিতে একটি পাকা কলা নিয়ে কাঁটা চামচ দিয়ে পিষে নিন। এতে একটি গোটা টমেটোর রস চিপে দিন। এরপর এতে যোগ করুন ১ চা চামচ অলিভ অয়েল। ভালো করে মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এটা মুখে লাগিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিট। এই সময়ে চোখে শসার কুচি দিয়ে শুয়ে থাকতে পারেন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে হালকা ঘষে তুলে ফেলুন। ও মুখ ভালো করে ধুয়ে মুছে ফেলুন।

৪র্থ ধাপ- ত্বকে লাগান টোনার-

মুখ মুছে ফেলে ত্বকে টোনার লাগান। এটাও প্রাকৃতিক উপাদান দিয়েই করে ফেলুন। কাঁচা দুধে একটি তুলোর বল ডুবিয়ে নিয়ে ত্বকে ঘষুন। ত্বক পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। এবং ত্বক মুছে ফেলুন।

৫ম ধাপ- ত্বকে ময়েসচারাইজার ম্যাসাজ করুন-

এই ধাপে একটি ভালো ময়েসচারাইজার ব্যবহার করতে হবে। প্রাকৃতিক সবচেয়ে ভালো ময়েসচারাইজার হচ্ছে অলিভ অয়েল এবং বাটার। ১ চা চামচ অলিভ অয়েল কিংবা বাটার হাতে নিয়ে ১০ মিনিট মুখে ভালো করে ম্যাসাজ করুন। ব্যস হয়ে গেল আপনার ফেসিয়াল করা। মাসে বেশ কয়েক বার করতে পারেন এই ফেসিয়াল। কারন এতে ত্বকে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হবে না। বরং ত্বক থাকবে সুন্দর ও স্বাস্থ্য উজ্জ্বল।

বুধবার, ১২ জুলাই, ২০১৭

ফুচকা তৈরির সহজ রেসিপি

মচমচে পুরি তৈরি

• আটা বাঁ ময়দা : ১/২কাপ
• মিহি সুজি : ১/২কাপ
• লবন : ১/৪ চা চামচ
• বেকিং সোডা বা খাবার সোডা : সামান্য পরিমানে বা ১/৪ চাম্মচ থেকেও কম
• পানি : ১/২ কাপ বা কম

পানি বাদে সব উপকরন মিশিয়ে নিন ।
অল্প অল্প করে পানি মিশিয়ে কিছুটা নরম খামির বানিয়ে নিন।খামির কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখুন ৩০ মিনিট ।
খামির ৩ ভাগ করে নিন ।
একভাগ নিয়ে পিড়িতে ময়দা ছিটিয়ে আস্তে আস্তে কিছুটা পাতলা রুটি বানিয়ে নিন ।
বোতলের ঢাকনা বাঁ গোল কোন কাটার দিয়ে ছোট ছোট পুরি কেটে নিন ।
পুরিগুলো ভেজা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখুন ।
কড়াইতে তেল দিয়ে গরম করে নিন ।
ফুটন্ত তেলে পুরি ছেড়ে চামচ দিয়ে চেপে ধরুন ।
পুরি ফুলে উঠলে মাঝারি আচে বাদামি করে ভাজুন ।
তেল ফুটন্ত হতে হবে নয়ত পুরি ফুলবেনা ।
ঠান্ডা করে এয়ার টাইট জারে রাখুন ।
১৫ দিনও ভালো থাকবে এটি ।

পুর তৈরি

• আলু : ২কাপ ( সিদ্ধ ও ভর্তা করা )
• কাচামরিচ কুচি : ১ টেবিল চামচ
• ধনেপাতা কুচি : ২ টেবিল চামচ
উপরের সব উপকরন এক সাথে মিশিয়ে নিন ।

জিরা পানি তৈরি

• তেতুলের কাথ : ৩ টেবিলচামচ
• পানি : ১কাপ
• ভাজা জিরা গুড়ো : ১ টেবিলচামচ
• টালা শুকনা মরিচ গুড়ো : ১ টেবিল চামচ বা ইচ্ছেমতো
• চিনি : ২ টেবিল চামচ
• বিট লবন : পরিমানমত
উপরের সব উপকরন এক সাথে মিশিয়ে নিন ।
এখন এক টি করে ফুচকা নিয়ে একপাশে কিছুটা ভেংগে নিন । ভেতরে পুর দিয়ে জিরা পানি দিয়ে পরিবেশন করুন । চাইলে ঝুরিভাজা ছিটিয়ে নিন ।

টিপস

ফুচকাগুলো ফুলে উঠার জন্য অবশ্যই তেল ফুটন্ত হতে হবে আর পুরিগুলো কাটার সাথেসাথে তেলে ছাড়তে হবে নতুবা ভেজা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখুন।নয়ত পুরি ফুলবেনা ।
ফুচকা ফুলার জন্য বা ক্রিস্পি হয়ার জন্য তালমাখানা জরুরী না ।

মঙ্গলবার, ১১ জুলাই, ২০১৭

মোরগ পোলাও রেসিপি

উপকরন

পোলাওচাল ৩ কাপ
পানি ৬ কাপ
গুড়া দুধ ১/২ কাপ ( গুঁড়া দুধ না দিলে ৫ কাপ পানি র ১ কাপ তরল দুধ দিবেন )
কাঁচামরিচ ১০-১২ টি
তেজপাতা ১ টি
দারচিনি ছোট ২ টুকরা
এলাচ ২ টি টি
আস্ত জিরা ১/৪ চামচ
চিনি ১ টে চামচ
লেবুর রস ১ চা চামচ
পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ মুঠো
লবন স্বাদমত
কেওড়া জল সামান্য- ঐচ্ছিক

মাংসের জন্য লাগবে

মুরগীর মাংস ৮-১০ পিস (আমি ৩টা থাইসহ চিকেন লেগ নিয়েছি)
মিষ্টি দই ১ কাপ
পেঁয়াজ কুচি মাঝারি ১ টি
আদাবাটা ৩ টে চামচ
পেয়াজ বাটা ৫ টে চামচ
রসুন বাটা ২ টে চামচ
কাঁচামরিচ বাটা ২ চা চামচ
গরম মশলা গুড়া ১/২ চা চামচ (গরম মশলার রেসিপি )
ঘি ১/৩ কাপ
তেল ১/৩ কাপ
( আমি সাথে ২ টা সেদ্ধ ডিম দিয়েছিলাম। আপনারা চাইলে দিতে পারেন )

প্রনালি

১। আপনি আপনার পছন্দ মতো মাংস কেটে নিতে পারেন। চাইলে ছোট করে কেটে বা বড় বড় পিস্ ও রাখতে পারেন। প্রথমে মাংস টাকে ১ চামচ করে আদা, রসুন, পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ বাটা এবং দই,পরিমান মত লবন দিয়ে কমপক্ষে ১০-১৫ মিনিত মেখে রাখুন। বাকিটা আমরা পরে দিবো। সাথে একটা বাটিতে চাল ও ৪ কাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন মোটামুটি ২৫ থেকে ৩০ মিনিটের জন্য। পরে পানি ঝরিয়ে রাখবেন। চাল যদি ভিজিয়ে রাখেন তাতে সুবিধা হলো রান্নার পর ভাত গুলা লম্বা ও ঝরঝরা হয়। ঘি ও তেল একসাথে গুলিয়ে রাখুন।

২। কড়াইতে তেল ও ঘিয়ের মিশ্রণ অর্ধেকটা গরম করে তাতে পেঁয়াজকুচি দিয়ে সোনালী করে ভেজে নিন তারপর এতে বাকি যে বাটা ও গুড়া মশলা ছিল তা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। মশলা থেকে তেল বের হয়ে গেলে এতে মাংস দিয়ে আবার কষান ৪-৫ মিনিট । এই সময়েই মাংস থেকে বের হওয়া পানিতেই মাংস অর্ধেক সেদ্ধ হয়ে যাবে। তারপর এক কাপ পানি দিয়ে আঁচ মাঝারি করে ঢেকে দিন। পানি শুকিয়ে ঝোল গাঢ় ও তেল উপরে উঠলে নামিয়ে নিতে হবে। যদি ডিম দিতে চান তো মাংস নামানোর মিনিট দুয়েক আগে দিলেই চলবে।

৩। মাংস হতে থাক এই ফাঁকে চাল টা ভুনে নিন। হাড়িতে ঘি+তেলের বাকি মিশ্রন দিয়ে তাতে জিরা, তেজপাতা ও বাকি গোটা গরম মশলা ফোঁড়ন দিয়ে চাল যোগ করুন। তারপর মিনিট ২-৩ ধরে ভুনে পানি, গুড়া দুধ ও লবন দিন। পানিটা আগে থেকে গরম করা থাকলে ভালো হয়। বলোক আসার আগে পর্যন্ত চাল চামচ দিয়ে ধীরে ধীরে নাড়তে থাকুন তাহলে তেল ও ঘি চালের সাথে মিশে যাবে। চাল আধফোটা হলে লবন চেক করে নিন। যদি এই পর্যায়ে লবন ঠিক থাকে তাহলে রান্নার পর আলুনি লাগবে। তাই এই পর্যায়ে লবণতা চড়া হলে রান্নার পর দেখবেন পারফেক্ট লবন হয়েছে।

৪। চাল যখন ৮০ % সেদ্ধ হয়ে যাবে ও পানি টেনে আসবে তখন এর উপর দিয়ে কাঁচামরিচ, বেরেস্তা, ও ঝোলসহ মাংস ঢেলে সমান করে বিছিয়ে দিন। চাইলে কয়েকটা কাজু বাদাম ও কেওড়া জল দিতে পারেন। তারপর আঁচ একদম ঢিমে করে দিয়ে ভালকরে ঢেকে দমে দিয়ে দিন দিন। ২০ মিনিট পর ঢাকনা খুলে লেবুর রস ছড়িয়ে সবকিছু হাল্কা করে মিশিয়ে নামিয়ে নিন। সালাদ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন। আমি সাথে ঘরে পাতা দই ও রুই মাছের কাবাব দিয়ে পরিবেশন করেছিলাম।

সোমবার, ১০ জুলাই, ২০১৭

কপালে ব্রন থেকে মুক্তির উপায়

১) লেবুর রসের ব্যবহার

ব্রণ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চাইলে লেবুর রসের চাইতে সহজ সমাধান অন্য কোথাও নেই। কয়েক ফোঁটা লেবুর রসই কপালের ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সক্ষম যদি আপনি নিয়মিত ব্যবহার করে যেতে পারেন। রাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে তাজা লেবুর রস ব্রণের উপরে লাগিয়ে ঘুমিয়ে যান। সকালে ত্বক ভালো করে ধুয়ে নিন।
লেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া জনিত ব্রণ সমস্যার সমাধান করবে, এছাড়াও লেবু তৈলাক্ততা দূর করতে কার্যকরী বলে তৈলাক্ত মাথার ত্বকের কারণে ব্রণ হওয়ার সমস্যা সমাধান করবে। তবে আপনার ত্বক লেবুর কারণে অ্যালার্জি প্রবণ হয় তাহলে ব্যবহার না করাই ভালো’।

২) সরিষা গুঁড়ো ও মধুর ব্যবহার

যদি এক রাতের মধ্যে কপালের এই বিরক্তিকর ব্রণ দূর করতে চান তাহলে খুব ভালো উপায় হচ্ছে সরিষাগুঁড়ো। সরিষাগুঁড়োতে রয়েছে স্যালিসাইলিক এসিড যা খবুই কার্যকরী ব্রণ সমস্যা সমাধানে। কিছু সরিষা দানা নিয়ে গুঁড়ো করে এতে মধু ভালো করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাক ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন ব্রণের উপরে। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে নিন এবং ঘুমুতে চলে যান। সকালে ব্রণের ফোলাভাব অনেকটা কমতে দেখবেন।

৩) টমেটোর ব্যবহার

কপালের ব্রণ সমস্যা সমাধানে টমেটোও অনেক কার্যকরী। এর জন্য আপনাকে কিছুই করতে হবে না, শুধুমাত্র একটি টমেটো কেটে স্লাইস করে নিয়ে, একটি স্লাইস দিয়ে ব্রণের উপরটা ঘষে নিন। এভাবে দিনে দুবার করুন। দেখবেন কপালের ব্রণের ঝামেলাটা কিছুদিনের মধ্যেই মিলিয়ে যাবে।

রবিবার, ৯ জুলাই, ২০১৭

চিকেন রেজালা তৈরির রেসিপি

উপকরণ

৭ সে.মি আদা কুচি
৫টি লবঙ্গ
১ চা চামচ সাদা গোল মরিচ গুঁড়ো
লবণ
৮টি মুরগির টুকরো

বাদামের পেস্ট

১ টেবিল চামচ কাজুবাদাম
১ চা চামচ সাদা পেঁপের বিচ

সস তৈরির জন্য

২ টেবিল চামচ ঘি
৪টি এলাচ
দারুচিনি
১ চা চামচ কালো গোলমরিচ
১ চা চামচ ধনিয়া
৩টি পেঁয়াজ কুচি
৩টি তেজপাতা
৪টি লবঙ্গ
৩টি কাঁচা মরিচ
৩-৪ টেবিল চামচ টকদই
২ চা চামচ চিনি (ইচ্ছা)
১/২ টেবিল চামচ গোলাপজল
এক চিমটি জাফরান
১ লিটার দুধ

সাজানোর জন্য

২ টেবিল চামচ তেল
১/২টা পেঁয়াজের রিং
৪টি শুকনো লাল মরিচ
লবণ
ধনিয়া

প্রণালী

১। একটি পাত্রে মুরগির মাংস, লবণ, সাদা গোল মরিচ গুঁড়ো, আধা চা চামচ আদা রসুনের পেস্ট এবং দুই টেবিল চামচ টকদই একসাথে মিশিয়ে এক ঘন্টা মেরিনেট করে রাখুন।

২। ব্লেন্ডারে কাজুবাদাম এবং পেঁপের বীজ একসাথে ব্লেন্ড করে পেস্ট তৈরি করুন। প্রয়োজনে এতে কিছুটা পানি মেশান।

৩। একটি প্যানে ঘি গরম করতে দিন। ঘি গরম হয়ে এলে এতে কালো গোলমরিচ, এলাচ, লবঙ্গ, দারুচনিন, তেজপাতা এবং ধনিয়া দিয়ে দিন।

৪। সবগুলো উপাদান ৩০ সেকেন্ড ভাজুন। এরপর এতে কাঁচা মরিচ, কাজুবাদাম এবং পেঁপের বীচের পেস্ট দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন।

৫। টকদই দিয়ে আবার কিছুক্ষণ নাড়ুন। এরপর সসের মধ্যে মুরগির মাংসের টুকরোগুলো দিয়ে দিন।

৬। ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ৩০-৪০ মিনিট রান্না করুন।

৭। মুরগি সিদ্ধ হয়ে এলে এতে জাফরান দুধ, চিনি, গোলাপজল দিয়ে দিন। যদি কিছুটা ঝোল রাখতে চান তবে এরসাথে কিছুটা গরম পানি মেশাতে পারেন।

৮। লাল শুকনো মরিচ এবং পেঁয়াজ বেরেস্তা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার চিকেন রেজালা।

শনিবার, ৮ জুলাই, ২০১৭

ঘরেই তৈরি করুন মাংসের মসলা

যা যা লাগবে

    • এলাচি,
    • দারচিনি,
    • তেজপাতা,
    • ধনিয়া,
    • জিরা ।
    • শাহী জিরা ।
    • জয়েত্রি ।
    • জয়ফল ।
    • গোলমরিচ সাদা এবং কালো ।
    • লবঙ্গ ।
    • তারকা মৌরী (অপশনাল), এক কেজী মাংসের জন্য ২ টী যথেষ্ট।
    • পোস্তদানা ।
    • আস্ত শুকনো মরিচ ।
    • মৌরি ।
    • কালো এলাচ।

যেভাবে তৈরি করবেন

নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী আর আন্দাজ মতো সব উপকরন কড়াইতে নিয়ে টেলে গুড়ো করে নিন।
টালার সময় খেয়াল করবেন যাতে মশলা গুলো বেশি টালা না হয়ে যায় অথবা পুড়ে না যায়। আমি কফি গ্রাইন্ডারে গুড়ো করি।

শুক্রবার, ৭ জুলাই, ২০১৭

বেগুন ভেজানো পানি খেলে কমবে ভুঁড়ি

বেগুনের পানিকে ‘মিরাক্যল ওয়াটার’ও বলা হয়ে থাকে। শুধু ওজন কমানো নয়, এই পানি আপনার এনার্জি লেভেলকেও বুস্ট আপ করবে।
বেগুনে আছে অনেক পুষ্টিগুণ। পাশাপাশি এর ক্যালোরি কাউন্ট বেশ কম। তাই বেগুন আপনাকে মোটা না করেই সুস্বাস্থ্যের অধিকারী করে তুলবে। বেগুনে ফাইবার বেশি থাকায় ডায়াবিটিকদের জন্যও বেগুন বেশ ভালো। কনস্টিপেশনের সমস্যা থাকলেও নিয়মিত বেগুনের পানি আপনার জন্য অত্যন্ত উপকারী।

জেনে নিন, কীভাবে বানাবেন বেগুনের পানি

একটা মাঝারি মাপের বেগুন ভালো করে ধুয়ে চাকা চাকা করে কেটে নিন (খোসাসুদ্ধ)। একটা কাঁচের জারে বেগুনের টুকরোগুলো পরপর সাজিয়ে রাখুন। এক লিটার পানির মধ্যে ঢেলে দিন। একটা মাঝাপি মাপের পাতিলেবু নিংড়ে পুরোটা রস এর মধ্যে মিশিয়ে দিন। চামচ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে সারা রাত ফ্রিজে রেখে দিন।
পরের দিন ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনারের আগে এক কাপ করে এই পানি খান। সারা দিনে এক কাপ করে এই পানি খাবেন। সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে ফল পাবেন। বেশি উপকার পাওয়ার ক্ষেত্রে সবুজে ভরসা না রেখে বেগুনি বেগুনেই বেশি ভরসা রাখুন। বেগুনি রঞ্জকটিই ওজন কমাতে বিশেষ উপকারী।

মঙ্গলবার, ২০ জুন, ২০১৭

ঈদের রেসিপিঃ চিকেন তন্দুরি

উপকরণ :
মুরগি : ১ টা, চার টুকরো করা।
রসুন বাটা : ১ চা চামচ
আদা বাটা : ১ চা চামচ
লেবুর রস : ৪ টেবিল চামচ
তন্দুরি মশলা : ১ চা চামচ
কাশ্মীরি লংকা গুড়ো : দেড় চা চামচ
টক দই : দু চামচ
নুন : স্বাদমত
সর্ষের তেল : ২ চামচ

প্রণালী:
চিকেন তন্দুরি কেটে এনে ধুয়ে মুছে শুকনো করে নিন, এবার নুন, লেবুর রস মাখিয়ে দুই ঘন্টা রাখুন। তারপর, কাশ্মীরি লংকা গুঁড়ো, টক দই, আদা রসুন বাটা, তন্দুরি মশলা আর সর্ষের তেল মাখিয়ে সারারাত রাখুন। পরদিন প্রিহিটেড আভেনে ২০ মিনিট কম্বিনেশন গ্রিল করুন। রেডি চিকেন তন্দুরি।

শনিবার, ৩ জুন, ২০১৭

চুলের যত্নে জবা ফুল



ব্যবহার্য অংশ:
(১) জবা ফুল
(২) জবা গাছের পাতা

প্রণালী:
(১) ৫ চামচ আমলকি পাউডার নিন। তাতে ৫ চামচ জবা পাতা বেটে মিশিয়ে নিন। এই মাস্কটি আপনার চুলে দিয়ে রাখুন প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট। তারপর ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটিতে চাইলে আপনি আমলকির রস ব্যবহার করতে পারেন। এভাবে মাসে দুই থেকে তিন বার ব্যবহারে আপনি পাবেন মজবুত আর স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল।

(২) ৫/৬ টি পাতা নিয়ে ২০-৩০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর পাতাগুলো পিষে পানিতে নিয়ে কিছুক্ষণ হাত দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। যা খুব পিচ্ছিল একটি দ্রবণ তৈরি করবে। দ্রবণটি মাথার স্কাল্প সহ পুরো চুলে দিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন; কন্ডিশনার দিন। এই মাস্কটি নিয়মিত ব্যবহারে চুল পড়া কমে, মাথার ঠান্ডা থাকে, চুল কালো হয়, সিল্কি আর শাইনি হয়।

(৩) তিনটি জবা ফুল একটু পানিতে রাত অবধি ভিজিয়ে রাখুন। পরেরদিন ফুলগুলো পিষে তাতে তিন টেবিল চামচ দুধ আর দেড় টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। চুলে দিয়ে ত্রিশ মিনিট পরে শ্যাম্পু করে নিন। উত্তম ফলাফলের জন্য এই মাস্কটি মাসে দুই বার ব্যবহার করতে পারেন।

(৪) ৫/৬ টি পাতা বেটে নিয়ে তাতে দুই টেবিল চামচ মধু এবং চার টেবিল চামচ দই দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। চাইলে এর সাথে চুলের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী নারকেলের দুধও মেশাতে পারেন। মিশ্রণটি চুলে ৪০ মিনিটের মতো রেখে ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটি ব্যবহারে চুল মোলায়েম হয়, চুল পড়া কমে।

(৫) খুশকির সমস্যায় এক মুঠো জবা পাতা আর সমপরিমাণ মেহেদি পাতা পেস্ট করে নিয়ে তাতে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চুলে দিতে পারেন। ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

প্রত্যেকটি মাস্কের ক্ষেত্রে জবা ফুল অথবা পাতা এবং তার আনুষঙ্গিক উপাদানগুলো পানি দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিবেন। আপনার চুলের সমস্যা ভেদে বেছে নিতে পারেন উপরের যে কোনো মাস্ক। মনে রাখবেন চুলের সমস্যা দুই অথবা তিন দিনে কেটে উঠে না; চুলের প্রয়োজন নিয়মিত যত্ন এবং তা হতে হবে অবশ্যই সঠিক উপায়ে।
টিপস
  • সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিনের বেশি শ্যাম্পু করা ঠিক নয়। বেশিদিন শ্যাম্পু ব্যবহারে চুল শুষ্ক হয়ে পড়ে।
  • মাস্ক ব্যবহার করার পাশাপাশি সুষম খাবার আর প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।

সুস্বাদু ঝাল চিকেন ভুনা

উপকরণ :
 মুরগির মাংস ১ কেজি মাঝারি টুকরো করা, পেঁয়াজ মোটা করে কাটা ১ কাপ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, জিরা গুঁড়া আধা টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ৩ টেবিল চামচ, এলাচ, দারুচিনি, গোলমরিচ, লবঙ্গ সব মিলিয়ে ২০ গ্রাম, তেজপাতা ২টি, চিনি ১ চা চামচ, লবণ স্বাদ অনুযায়ী, তেল (সয়াবিন) ও পানি পরিমাণমতো।

প্রস্তুত প্রণালি : 
প্রথমে মুরগির টুকরোগুলো ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। তারপর একটি পাতিলে তেল গরম করে তাতে একে একে পেঁয়াজ, তেজপাতা ও গরম মসলা দিয়ে হালকা ভেজে প্রথমে মুরগির মাংস ও লবণ দিয়ে আবার একটু ভেজে নিয়ে একে একে সব বাটা ও গুঁড়া মসলা এবং পরিমাণমতো পানি দিয়ে মুরগি ভালো করে কষিয়ে নিয়ে আধা ঘণ্টা নিভে আঁচে চুলোয় রেখে দিন। মুরগির গ্রেভি ঘন হয়ে এলে সেটি নামিয়ে একটি ডিশে ঢেলে সাজিয়ে পরিবেশন করুন ঝাল চিকেন ভুনা।

সোমবার, ১৫ মে, ২০১৭

ঘাম শরীরের যেসব উপকার করে


পর্যাপ্ত ঘামা সবসময় খারাপ নয়। শরীরের ঘাম যথেষ্ট উপকারীও বটে।

গবেষকরা বলেছেন, একজন সুস্থ-সবল মানুষ তার শরীর হতে প্রতিদিন গড়ে অন্তত এক লিটার ঘাম ত্যাগ করেন। পর্যাপ্ত ঘামার কারণে যেকোন ব্যক্তি রোগমুক্ত থাকতে পারেন। এটি নিয়মিত রক্ত চলাচলে সহায়তা করে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

ঘাম শরীরের অতিরিক্ত লবণাক্ততা বের করে দেয়। যেটি কিডনির জন্যও খুবই উপকারী। যখন আপনি ঘামছেন, তার মানে হলো আপনাকে অতিরিক্ত পানি পান করতে হচ্ছে এজন্য। যেটি রক্ত চলাচলের মাধ্যমে ইউরিনের সাহায্যে দূষিত উপাদান বের করতে সাহায্য করে থাকে।

ঘামার কারণে শরীর হতে অতিরিক্ত পানি বেরিয়ে যায়, যে কারণে ওই ব্যক্তির শরীরে ঠাণ্ডা অনুভূত হয়। যা শরীর ও ত্বক উভয়ের জন্য বিশেষ উপকারী।

তাছাড়া অতিরিক্ত কাজের সময় যখন শরীর হতে ঘাম বেয়ে পড়ে ঠিক তখন তার সঙ্গে বেরিয়ে যায় অপ্রয়োজনীয় এবং দূষিত উপাদানও। যে কারণে শরীর ও মন চনমনে হয়ে ওঠে। তাই এক কথায় ঘাম মানুষের জন্য উপকারী।

মজাদার ফলের ফালুদা

 

উপকরণ:

  • # আম ২টি
  • # আপেল ২টি
  • # পেঁপে ১টি (মাঝারি)
  • # কলা ২টি
  • # মধু ২ টেবিল চামচ
  • # দুধ ২ কাপ (ঘন করে জ্বাল দেয়া)
  • # পেস্তা কুচি ২ চা চামচ
  • # রুহ আফজা ২ টেবিল চামচ
  • # মাওয়া ৩ চা চামচ
  • # আইসক্রিম প্রয়োজন মতো
  • প্রস্তুত প্রণালী

    প্রথমে ঘন করে দুধ জ্বাল দিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন। এবার আম, আপেল, পেঁপে, কলা ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। এখন এগুলো মধু দিয়ে মাখিয়ে নিন।
    এবার গ্লাসে ফলগুলো দিয়ে তার ওপর ঘন দুধ ঢেলে দিন। এরপর আইসক্রিমের স্কুপ দিন। তার ওপর পেস্তা এবং মাওয়া ছড়িয়ে দিয়ে রুহ আফজা দিন। এখন টেবিলে সাজিয়ে পরিবেশন করুণ।
    মনে রাখবেন এটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর খাবার। তাছাড়া গরমের এই সময় পেটও ঠাণ্ডা থাকবে। এ সময় ঘরে মেহমান এলে তাৎক্ষণিক এই ফলের ফালুদা বানিয়ে খাওয়াতে পারেন। আবার ফ্রিজে বানিয়ে রেখেও পরিবেশন করা যেতে পারে। তবে বানিয়ে খাওয়ায় ভালো। আপনি ইচ্ছে করলে তরমুজ,বাঙ্গি ও আনারসসহ বেশ কিছু ফলও এর সঙ্গে যুক্ত করতে পারেন।
     

শনিবার, ১৩ মে, ২০১৭

লেবু ও স্ট্রবেরীর শরবত


লেবুর শরবতঃ গরমের দিনে লেবুর শরবত আমাদের খুবই প্রিয় একটি পানীয়। এক গ্লাস লেবুর শরবত যেন আমাদের মন এবং শরীর দুটোকেই প্রশান্ত করে দেয়।
 
উপকরণঃ 
১। ফ্রেশ লেবু।
২। বিট লবণ।
৩। চিনি।
৪। গোলমরিচ।
৫। পুদিনা পাতা।
৬। ফ্রিজের ঠাণ্ডা পানি।

যেভাবে তৈরি করবেনঃ প্রথমে লেবুগুলো ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। এরপর লেবুগুলো কেটে রস বের করে নিন। একটি জগে ঠাণ্ডা পানির মধ্যে রসগুলো নিয়ে নিন। পরিমাণ মতো বিট লবণ, গোলমরিচ এবং চিনি মিশিয়ে নিন। এরপর পুদিনা পাতা দিয়ে পরিবেশন করুন।

স্ট্রবেরি শরবতঃ স্ট্রবেরি আমাদের সকলেরই একটি প্রিয় ফল। তবে এই স্ট্রবেরি দিয়েও শরবত তৈরি করা যায়। নিয়মটি নিচে দেখে নিন।

উপকরণঃ 
১। ৪টি স্ট্রবেরি।
২। পরিমানমত দুধ।
৩। ২০ মিলিগ্রাম চিনি। 

যেভাবে তৈরি করবেনঃ প্রথমে ব্লেন্ডারে দুধটুকু নিয়ে নিন। এবার স্ট্রবেরি এবং চিনি দিয়ে ব্লেন্ডার চালু করে দিন। এরপর চাইলে কিছুক্ষণ ফ্রিজে রাখতে পারেন। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে গ্লাসে নিয়ে পরিবেশন করুন।

বৃহস্পতিবার, ১১ মে, ২০১৭

আলু বোখরার চাটনি



উপকরণ:
--১ কাপ আলু বোখরা (সারা রাত ভেজানো)
১/২ কাপ (১২৫ গ্রাম) চিনি
১ চা চামচ লাল মরিচের গুঁড়ো
১ চিমটি জয়ফল গুঁড়ো
১ চিমটি জয়ত্রি গুঁড়ো
লবণ
১ চিমটি খাওয়ার লাল রং
১ চা চামচ ভিনেগার
১ চা চামচ তিল

প্রণালী:
১। প্রথমে সারারাত আলু বোখরাগুলো পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।
২। পরেরদিন আলু বোখরাগুলো থেকে বীচি আলাদা করে ফেলুন।
৩। বীচিগুলোতে কিছুটা পানি দিয়ে রাখুন, এতে করে বীচিতে লেগে থাকা আলু বোখরাগুলো খুলে আসবে।
৪। একটি প্যানে পানি দিয়ে এতে আলু বোখরাগুলো দিয়ে চুলায় জ্বাল দিন।
৫। বলক আসলে এতে চিনি দিয়ে জ্বাল দিন।
৬। এরপর এতে জয়ত্রি গুঁড়ো, জয়ফল গুঁড়ো, লবণ, মরিচ গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, জয়ফল গুঁড়ো, জয়ত্রি গুঁড়ো এবং ফুড কালার দিয়ে মাঝারি আঁচে রান্না করুন।
৭। ঘন হয়ে আসলে এতে ভিনেগার দিয়ে কয়েক মিনিট রান্না করুন।
৮। চাটনি হয়ে আসলে নামানোর আগে তিল দিয়ে নাড়ুন।
৯। ব্যস তৈরি হয়ে গেল মজাদার টক ঝাল মিষ্টি আলু বোখরার চাটনি।

শনিবার, ৬ মে, ২০১৭

গরমে ত্বকের যত্নে ৭টি টিপস


পানি পান করুন
পানি শুধু শরীরে আর্দ্রতা জোগায় না, ত্বককে করে তোলে সজীব। তাই ত্বক সুন্দর রাখতে এ সময়ে প্রচুর পানি পান করুন।
টোনার ব্যবহার করুন
টোনার ত্বকের রোমকূপ বন্ধ ও ত্বককে শীতল রাখতে সাহায্য করে। বাজার থেকে ভালো কোম্পানির টোনার দেখে কিনুন। ঘরোয়া টোনার হিসেবে গোলাপজল ভালো কাজ করে।
ওয়াটার বেজ ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন
গরমের সময়ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার বন্ধ করবেন না। কারণ ময়েশ্চারাইজার ত্বকে আর্দ্রতা জোগানোর পাশাপাশি ত্বককে নরম রাখে। তবে গরমের সময় ওয়াটার বেজ ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন ত্বকের যতেœ।
ত্বক পরিষ্কার রাখুন
সকালে ও রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই ত্বক পরিষ্কার করুন। যদি এমন হয় সারা দিন বাইরে বের হননি তবুও রুটিন করে ত্বক পরিষ্কার করতে ভুলবেন না।
এক্সফোলিয়েট করুন
গরমের সময় ত্বকের মরা কোষ দূর করে রক্ত সঞ্চালন বাড়ানোর জন্য ত্বককে এক্সফোলিয়েট করা জরুরি। কারণ এ সময় ধুলাময়লা জমে ত্বক অপরিচ্ছন্ন হয় বেশি। চার-পাঁচ চামচ বেসনের সাথে এক চামচ হলুদ, পাঁচ-ছয় ফোঁটা গোলাপজল ও দুধ মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। আধঘণ্টা পর ঘষে ঘষে তুলে ফেলুন।
রোদ এড়িয়ে চলুন
বেসন ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করতে খুব কার্যকর। বেসনের সাথে টক দই ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলতে হবে। রোদে পোড়া দাগ দূর করতে লেবুর রস ভালো কাজ করে। পেঁপে প্রাকৃতিক কিনজার হিসেবে ভালো কাজ করে। তাই ত্বক পরিষ্কার করতে দুই টেবিল চামচ চটকানো পেঁপের সাথে এক চা চামচ মধু ও একটা ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
ত্বককে শীতল রাখুন
গরমে ত্বক শীতল রাখা খুব প্রয়োজন। এক টেবিল চামচ কোরানো শসার সাথে এক টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। খুবই সতেজ অনুভব করবেন। এ ছাড়া পুষ্টিকর খাবার, ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত ঘুম ত্বক ভালো রাখার জন্য খুবই জরুরি। লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না 😉

শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

হালকা গরম কালের সাজগোজ

মুখের মেইকআপ:
আগে ত্বক মেইকআপের জন্য প্রস্তুত করে নিতে হবে। ত্বকের আর্দ্রতার মাত্রা ঠিক রাখা সব থেকে বেশি জরুরি, এতে মেইকআপ সুন্দরভাবে মিশে যায় ও আলগা হয়ে থাকে না। প্রথমে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে এরপরই বিবি ক্রিম বা ফাউন্ডেশন ব্যবহার করতে হবে। আর ক্রিম বা ফাউন্ডেশন ত্বকে যেন ভালোভাবে ব্লেন্ড হয় সেদিকেও লক্ষ রাখতে হবে।

গালের সাজে ব্লাশন:
এই গরমে ক্রিম বেইজ ব্লাশন বেছে নেওয়া উচিত, এতে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়। আর এই আবহাওয়ায় উজ্জ্বল রং এড়িয়ে হালকা ব্লাশন বেছে নিতে হবে। যেমন, অ্যাপ্রিকোট বা কোরাল, হালকা গোলাপি ইত্যাদি রংগুলো বেছে নেওয়া যেতে পারে। বাড়তি উজ্জ্বলতা যুক্ত করতে ব্লাশনের উপর হালকা করে ব্রোঞ্জার বুলিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

 
 
 
চোখের সাজ:
এই গরমে চোখে চকচকে শ্যাডো এড়িয়ে চলাই ভালো। হালকা রংয়ের শ্যাডো দিয়ে পাপড়ি ঘেষে মন মতো করে লাইনার টেনে দিতে পারেন। চাইলে রঙিন লাইনারও ব্যবহার করা যেতে পারেন। চোখের নিচে দিতে পারেন কাজল, এরপর হালকা করে স্মাজ করে নিন। উপরের ও নিচের পাপড়িতে ঘন করে মাস্কারা লাগিয়ে নিলেই সাজ পূর্ণতা পাবে। ঠোঁটের জন্য লিপগ্লস:
এই মৌসুমে লিপগ্লস বেশ ভালো মানায়। হালকা রংয়ের লিপলাইনার দিয়ে ঠোঁট এঁকে নিয়ে গোলাপি বা পিচ রংয়ের গ্লস ঠোঁটে বুলিয়ে নিতে পারেন। তবে গ্লস পছন্দ না হলে হালকা রংয়ের ম্যাট লিপস্টিকও ব্যবহার করা যায়।
আরও কিছু লক্ষণীয় বিষয়
– যাদের ত্বকে রংয়ের সামঞ্জস্যতা নেই, তাদের উচিত ফাউন্ডেশনের আগে ভালো কোনো কনসিলার ব্যবহার করে তা ঠিক করে নেওয়া।
– যাদের গায়ের রং বেশি ফর্সা, তারা ফাউন্ডেশন বা বিবি ক্রিম ব্যবহারের পর অবশ্যই হালকা করে ব্রোঞ্জার বুলিয়ে নেবেন।
– তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরা অয়েল ফ্রি ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন এবং এর উপর পাউডার বুলিয়ে সেট করে নেবেন। সঙ্গে বল্টিং পেপার বা টিস্যু পেপার রাখবেন। বল্টিং পেপার বিশেষভাবে তৈরি যা মেইকআপ নষ্ট না করে ত্বকের বাড়তি তেল শুষে নিতে সাহায্য করে।

মজাদার মেজবানি গরুর মাংস রেসিপি

উপকরণ
গরুর মাংস ২ কেজি। পেঁয়াজকুচি ১ কাপ। পেঁয়াজবাটা আধা কাপ। আদাবাটা ২ টেবিল-চামচ। রসুনবাটা ১ টেবিল-চামচ। লাল মরিচবাটা ২ টেবিল-চামচ। সাদা তিলবাটা ১ চা-চামচ। মিষ্টি জিরাবাটা আধা চা-চামচ। সরিষাবাটা আধা টেবিল-চামচ। পোস্তদানা-বাটা আধা টেবিল-চামচ। জিরাগুঁড়া ১ টেবিল-চামচ। ধনেগুঁড়া আধা টেবিল-চামচ। হলুদগুঁড়া ১ টেবিল-চামচ। তেজপাতা ৩,৪টি। এলাচ, দারুচিনি ও লবঙ্গবাটা মিলে ১ চা-চামচ। চিনিবাটা আধা টেবিল-চামচ। জায়ফল-জয়ত্রী ও গোলমরিচ-বাটা ১ চা-চামচ করে। মেথিবাটা ১/৩ চা-চামচ। পানি ৩ কাপ। সরিষার তেল ১ কাপ। লবণ স্বাদ মতো।

পদ্ধতি
গরম মসলা ছাড়া বাকি সব মসলা দিয়ে মাংস মাখিয়ে নিন আগে। কড়াইতে তেল দিয়ে, গরম হলে পেঁয়াজকুচি লাল করে ভেজে নিন। মাখানো মাংস ঢেলে ভালোভাবে কষিয়ে তিন কাপ গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিন।
মাংস সিদ্ধ হয়ে এলে গরম মসলা দিয়ে আরও কিছুক্ষণ ঢেকে রান্না করুন। এরপর নামিয়ে ফেলুন। ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল মেজবানি মাংস।

সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

মজাদার ভেজিটেবল রোল রেসিপি

রোল র‍্যাপার তৈরি

উপকরণঃ

  • ডিম – ১ টি
  • ময়দা বা সাদা আটা – ১+ ১/২ কাপ
  • বেকিং পাউডার – ১ চাচামচ
  • কর্ন ফ্লাওয়ার – ১ টেবিল চামচ
  • লবন – ১/২ চাচামচ
  • কর্ন ফ্লাওয়ার – ১ টেবিল চামচ
  • লবন – ১/২ চাচামচ
  • চিনি – ২ চাচামচ
  • নরমাল পানি – ২ কাপ বা এর সামান্য বেশি

প্রণালীঃ

  • হ্যান্ড মিক্সার দিয়ে ডিম ভাল করে ফেটে নিন ।
  • বাকি সব উপকরন এক সাথে ভাল করে মিক্স করে নিন ।
  • ননস্টিক ফ্রাই প্যানে প্রথমে গরম করে নিন ।
  • একটি কটনের বল সামান্য তেলে ভিজিয়ে রাখুন ।
  • গরম প্যানে কটনে বল আলতো করে বুলিয়ে নিন ।
  • এবার ব্যাটার ১ চামচ করে দিন । আমি ডালের গোল বড় চামচের ১ চামচ দিয়েছি । পরিমান মত দিলেই হবে ।
  • খুব দ্রুত ব্যাটার দিয়ে প্যান ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে রুটির শেপ করে নিন ।
  • অনেকটা পাটিসাপটা বা চিতই পিঠার মত ।
  • চেস্টা করবেন একটু পাতলা টাইপের রুটি করতে ।
  • কয়েক সেকেন্ডের জন্য ঢেকে দিন । ঢাকনার পানি গড়িয়ে রুটিতে পরার আগে তুলে ফেলবেন । পানি পড়ে গেলে রুটি কাচা কাচা থাকবে ।
  • ঢাকনা তুলে ওপর পিঠ ও ১-২ মিনিটের জন্য সেকে নিন ।
  • রুটি গুলো সেঁকে ছাঁকনি বা জালি ঝুড়ির উপরে রাখুন তাহলে রুটি ঘামবেনা ।
  • সব গুলো একই ভাবে বানিয়ে নিন ।
  • আমি বানানোর অর্ধেক পর্যায় আরো সামান্য পানি এড করেছি । ব্যাটার ঘন হয়ে গেলে আপনারাও সামান্য পানি এড করতে পারেন ।
  • ১২ টি রোল র‍্যাপার হবে ।

পুর তৈরি

উপকরণঃ

  • পাতা কপি – ১ টি (ছোট)
  • আলু – ২ টি (মাঝারি )
  • পেয়াজ + কাচামরিচ কুচি
  • স্বাদই ম্যাজিক মশলা – ১ প্যাকেট
  • টেস্টিং সল্ট – ১ চাচামচ (ঐচ্ছিক )
  • লবন – পরিমান মত
  • সামান্য হলুদ
  • তেল – ২-৩ টেবিল চামচ

প্রণালীঃ

  • প্যানে তেল গরম করে সব এক সাথে দিয়ে দিন ।
  • ঢাকনা দিয়ে দিন । সিদ্ধ হয়ে আসলে ঢাকনা খুলে দিন ।
  • ভাল করে ভেজে নামিয়ে নিন ।

রোল তৈরি করা

উপকরণঃ

  • আটা বা ময়দা – ১/৪ কাপ
  • পানি – পরিমান মত
  • ডিম – ২ টি
  • টোস্টের গুড়া – ১ কাপ (খুব ভাল করে গুড়া করে নিবেন )

প্রণালীঃ

  • সব এক সাথে মিক্স করে স্টিকি ডো তৈরি করুন ।
  • অনেকটা আঠার মত হবে ।
  • এবার একটা করে রুটি নিয়ে রুটির চারদিকে এই স্টিকি ডো লাগিয়ে দিন ।
  • মাজখানে পরিমান মত পুর দিয়ে দুই সাইড ভাল করে লাগিয়ে দিন ।
  • পাশাপাশি দুই সাইড রোল করে দিন । শেষের মাথা ভাল করে লাগিয়ে দিন ।
  • এবার একটি করে রোল ডিমে ডুবিয়ে বিস্কুটের গুড়ায় গড়িয়ে নিন । আবারো ডিমে ডুবিয়ে বিস্কুটের গুড়ায় ডুবিয়ে নিন ।
  • ২ বার কোটিং দিলে সবচেয়ে ভাল হয় ।
  • গরম তেলে ছেড়ে মাঝারি আচে বাদামি কালার করে ভেজে নিন ।
  • খুব সাবধানে ভাজবেন । বিস্কুটের গুড়ার কারনে তাড়াতাড়ি পুড়ে যাবে । তাই মাঝারি আচের থেকে কম আচ দিয়ে ভাজুন ।

পরিবেশনঃ

  • বিকেলের নাশাতায় সসের সাথে পরিবেশন করুন ।

শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

বয়সের ছাপ কমাতে উপকারী ফেসপ্যাক

যা যা লাগবে

চাল তিন টেবিল চামচ, দুধ এক টেবিল চামচ ও মধু এক টেবিল চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে চাল ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এবার একটি প্যানে পানির মধ্যে চাল ১০ মিনিট সেদ্ধ করুন। পুরোপুরি সেদ্ধ হওয়ার আগেই চুলা থেকে চাল নামিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার তিন টেবিল চামচ সেদ্ধ হওয়া চালের পানি একটি বাটিতে নিন। এখন এতে এক টেবিল চামচ মধু ও এক টেবিল চামচ দুধ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন।

যেভাবে ব্যবহার করবেন

এই প্যাক মুখে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর সেদ্ধ করা চালের পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।

পরামর্শ

১. চালের সেদ্ধ পানি ব্যবহারের সময় ঠান্ডা করে নিন।
২. চালের পানি দিয়ে মুধ ধোয়ার ২০ মিনিট পর সাধারণ পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
৩. টানা এক সপ্তাহ নিয়মিত এই প্যাক মুখে লাগান। দেখবেন, আপনার চেহারার জৌলুস আগের মতো ফিরে আসবে।

এই প্যাক কতটা কার্যকর?

প্রাকৃতিক এই প্যাক ত্বকের পানিশূন্যতা দূর করে এবং বলিরেখা দূর করে ত্বকের লাবণ্য ফিরিয়ে আনে। এ ছাড়া চেহারার বয়সের ছাপ কমিয়ে ত্বককে করে টানটান ও মসৃণ।

সন্তান নেওয়ার আগে পূর্বপ্রস্তুতি

১) ব্যায়াম করার অভ্যাস আমাদের দেশে খুব কম সংখ্যক নারীরই আছে। আপনার ওজন যেমনই হোক না কেন, দিনে অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করার অভ্যাস করে তুলুন। এই অভ্যাস আপনার শরীরকে ঝরঝরে ও সুস্থ সবল রাখবে, আপনি থাকবেন নীরোগ, সন্তান ধারণ ও ডেলিভারিকে অনেকটাই সহজ করে দেবে।

২) খাদ্যাভ্যাসকে একেবারে শুধরে ফেলুন। ভাজা পোড়া ও অতিরিক্ত লবণ, রঙ, ফ্লেভার যুক্ত খাবার বাদ দিয়ে প্রচুর সবজি ও ফল খাবার অভ্যাস গড়ে তুলুন।  এখন আপনার প্রচুর প্রোটিন, ক্যালসিয়াম , মিনারেল, ফলিক এসিড ইত্যাদি প্রয়োজন। সঠিক খাদ্যাভ্যাস আপনার উর্বরতা বাড়াতেও সহায়ক।

৩) ফলিক এসিড নিয়মিত গ্রহণ করুন। এই ভিটামিনটি শিশুর অনেকগুলো জন্মগত ত্রুটি প্রতিরোধ করে থাকে। সবুজ শাক পাতা, টক জাতীয় ফলে প্রচুর ফলিক এসিড পাওয়া যায়।
তবে বেশিরভাগ নারীর ক্ষেত্রেই ট্যাবলেট খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। ডাক্তারের পরামর্শে মাল্টি ভিটামিন গ্রন করতে পারেন।  গর্ভধারণ করতে চাইলে আপনার দিনে ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ফলিক এসিড গ্রহণ করা প্রয়োজন।

৪) ওজনের দিকে লক্ষ করুন। বেশী রোগা হলে বা বেশি মোটা হলে গর্ভধারণ করতে মারাত্মক সমস্যা হতে পারে। নিজেকে একটি আদর্শ ওজনে নিয়ে যাবার প্রাণপণ চেষ্টা করুন। ওজন সঠিক হলে গর্ভ ধারণের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে। সাথে বাড়বে সহজে ডেলিভারি হবার সুযোগ।

৫) খুব ভালো করে ডাক্তারি চেকাপ করান। আপনার কোন শারীরিক সমস্যা থাকলে সেটার চিকিৎসা করান, কারণ বাচ্চা পেটে আসার পর অনেক ধরণের ওষুধই আপনি আর গ্রহণ করতে পারবেন না। অন্যদিকে গর্ভধারণের পূর্বে আপনাকে কোন ভ্যাক্সিন নিতে হবে কিনা বা আরও কিছু করতে হবে কিনা সেটাও ডাক্তারের কাছ থেকে জেনে নিন।

৬) দাঁতে কোন রকম সমস্যা থাকলে কনসিভ করার আগেই চিকিৎসা করিয়ে ফেলুন। কারণ গর্ভাবস্থায় দাঁতের চিকিৎসা করানো যায় না।

৭) মাছ মাংস খাওয়ার ব্যাপারে প্রচণ্ড সতর্ক থাকুন। খেয়াল রাখুন আপনার খাওয়া মাছ বা মাংস যেন খুব ভালো করে রান্না করা হয়।
একই সাথে যেসব বড় মাছ অন্য ছোট মাছকে খায়, সেগুলো খাওয়া হতে বিরত থাকুন। কারণ এগুলোতে উচ্চ মাত্রায় মারকারি থাকতে পাড়ে, যা বাচ্চার জন্য ক্ষতিকর। তৃণভোজী ছোট মাছ খাবেন। আর ইয়া, টুনা ফিস জাতীয় মাচ খাবেন না একেবারেই!

৮) যদি সন্তান গ্রহণ করতে চান, তাহলে কনসিভ করার আগে ও পরে চা-কফি ও কোমল পানীয় পান করা ছেড়ে দিন বা একেবারেই কমিয়ে ফেলুন। গর্ভধারণের চেস্তায় রত থাকলে দিনে ২০০ মিলিগ্রামের বেশী ক্যাফেইন গ্রহন করা একেবারেই উচিত হবে না।
আপনি ১২ আউন্সের এক কাপ কফি বা ৮ আউন্সের এক কাপ চা গ্রহণ করতে পারবেন দৈনিক, এর বেশি নয়। সম্ভব ওলে ক্যাফেইন বিহীন চা কফি পান করুন বা দুধ সহযোগে পান করুন। লাল চা বা কালো কফি এই অবস্থায় ভালো নয়।

৯) ধূমপান ত্যাগ করুন অতি অবশ্যই।

১০) কোন প্রকার মাদক ও মদ্যপানের অভ্যাস থাকলে ত্যাগ করুন।
এছাড়াও নিজের মনে মনে সন্তানের জন্য প্রস্তুতি নিন। সন্তানের জন্য সঞ্চয় শুরু করুন, মনে মনে সন্তানের কল্পনা করুন। এগুলো আপনার মনকে প্রফুল্ল রাখবে।
সন্তান গ্রহনের চেষ্টার সময় একটা মিনি হানিমুনও সেরে আসতে পারেন দুজনে। এটাও আপনাদের দাম্পত্য সম্পর্ক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হবে।