আজকে জেনে নিন রূপচর্চায় দুধের এমনই দারুণ কিছু ব্যবহার সম্পর্কে যা আপনার ত্বক ও চুলের হারানো সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করবে।
১) ফেসিয়াল ক্লিনজার হিসেবে দুধ
বাজারে কিনতে পাওয়া প্রায় সকল ফেসিয়াল
ক্লিনজারে ক্ষতিকর কেমিক্যাল থাকে যা ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করে দীর্ঘদিন
ব্যবহারের ফলে। এরচাইতে ব্যবহার করতে পারেন দুধ। শুধুমাত্র তুলোর বলে দুধ
ভিজিয়ে ত্বকে ভালো করে লাগিয়ে নিন এবং শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে
নিন। বেশ ভালো কাজে দেবে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতাও ফিরে পাবেন।
২) ময়েসচারাইজার হিসেবে দুধ
রুক্ষ শুষ্ক ত্বকের জন্য কেমিক্যাল সমৃদ্ধ
ময়েসচারাইজার ব্যবহার না করে শুধুমাত্র দুধ ব্যবহারেও অনেক ভালো ফলাফল
পাবে। দুধে মধু মিশিয়ে ত্বকে সামান্য সময় ম্যাসাজ করে নিন এবং এরপর ত্বক
ভালো করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এছাড়াও পাকা করা পিষে দুধ মিশিয়ে
প্যাক ব্যবহার করলেও ভালো ফলাফল পাবেন।
৩) ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে দুধ
তাৎক্ষণিকভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি
করতে দুধের কার্যকারিতা অনেক বেশী। সামান্য একটু চিনির সাথে দুধ মিশিয়ে
ত্বক আলতো করে ম্যাসাজ করে নিন। এতে করে ত্বকের উপরের কালচে মরা কোষ দূর
হবে এবং দুধ ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে তাৎক্ষণিকভাবেই।
৪) ত্বকের দাগ দূর করতে দুধ
ত্বকের যেকোনো ধরণের দাগ দূর করতেও দুধ
বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। কারণ দুধে রয়েছে মাইল্ড অ্যাসিড যা ত্বকের দাগ
ধীরে ধীরে মিলিয়ে দিতে সক্ষম। আলু গ্রেট করে চিপে তা থেকে রস বের করে
সমপরিমাণ দুধের সাথে মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে নিন ঘুমুতে যাওয়ার আগে। সকালে উঠে
ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে নিন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের দাগ দূর হবে বেশ
দ্রুত।
৫) চুল ডীপ কন্ডিশন্ড করতে
রুক্ষ শুষ্ক চুল, চুলের আগা ফাটা এই ধরণের
চুলের সমস্যা সমাধানে দুধ দিয়েই করে নিতে পারেন ডীপ কন্ডিশন। শুধুমাত্র
দুধ চুলে ম্যাসাজ করে ৩০ মিনিট রেখে চুল ধুয়ে নিন শ্যাম্পু করে। কিংবা
টকদই, মেয়োনেজ এবং দুধ একসাথে মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন। এরপর
চুল ধুয়ে নিন। চুলের উজ্জ্বলতা এবং ঝলমলে ভাব আপনি নিজেই টের পাবেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন